খুলনা বালিয়াঘাটা অঞ্চলের মাটি খুবই উর্বর। কিন্তু প্রতিবছর বন্যা হওয়ায় পশুর নদীর পানি ঢুকে এ অঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ সমস্যা দূর করার জন্য এলাকাবাসী স্থানীয় ভাইস চেয়ারম্যান এর বাসায় একত্রিত হয়। চেয়ারম্যান সাহেব তখন এলাকাবাসীকে বললেন, প্রাচীনকালেও কোনো এক সভ্যতার মানুষেরা এ জাতীয় সমস্যার মোকাবিলা করেছিল। ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে, যা স্থানীয় সংস্কৃতি ও স্থাপত্য কলার বিকাশে ভূমিকা রাখে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

নীল নদকে কেন্দ্র করে মিসরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

মরুজীবনের প্রধান সহায়ক বাহন হওয়ায় উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়।

আরবের অধিকাংশ অঞ্চলই মরুময়। আর উত্তপ্ত মরু অঞ্চলে উটই চলাচলের একমাত্র উপযোগী প্রাণী। তাই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় মরুময় আরবে এটি সর্বাধিক গৃহপালিত প্রাণী। মরুবাসীরা খাদ্য ও পানীয় সংগ্রহ, যোগাযোগ এবং ক্রয়-বিক্রয়ের প্রধান বাহন হিসেবে উটকে ব্যবহার করে। তাই একে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার মিল পাওয়া যায়। প্রাচীন সভ্যতার ভিত্তি ভূমি হিসেবে বিবেচিত মিসরের অবস্থান আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে। আজ থেকে ৭০০০ বছর আগে যখন পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুতে নানা পরিবর্তনের ফলে দিনের পর দিন বৃষ্টি পড়ত, মিসরের নীলনদের পানি উপচে দুকূল ছাপিয়ে নবোপলীয় মানুষের কৃষি উৎপাদনসহ সকল সহায়-সম্বল ভাসিয়ে নিয়ে নিঃস্ব করে দিত, তখন মিসরীয়রা প্রতি বছরের এ বন্যাকে রোধ করার জন্য বাঁধ দেওয়ার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিল। উক্ত সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে প্রাচীন মিসরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, কৃষি উপকরণ, সেচব্যবস্থা প্রভৃতির বিকাশের সাথে সাথে নগরের বিকাশ ঘটতে থাকে যা মিসরকে সভ্যতার পটভূমিতে পরিণত করে।
উদ্দীপকের বালিয়াঘাটা এলাকার লোকজন মিসরীয়দের মতোই সমস্যা কবলিত। তারাও নদীর বন্যার কারণে ক্ষতির শিকার। এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালালে বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব এবং তারাও মিসরীয়দের মতো বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার মিল পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীন সভ্যতা বিকাশে নদীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে- উদ্দীপক এবং প্রাচীন সভ্যতাগুলো বিকাশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা এর প্রমাণ পাই।

আমরা জানি যেকোনো সভ্যতার উদ্ভব ও বিকাশে যোগাযোগব্যবস্থা অত্যন্ত পুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রাচীনকালে জলপথ ছাড়া যাতায়াতের কোনো মাধ্যম ছিল না। বিকল্প যাতায়াত মাধ্যম না থাকায় মানুষ জীবিকার জন্য জলপথের ওপর নির্ভর করত। এছাড়া নদীতে মৎস্যচাষ, নদীর অববাহিকার প্লাবিত হয়ে মাটিতে ভরে যাওয়ার ফলে ফসল উৎপাদন এবং শিল্প কারখানার কাজে ব্যবহার করার জন্য মানুষ নদীর তীরকেই সভ্যতা নির্মাণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচনা করত।
মিসরের দিকে তাকালে দেখা যায়, এখানকার মানুষ নীল নদের উভয় তীরে বাঁধ নির্মাণ করে নদীকে শাসন করে। ফলে এখানে যাতায়াত, মৎস্যচাষ, পশুপালন, ফসলাদি উৎপাদন, এবং জনপদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। ফলে এখানে এক উন্নত সভ্যতা গড়ে ওঠে। আবার রোমান সভ্যতা বিকাশের ক্ষেত্রে আমরা টাইবার নদীর অবদান দেখতে পাই। এছাড়া মিসরীয় সভ্যতার সমসাময়িককালে ইরাক অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার উন্মেষ ঘটে। এগুলোকে একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা বলে। এই মেসোপটেমীয় সভ্যতায় ফোরাত এবং দজলা নদীর প্রভাব লক্ষণীয়। নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ফলে এসব সভ্যতার শিক্ষা-সংস্কৃতি, শিল্প, স্থাপত্যকলা উন্নত পর্যায়ে স্থান লাভ করে। ফলে এসব সভ্যতা দ্রুতগতিতে বিকশিত হয়। উদ্দীপকেও খুলনার বালিয়াঘাটা ও এর পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে পশুর নামক একটি নদী গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
সরকার এ নদীতে বাঁধ নির্মাণ করার ফলে এর তীরবর্তী এলাকা বন্যামুক্ত হয়েছে এবং পরিকল্পিত সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।
উপর্যুক্ত আলোচনা সাপেক্ষে বলা যায় যে, মানব সভ্যতা বিভিন্ন নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয়। তাই সভ্যতার বিকাশে নদীর অবদান অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
18
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পেপিরাস হলো নীল নদের তীরে জন্ম নেওয়া নলখাগড়া জাতীয় এক ধরনের ঘাস বা উদ্ভিদ, যা দিয়ে মিসরীয়রা কাগজ আবিষ্কার করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
107
উত্তরঃ

মিসরীয়রা চিত্রলিপিভিত্তিক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে সভ্যতার বিকাশে বিশেষ অবদান রেখেছে।
মিসরীয়দের লিখন পদ্ধতি 'হায়ারোগ্লিফিক' (Hieroglyphic) নামে পরিচিত। হায়ারোগ্লিফিক অর্থ পবিত্র লিপি। এটি ছিল একটি লিখিত ভাষা। এ ভাষায় নানাপ্রকার দ্রব্য, প্রাকৃতিক বিষয় প্রভৃতির ছবি আঁকা থাকত, যার মাধ্যমে জিনিসগুলোর পরিচয় ও নাম জানা সম্ভব হতো। হায়ারোগ্লিফিক শিলালিপি প্রথমে তৈজসপত্র, ফলক এবং কবরের গায়ে খোদাই করা হতো। পরে মিসরে কাগজ আবিষ্কৃত হলে এতে এ লিপি উৎকীর্ণ করা হয়। এ লিখন পদ্ধতি তিনটি রূপে বিকাশ লাভ করেছে।
যথা: চিত্রভিত্তিক, অক্ষরভিত্তিক এবং বর্ণভিত্তিক। প্রায় ৭৫০টি চিত্রলিপির চিহ্ন দিয়ে প্রাচীন মিসরীয় লিপি পদ্ধতি তৈরি হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
87
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকের হোয়াংহো নদীর মতোই নীল নদ মিসরীয় সভ্যতার কৃষির অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছিল।

প্রাচীন সভ্যতাসমূহের মধ্যে মিসরীয় সভ্যতা অন্যতম। মিসরকে নীল নদের দান হিসেবে অভিহিত করা হয়। কেননা মিসরীয় সভ্যতার বিকাশে নীল নদই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল। মিসরের ক্ষেত্রে নীল নদের এ অবদানই চীনের হোয়াংহো নদীর ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।
হোয়াংহোকে চীনের দুঃখ বলা হলেও চীনা সভ্যতার বিকাশে এ নদী বিশাল ভূমিকা পালন করেছে। নদীর অববাহিকায় কৃষিকাজ ও প্রয়োজনীয় সেচের ব্যবস্থা, ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও হোয়াংহো নদী অবদান রেখেছে। মিসরীয় সভ্যতার ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষ করা যায়। এ সভ্যতার বিকাশে নীল নদের ভূমিকা অতুলনীয়। মিসরীয় সভ্যতার সূচনাকারী জনগণ পানির প্রাপ্যতা, কৃষি উৎপাদন, মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ, পশু পালনের জন্য তৃণভূমির সহজলভ্যতা ইত্যাদি বিষয় চিন্তা করে নীল নদের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহে বসতি স্থাপন করেছিল। আর এ ক্ষেত্রে তারা বেশ উপকৃতও হয়েছিল। ঘর-গৃহস্থালির কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য এমনকি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই নীল নদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মরুভূমিতে পরিণত হওয়া মিসর নীল নদের দানের ফলেই শস্য-শ্যামল ও সমৃদ্ধিশালী দেশে পরিণত হয়েছে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত চীনা সভ্যতায় হোয়াংহো নদীর ভূমিকা মিসরীয় সভ্যতার ক্ষেত্রে নীল নদের অবদানেরই ইঙ্গিত বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
215
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সম্রাটের কফিন যেমন পাথরের দেয়াল দ্বারা সুরক্ষিত করা হয়েছে, তেমনি মিসরীয় সভ্যতায় ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ মমি করে সংরক্ষণ করা হতো।

মিসরীয়রা মৃত্যুর পরের জীবনে বিশ্বাস করত। আর তাদের এ ধর্ম বিশ্বাসের ছাপ পড়েছিল স্থাপত্যিক নিদর্শনে। তারা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিল। পিরামিড ছিল তাদের স্থাপত্য শিল্পের অসাধারণ সৃষ্টি। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই তারা নির্মাণ করেছিল প্রকাণ্ড সৌধের এ পিরামিডগুলো। আর এ ধরনের বিশ্বাস থেকে নির্মিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথাই উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে।
উদ্দীপকে সম্রাটের কফিন সুরক্ষিত রাখতে পাথরের নির্মিত সশস্ত্র সৈন্যের পাহারা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একইভাবে মিসরীয়রা তাদের ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য পিরামিড নির্মাণ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত ফারাওদের মৃত্যুর পর তাদের আত্মা স্বর্গে চলে যায় এবং সেখানে দেবতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। কিন্তু মৃত ফারাওদের শরীর পচে গেলে এক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এজন্য তারা মৃতদেহ প্রক্রিয়াজাত করে তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করত। এ মৃতদেহগুলোকে যেখানে কবর দেওয়া হতো, সেসব স্থান আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হতো। এসব কবরে দেওয়া হতো সিন্দুকভর্তি অমূল্য গহনা, ধাতব তৈজসপত্র, মুদ্রা, দামি কাপড় প্রভৃতি। মৃত ফারাওদের দেহ ও মূল্যবান সামগ্রীর নিরাপত্তার জন্য মিসরীয়রা বড় বড় পাথরখণ্ড কেটে পিরামিড নির্মাণ করত। এগুলো ছিল জ্যামিতিক ত্রিভুজের আকৃতিতে তৈরি অতি উঁচু এক একটি সমাধিসৌধ।
পরিশেষে বলা যায়, ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই উদ্দীপকে বর্ণিত সম্রাটদের কফিন এবং মিসরীয় ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হতো। তাদের উভয়ের ক্ষেত্রেই পাথরের দেয়াল দ্বারা মৃতদেহ সংরক্ষণের পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
114
উত্তরঃ

মালা হলো প্রাক-ইসলামি আরবের একটি রাজনৈতিক সংগঠন বা মন্ত্রণাসভা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
194
উত্তরঃ

আরবের উকাজ মেলায় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাতটি কবিতাকে সাবায়ে মুয়াল্লাকাত বা 'সপ্ত ঝুলন্ত' কবিতা বলা হতো।
মক্কার নিকটবর্তী উকাজের বার্ষিক মেলায় আরবের প্রখ্যাত কবিগণ কবিতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতেন। উকাজের বাৎসরিক সাহিত্য সম্মেলনে সাতটি কবিতাকে পুরস্কৃত করা হতো। সোনালি হরফে লিপিবদ্ধ করে এ কবিতাগুলো মক্কায় কাবার দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা হতো। এ কবিতাগুলোর বিষয়বস্তু ছিল প্রেম, যুদ্ধবিগ্রহ, বীরত্বপূর্ণ কাহিনি, বংশ গৌরব, আরব . সমাজের আতিথেয়তা, স্বাধীনচেতা মনোভাব ইত্যাদি। এ কবিতাগুলোই সপ্ত ঝুলন্ত কবিতা বা সাবায়ে মুয়াল্লাকাত নামে পরিচিত ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
268
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews