আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে শরীরে অভ্যন্তরীণ টিস্যুর ক্ষতি শনাক্ত করা যায়।
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে শুধু রোগ নির্ণয় নয় এর সাহায্যে রোগ নিরাময়ও করা যায়। "Co একটি গামা-রে বিকিরণকারী আইসোটোপ। এই আইসোটোপ ব্যবহার করে গামা-রে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 1311 (আয়োডিন) কে থাইরয়েড চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় এবং এছাড়াও লিউকেমিয়া নামক রক্তের ক্যান্সারের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ "P যুক্ত ফসফেট ব্যবহার করা হয়।
খলিল সাহেব কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাই তার চিকিৎসা পদ্ধতিটি হলো কেমোথেরাপি।
কেমোথেরাপি হলো এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় একটি বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। ক্যান্সার শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নিদিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার ওপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা যায়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে। যেমন- প্রতিদিনে ১ বার, সপ্তাহে ১ বার বা মাসে ১ বার প্রভৃতি। সাধারণত এভাবে প্রায় ৬ বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়।
ছকের B হলো কেমোথেরাপি। কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিচে দেওয়া হলো-
চুল পড়ে যাওয়া;
iⅱ হাতের তালু, পায়ের তালু প্রভৃতি অফোর চামড়া পুড়ে যাওয়া;
iii. হজমে সমস্যা হওয়া এবং এর কারণে ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, বমি প্রভৃতি সমস্যা হওয়া;
TY লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেতকণিকা ও অণুচক্রিকা উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হওয়া;
কেমোথেরাপির ঝুঁকি এড়াতে নিম্নলিখিত কৌশলগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন-
শরীরের তাপমাত্রার দিকে লক্ষ রাখতে হবে;
ii. তরল বা নরম খাবার খেতে হবে;
iii. কেমোথেরাপি গ্রহণকারী রোগীর বর্জ্য, যেমন মলমূত্র, বমি ইত্যাদি। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
iv. বর্জ্য পরিষ্কার করার সময় খালি হাত ব্যবহার না করে গ্লাভস বা কমপক্ষে প্লাস্টিকের ব্যাগে হাত ভালোভাবে মুড়িয়ে পরিষ্কার করা।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!