বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিম কোর্ট।
জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
জেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক। দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন। তাকে কেন্দ্র করে জেলার সব সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'ক' ব্যক্তি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদমর্যাদার অধিকারী।
রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান। সরকারের শাসন সংক্রান্ত সব কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়। তাঁর পদাধিকার বলে তিনি রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেন। যেমনটি উদ্দীপকের 'ক' ব্যক্তির ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের 'ক' ব্যক্তি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তিনি তাঁর পদাধিকার বলে রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। প্রজাতন্ত্রের শাসন সংক্রান্ত সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়। তাই বলা যায় 'ক' ব্যক্তি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদমর্যাদার অধিকারী।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে হলে কোনো ব্যক্তিকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক ও কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়স্ক হতে হবে। এর পাশাপাশি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হন। তাঁর কার্যকাল পাঁচ বছর। রাষ্ট্রপতি পুনর্নিবাচিত হতে পারেন। তবে একাদিক্রমে হোক বা না হোক কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে কোনো অভিযোগ আনা যায় না। তবে সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর কোনো অভিযোগে জাতীয় সংসদ অভিশংসনের মাধ্যমে তাকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অপসারণ করতে পারে।
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যক্তি অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি সম্পাদন করেন।
সরকারের সব শাসনসংক্রান্ত কাজ রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন। অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ দেন। রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের তিনিই নিয়োগ দেন। তিনি সামরিক বাহিনীর প্রধান। রাষ্ট্রপতি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন। তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে ভেঙে দিতে পারেন। তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন। কোনো বিল তার সম্মতি ছাড়া আইনে পরিণত হয় না। তার সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না। কোনো কারণে সংসদ কোনো ক্ষেত্রে অর্থ মঞ্জুর করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি ৬০ দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের তার পরামর্শে নিয়োগ করা হয়। তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাজা মওকুফ করতে পারেন।
পরিশেষে বলা যায়, রাষ্ট্রপতি নামমাত্র প্রধান হলেও তার দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
Related Question
View Allশাসন বিভাগের অপর নাম নির্বাহী বিভাগ।
মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
বিভাগের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করে বিভাগীয় প্রশাসন। তবে বিভাগের সব কাজ সম্পন্ন করা হয় বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে। তিনি কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
'A' চিহ্নিত স্থানটি সরকারের আইন বিভাগকে নির্দেশ করছে।
সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় জাতীয় সংসদ যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের সব ক্ষমতা জাতীয় সংসদের। সংসদ যেকোনো আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও 'মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকে। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না। সংসদ প্রতি বছর জাতীয় বাজেট পাস করে। সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়। সুতরাং বলা যায়, আইন বিভাগের কর্মকাণ্ডের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B' চিহ্নিত বিভাগটি হলো নির্বাহী বিভাগ এবং 'A' চিহ্নিত বিভাগটি হলো আইন বিভাগ। বাংলাদেশে আইন বিভাগ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়টির সাথে আমি একমত।
সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের যেসব কাজ করতে হয় সেগুলো হলো- আইনসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ এবং বিচারসংক্রান্ত কাজ। এই তিন প্রকার কাজ সম্পাদন করার জন্য আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। তবে আইন বিভাগের কাজের পরিধি ব্যাপক। এটি শুধু আইন প্রণয়নই করে না, নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণও করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙেযায়। মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, অনাস্থা প্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, সংসদীয় বিভিন্ন কমিটি ও সংসদে সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট, আইন বিভাগের সাথে নির্বাহী বিভাগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। আইন বিভাগ তথা জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে।
যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল।
রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড বলা হয়।
রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রশাসনের। রাষ্ট্রের ভিতরে শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সুষ্ঠু প্রশাসনের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রশাসন রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!