বায়ুর উপাদানগুলোর ভারসাম্যহীনতাই বায়ুদূষণ।
যোগাযোগ ব্যবস্থা যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থনীততে কার্যকরী অবদান রাখে। দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে কাঁচামাল ও লোকজনের নিয়মিত চলাচল, উৎপাদিত দ্রব্যের সুষ্ঠু বাজারজাতকরণ, উৎপাদনের উপকরণসমূহের গতিশীলতা বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা আনয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রভাবিত করে বাণিজ্যকে। এ কারণে যোগাযোগের উপর দেশের উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভরশীল।
মামুন নিজের উন্নয়নের নামে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করছে। জমিতে বেশি করে সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করায় তা মাটি ও পানি দূষণ করছে। পানি দূষণের ফলে জলজ বাস্তুসংস্থান নষ্ট হওয়ায় অনেক জলজ প্রাণী ও মাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙে যাচ্ছে। মাটি দূষণের ফলে মাটিতে যেসব অণুজীব, ক্ষুদ্রজীব বাস করে তা বাধাগ্রস্ত হয়। দূষিত মাটিতে উদ্ভিদ জন্মাতে পারে না, ভূমির মরুকরণ হয়। এছাড়াও অধিক পরিমাণে গাছপালা কাটার ফলে বনভূমি উজাড় হচ্ছে। পরিবেশে গাছপালা কমে যাওয়ায় বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে।
সুতরাং বলা যায়, মামুনের কাজগুলো উন্নয়নমূলক হলেও বাস্তবিক অর্থে এগুলো পরিবেশের দূষণ ঘটাচ্ছে।
পরিবেশের প্রধান উপাদান হচ্ছে জমি বা ভূমি, পানি, বায়ু এবং বনজ সম্পদ। বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফলে পরিবেশের এসব উপদান দূষিত হচ্ছে।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মাটি দূষণের ফলে মাটিতে যেসব অণুজীব, ক্ষুদ্রজীব বাস করে তা বাধাগ্রস্ত হয়। বন্য ক্ষুদ্রপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হয়। দূষিত মাটিতে উদ্ভিদ জন্মাতে পারে না। পানি দূষণের ফলে জলজ ক্ষুদ্র উদ্ভিদ, প্ল্যাংকটন, কচুরিপানা, শেওলা জন্মাতে পারে না এবং বায়ু দূষণের ফলে বায়ুতে CO₂ ও CFC গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। পরোক্ষ ফল হিসেবে বৃষ্টিপাত কমে যায় এবং অনেক স্থান উদ্ভিদহীন হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকের মামুনের কাজগুলো মাটি, পানি, বায়ু দূষণের কারণ। ফলে তা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!