'ক' ব্যক্তি একটি দেশের সরকার প্রধান। তাকে কেন্দ্র করেই শাসনকাজ পরিচালিত হয়। তিনি তার দলের নেতা। তারা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। 'খ' ব্যক্তি তার পরামর্শ অনুযায়ী দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিদের নিয়োগদান করেন। কিন্তু 'খ' ব্যক্তি সর্বোচ্চ আদালতে শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তির শাস্তি মওকুফ করতে পারলেও 'ক' ব্যক্তি তা পারেন না।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন সচিব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের শাসন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা মন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত যে পরিষদের হাতে ন্যস্ত থাকে তাকে মন্ত্রিপরিষদ বলে।

প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের নেতা। তিনি যেরূপ সংখ্যক প্রয়োজন মনে করেন সেরূপ সংখ্যক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রীগণ সাধারণত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য কিন্তু সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিও মন্ত্রী নিযুক্ত হতে পারেন। তবে তার সংখ্যা মন্ত্রিপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার এক-দশমাংশের বেশি হবে না। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থেকে দায়িত্ব পালন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'খ' ব্যক্তির দ্বারা রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। প্রধান বিচারপতির নিয়োগ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ করেন। রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা যেমন- মহাহিসাব নিরীক্ষক, নির্বাচন কমিশনার, বিভিন্ন রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনীর প্রধান প্রভৃতি পদে নিয়োগের দায়িত্বও তাঁর। তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দান করেন। কোনো আদালত বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন। তাঁর অনুমতি ছাড়া দেশের কোনো নাগরিক অন্য কোনো দেশের দেওয়া সম্মান বা পদবি গ্রহণ করতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি অনুযায়ী তিনি দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথবাক্য পাঠ করান।
উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, 'খ' ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিদের নিয়োগ দান করেন। তিনি সর্বোচ্চ আদালতের শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তির শাস্তি মওকুফ করতে পারেন। তার এসব কাজ মূলত রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত থেকে 'খ' ব্যক্তি তথা রাষ্ট্রপতি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'ক' ব্যক্তি তথা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি- উক্তিটি যথার্থ।
উদ্দীপকের 'ক' ব্যক্তির দ্বারা প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু এবং সরকার প্রধান। তাকে কেন্দ্র করেই দেশ, জাতি ও সরকার পরিচালিত হয়। তিনিই প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সব দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন। প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। তাঁর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে মন্ত্রীরা কাজ করেন। তাঁর নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণয়ন করা হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে তিনি রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন। তার সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি জাতীয় স্বার্থের রক্ষক। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত, পরিচালিত ও বিলুপ্ত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, 'ক' ব্যক্তি একটি দেশের সরকার প্রধান। তাকে কেন্দ্র করেই শাসনকাজ পরিচালিত হয়। তিনি তার দলের নেতা। রাষ্ট্রপতি তার পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মূলত প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলির প্রতিই নির্দেশ করা হয়েছে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীই শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি একাধারে সরকার প্রধান, দলের প্রধান এবং সংসদের নেতা। তার নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এজন্য তাকে শাসনব্যবস্থার মধ্যমণি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
103

‘সরকার' অতি পরিচিত একটি শব্দ। বিশ্বের সব দেশেই কোনো না কোনো সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকার কাকে বলে সে সম্পর্কে আমরা চতুর্থ অধ্যায়ে জেনেছি। মূলত সরকারের দ্বারা একটি দেশের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সকল দেশে সরকার থাকলেও তা একরকম নয় । এ অধ্যায়ে আমরা আমাদের দেশের সরকার-পদ্ধতি সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-

♦ বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ উল্লেখ করতে পারব

♦ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব

♦ বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো বর্ণনা করতে পারব বাংলাদেশের আইনসভার গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব

♦ বাংলাদেশের বিচার বিভাগের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
বিভাগের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করে বিভাগীয় প্রশাসন। তবে বিভাগের সব কাজ সম্পন্ন করা হয় বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে। তিনি কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

'A' চিহ্নিত স্থানটি সরকারের আইন বিভাগকে নির্দেশ করছে।
সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় জাতীয় সংসদ যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের সব ক্ষমতা জাতীয় সংসদের। সংসদ যেকোনো আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও 'মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকে। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না। সংসদ প্রতি বছর জাতীয় বাজেট পাস করে। সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়। সুতরাং বলা যায়, আইন বিভাগের কর্মকাণ্ডের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B' চিহ্নিত বিভাগটি হলো নির্বাহী বিভাগ এবং 'A' চিহ্নিত বিভাগটি হলো আইন বিভাগ। বাংলাদেশে আইন বিভাগ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়টির সাথে আমি একমত।
সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের যেসব কাজ করতে হয় সেগুলো হলো- আইনসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ এবং বিচারসংক্রান্ত কাজ। এই তিন প্রকার কাজ সম্পাদন করার জন্য আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। তবে আইন বিভাগের কাজের পরিধি ব্যাপক। এটি শুধু আইন প্রণয়নই করে না, নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণও করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙেযায়। মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, অনাস্থা প্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, সংসদীয় বিভিন্ন কমিটি ও সংসদে সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট, আইন বিভাগের সাথে নির্বাহী বিভাগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। আইন বিভাগ তথা জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড বলা হয়।
রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রশাসনের। রাষ্ট্রের ভিতরে শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সুষ্ঠু প্রশাসনের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রশাসন রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
5.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews