১৯৯২ সালে শক্তি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রাকৃতিক কারণে বছরের কোনো বিশেষ বিশেষ সময়ে কর্মহীন থাকাকে মৌসুমি বেকারত্ব বলা হয়।
ফসল বপন ও কর্তনের সময় ব্যতীত অন্যান্য সময়ে গ্রামীণ শ্রমিকের কোনো কাজ থাকে না। অর্থাৎ, বছরের যে সময় কৃষি শ্রমিক বা গ্রামীণ শ্রমিক কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় সে সময়ের জন্য ঐ শ্রমিককে মৌসুমি বেকার বলে।
নাউদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রটি হচ্ছে উন্নত অর্থনীতির দেশ।
উন্নত দেশ বলতে সেসব দেশকে বুঝায় যেসব দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয় এবং জীবনযাত্রার মানও যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়। উন্নত দেশ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত প্রযুক্তিবিদ্যার সফল প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের যাবতীয় সম্পদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। উন্নত দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো খুবই উন্নত এবং শিল্প ও কলকারখানা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এসব দেশে জাতীয় আয়ের সিংহভাগ আসে শিল্প থেকে। উন্নত দেশগুলোতে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথে পরিবহণ এবং যোগাযোগের মাধ্যমসমূহ অনেক উন্নত। ফলে জনগণের জীবনযাত্রা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সুবিধা বাড়ে।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় 'ক' রাষ্ট্রে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার ও উন্নতমানের অবকাঠামো বিদ্যমান। এ ধরনের বৈশিষ্ট্য উন্নত দেশের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্য। সুতরাং যে সমস্ত উপাদান অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহায়ক তা সবই 'ক' দেশে বিদ্যমান। প্রতিটি উন্নত দেশের কতকগুলো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। সেগুলো 'ক' দেশকে উন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
খ' নামক উন্নয়নশীল দেশটিকে 'ক' দেশের অর্থাৎ একটি উন্নত দেশের সমপর্যায়ে উন্নীত করতে হলে অব্যাহত অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রয়োজন।
একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখলে এক সময়ে তার অর্থনীতি গতিশীল হবে। তখন সেখানে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদন ক্রমাগত বাড়বে এবং দেশটি উন্নত দেশের সমপর্যায়ে উপনীত হবে। সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলো অধিক মাত্রায় কৃষির ওপর নির্ভরশীর থাকে। তাই উন্নয়নশীল দেশকে উন্নত দেশের সমপর্যায়ে নিতে শিল্পের ওপর অধিক নির্ভর করার প্রয়াস চালাতে হবে।
দেশে জনসংখ্যার প্রায় সম্পূর্ণ অংশই শিক্ষিত এবং এখানে উৎপাদনের - বিভিন্ন ক্ষেত্রে কারিগরি জ্ঞানের ব্যাপক প্রসার ঘটে। তাই 'খ' দেশটিতে ■ সাধারণ শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ও কারিগরি জ্ঞানদানের জন্য বিভিন্ন - কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। উন্নত দেশসমূহ অধিক উৎপাদনশীল হয় বলে উন্নয়নশীল দেশে অর্থনীতির সকল খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ র নিতে হবে। দেশটিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাসের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। কেননা, বেকার সমস্যা একটি দেশের ব উন্নতির বড় প্রতিবন্ধক।
এসব ছাড়াও 'খ' দেশটিকে 'ক দেশের পর্যায়ে উন্নীত করার জন্য পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি দূরীকরণ, মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এভাবে অব্যাহতভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে 'খ' দেশটিকে 'ক' দেশটির পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
Related Question
View Allকোনো দেশের শ্রমশক্তিকে সে দেশের মানবসম্পদ বলে।
দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একটি অনুন্নত দেশের অনুন্নয়নের জন্য দায়ী কারণগুলো চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে। অনুন্নত দেশে উৎপাদন কম হয় বলে জনগণের মাথাপিছু আয় কম। ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা তথা চাহিদা কমে যায়। এতে বিনিয়োগ প্রবণতা হ্রাস পায়, যার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন গঠন সম্ভব হয় না। এরূপ মূলধন স্বল্পতার কারণে উৎপাদনও কম হয়। এভাবে এ কারণগুলো পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হতে থাকে, যা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র নামে পরিচিত। এটি একটি দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করে।
উদ্দীপকে প্রদত্ত লেখচিত্রে মাথাপিছু আয়ের ক্রমবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, যা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
যেসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নের পথে ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছে এবং কিছু মাত্রায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে সেসব দেশই সাধারণভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে পরিচিত। এসব দেশে উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা ও জাতীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের জন্য আর্থ-সামাজিক ভিত্তি রচনা করা হয়। এসব দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও তার সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে জনসাধারণের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অব্যাহত প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।
ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রে লক্ষ করা যায়, ২০০৬-০৭ থেকে ২০০৭- ০৮ অর্থবছরে জনগণের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৫৫০ থেকে ৬৫০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একইভাবে ২০০৮-০৯ ও ২০১১-১২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে যথাক্রমে ৭০০ ডলার ও ৯০০ ডলার হয়েছে। যা উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, লেখচিত্রে উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রটি বাংলাদেশের তথা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এ ধরনের অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য কৃষি সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।
উন্নয়নশীল দেশে জিডিপির প্রধান খাত হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। তবে এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নশীল হলেও এখনও কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এখনো এদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই বলা যায়, এদেশের প্রধান নিয়ামক শক্তি হলো কৃষি।
কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশের জিডিপিতে কৃষি খাত (শস্য, বন, প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য) এর অবদান ১৩.৬০ শতাংশ। আবার বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের যোগান দিয়ে থাকে কৃষি খাত। বর্তমানে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাছাড়া উৎপাদকগণ কৃষির গুরুত্ব অনুভব করে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখাতে অধিক উৎপাদনে মনোনিবেশ করছে। ফলে দেশটিতে ক্রমে উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে
তাই, আমি মনে করি, উদ্দীপকে পরিলক্ষিত ক্রমোন্নতির সবচেয়ে বড় নিয়ামক হলো কৃষি।
একজন কর্মক্ষম শ্রমিক প্রচলিত মজুরিতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েও কাজ না পাওয়ার পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে।
অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু করেছে।
১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলায় মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হয়। তখন সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ শ্রমিকদের মজুরি নগদ অর্থে না দিয়ে খাদ্যশস্যের মাধ্যমে পরিশোধ করা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!