খন্দকের যুদ্ধে বিশাল কুরাইশ বাহিনীকে মোকাবেলার জন্য রাসুল (স) বিশিষ্ট সাহাবিদের নিয়ে পরামর্শ সভার আহ্বান করেন। উক্ত সভায় সালমান ফারসি (রা) কোরাইশদের মোকাবেলার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের চারপাশে পরিখা খননের পরামর্শ দেন। এতে সব সাহাবি ঐকমত্য প্রকাশ করলে রাসুল (স) কর্তৃক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

'আল আজমুন' শব্দের অর্থ: দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে সত্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে সে শয়তানের সমতুল্য। রাসুল (স) আলোচ্য হাদিসটি দ্বারা মুমিনের বৈশিষ্ট্যকে শয়তানের বৈশিষ্ট্য থেকে আলাদা করেছেন। এ হাদিসটি থেকে বোঝা যায় যে, মুমিন ব্যক্তি কখনো ভয়ের জন্য সত্য প্রকাশে বিরত থাকতে পারে না। বরং সম্মতির নিদর্শন হিসেবেই তারা চুপ থাকবেন। তাকে ভয় দেখানো হলেও ইমানি শক্তি বলে সত্য প্রকাশ করবে। কারণ, ভয়ের কারণে ইমানদারগণ সত্য প্রকাশে নীরব থাকবে না। এটাই হাদিসটির মূল শিক্ষা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে রাসুল (স) ইসলামি শরিয়তের ইজমার বিধান সম্পর্কে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে রাসুল (স) অনেক সময় সাহাবিদের পরামর্শ নিয়েছেন। এ ধরনের পরামর্শ থেকে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ইজমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। উদ্দীপকের ঘটনাটি এমনই একটি উদাহরণ।

উদ্দীপকে দেখা যায়, খন্দকের যুদ্ধের পরিকল্পনা ঠিক করতে গিয়ে রাসুল (স) সাহাবিদের পরামর্শ নিয়েছেন। তাঁদের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই পরিখা খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একইভাবে ইজমাভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সাহাবি অথবা আলিমগণের ঐকমত্যের ভিত্তিতে। তাই উদ্দীপকের সিদ্ধান্তটি ইজমার সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ। উক্ত ঘটনাটিতে রাসুল (স) ইচ্ছা করলে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি সম্মিলিত সাহাবিদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী যুগের মানুষের জন্য ইজমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন; যেন এ থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী যুগে মুমিনরা সঠিক পথে চলতে পারে। সুতরাং রাসুল (স) উদ্দীপকের ঘটনাটি ইজমা শিক্ষাকেই তুলে ধরেছে, যা ইসলামি শরিয়তের তৃতীয় উৎস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রাসুল (স)-এর ইন্তেকালের পরে উদ্দীপকে নির্দেশিত উৎস তথা ইজমার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। নবোদ্ভাবিত কোনো সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইজমার প্রয়োজন হয়। এ ধরনের সমস্যা যখন রাসুল (স)-এর যুগে দেখা দিত তখন কুরআন অথবা হাদিসের আলোকে তার সমাধান দেওয়া হতো। তাছাড়া রাসুলের যেকোনো সিদ্ধান্ত সবাই নির্দ্বিধায় মেনে নিত। তবে রাসুল (স) কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইজমার শিক্ষা দেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে সাহাবিদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নিত। উদ্দীপকে এমনটিই লক্ষণীয়।

খন্দকের যুদ্ধে শত্রুবাহিনীকে মোকাবিলা করতে রাসুল (স) সাহাবিদের নিয়ে পরামর্শ সভার আহ্বান করেন। সভার পরামর্শের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন। তিনি পরামর্শ না করলেও পারতেন। কেননা তখন কুরআন নাজিল অব্যাহত ছিল। উদ্দীপকে দেখা যায়, মূল সিদ্ধান্তটি রাসুল (স) নিজেই নিয়েছিলেন। কিন্তু রসুল (স)-এর ইন্তেকালের পর তাঁর মতো ওহির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা আর কারো ছিল না। এ সময় ইজমার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে। এভাবে সময় অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে আরও বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হতে থাকে, যা ইজমার প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি করে। রাসুল (স) জানতেন তার ইন্তেকালের পর ইজমার প্রয়োজন হবে সে জন্যই তিনি উদ্দীপকের দৃষ্টান্তটির মতো কিছু দৃষ্টান্ত মুসলমানদের জন্য রেখে গেছেন।

উপরের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বলা যায়, উদ্দীপকে ইজমার দৃষ্টান্ত দেখানো হলেও তা রাসুল (স)-এর যুগে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। তার ওফাতের (মৃত্যু) পরেই এটি অধিক গুরুত্ব লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
186
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

 'নিফাক' অর্থ- কপটতা, ভণ্ডামি ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
297
উত্তরঃ

'হুরুফে মুকাত্তায়াত' বলতে কুরআনে সংযোজিত বিচ্ছিন্ন বর্ণসমূহকে বোঝায়। কুরআন মাজিদের মোট ২৯টি সুরার শুরুতে হুরুফে মুকাত্তায়াত রয়েছে। প্রত্যেক গ্রন্থেই কিছু গোপন বিষয় থাকে, আর আল- কুরআনের গোপন বিষয় হলো হরফে মুকাত্তায়াত। তাফসিরকারগণের মতে যেসব বর্ণের প্রকৃত অর্থ ও যথার্থ মর্ম আল্লাহ ছাড়া আর কেউ অবহিত নয় তাকেই 'হুরুফে মুকাত্তায়াত' বলে। যেমন- এর অর্থ আল্লাহ ছাড়া আর কেউ অবগত নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.7k
উত্তরঃ

মিথ্যাচার করা মুনাফিকের স্বভাব। মুনাফিক বলতে তাদেরকে বোঝায়, যারা মৌখিকভাবে ইমানের ঘোষণা দেয়, নামাজ, রোজাও পালন করে, কিন্তু অন্তরে কুফরি পোষণ করে। এদের মুখের ভাষা এক রকম কিন্তু অন্তর অন্যরকম। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ এ দেখা যায় রাইয়্যান এ স্বভাবের অধিকারী।

উদ্দীপকের রাইয়্যান মিথ্যাচারের মাধ্যমে মুনাফিকি করে। সুরা আল বাকারায় দ্বিতীয় রুকুতে আল্লাহ তায়ালা মুনাফিকদের করুণ পরিণতির কথা তুলে ধরেছেন। মুনাফিকরা ইমান আনার কথা বলে আল্লাহ ও মুমিনদের ঠকাতে চায়। কিন্তু তাদের এ কাজের কারণে নিজেরাই ঠকে। তাদের এরূপ কাজের কারণে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রকৃতপক্ষেই মুনাফিকদের অন্তরে থাকে নিফাক, কুফর, শিরকের ব্যাধি। তাদের এসব স্বভাবের কারণে পাপপ্রবণতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত থেকে বঞ্চিত হয়। তারা পৃথিবীতে অসম্মান ও অবিশ্বাসের পাত্রে পরিণত হয়। তাছাড়া পরকালীন জীবনেও তাদের কল্পনাতীত শাস্তি পেতে হবে। হাদিসেও নবি (স) মুনাফিকদের শাস্তির কথা বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া মুনাফিকদের তিনটি গুণের মধ্যে মিথ্যাচার একটি। মিথ্যাচারকে মহানবি (স) সব পাপের মূল হিসেবে অবহিত করেছেন।

ওপরের আলোচনার আলোকে বলতে পারি, রাইয়্যান মিথ্যাচার করার মাধ্যমে মুনাফিকির স্বভাব পোষণ করছে। যার জন্য পরকালে তাকে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
253
উত্তরঃ

উম্মাহর ঐকমত্যের জন্য বর্তমানে ইজমার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। ইজমা হচ্ছে সমকালীন বিজ্ঞ আলেমদের কোনো বিষয়ের ওপর ঐকমত্য। ধর্মীয় বা পার্থিব যেকোনো বিষয়ের বিধান উদ্ভাবন, প্রবর্তন বা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যেকোনো যুগের মুসলিম মুজতাহিদ আলেমদের ঐকমত্যের মাধ্যমেই ইজমা হয়ে থাকে।

উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২ এ রফিক ইসলামিক স্টাডিজ নিয়ে অধ্যয়ন করার কারণে ইজমার ব্যাপারে জানতে পারে। সে মুসলিম উম্মাহর ঐকমত্যের জন্য উদগ্রীব। বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন বৈপরীত্য মাসয়ালার সুন্দর সমাধানে ইজমার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ইসলামি আইনের উৎসসমূহের মধ্যে কুরআন ও হাদিসের পরেই এর অবস্থান হওয়াতে এর দ্বারা শরিয়তের বিভিন্ন মাসয়ালা প্রণয়নে এর প্রয়োজন পড়ে। কুরআন ও হাদিসে যে পরিমাণ সমস্যার সমাধান পেশ করা হয়েছে তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অনেকগুণ বেশি বিষয়ে কোনো সমাধান দেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধান প্রবর্তন করতে ইজমার বিকল্প নেই। নবোদ্ভাবিত সব সমস্যার সমাধানে ইজমা অনিবার্য। তাছাড়া মহানবি (স) বলেছেন- 'আমার উম্মত বিভ্রান্তির ওপর এক হবে না।' রাসুল (স) এর এ বাণীর মধ্যেই ইজমার গুরুত্ব বিদ্যমান। কেননা রাসুল (স) নিজেই ইজমার প্রতি ইঙ্গিত করে আলেমদের ঐকমত্যে পৌঁছানোর উপদেশ দিয়েছেন।

ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে পারি, বর্তমান বিশ্বে নতুন নতুন যেসব ধর্মীয় বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে তা ইজমার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
464
উত্তরঃ

 রুখসাত অর্থ অবকাশ, ঐচ্ছিক বা হালকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
552
উত্তরঃ

 যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরাই ইজমা করতে পারবে। ইজমা সম্পাদনে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের 'আহলুল ইজমা' বলা হয়। রাসুল (স)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবিরা ছিলেন ইজমার আহল। কেননা রাসুলের পর তারাই ছিলেন ইসলামি শরিয়ত সম্পর্কে অভিজ্ঞ, রাসুল (স)-এর পছন্দনীয় এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। সাহাবিদের যুগের পরে অভিজ্ঞ আলিমগণ ইজমা প্রদান করতে পারবেন। এভাবে শরিয়ত সম্পর্কে অভিজ্ঞ এবং সর্বজন গ্রহণযোগ্য মানুষ, যারা ইজমা প্রদান করলে তা শরিয়তের বিধানে পরিণত হবে সে ধরনের ব্যক্তি বা মানুষদের আহলুল ইজমা বা ইজমার আহল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
612
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews