উত্তরঃ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জলবায়ু পরিবর্তন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। এর ভৌগোলিক অবস্থান, নিচু ব-দ্বীপ অঞ্চল এবং ঘনবসতি এটিকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল করে তুলেছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘন ঘন বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও খরা বাংলাদেশের অস্তিত্ব এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য মারাত্মক হুমকি।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষি উৎপাদন হ্রাস, খাবার ও সুপেয় পানির সংকট, মানুষের বাস্তুচ্যুতি, জীবিকার ক্ষতি এবং স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব কারণে দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা বৃদ্ধির ফলে সামাজিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে, যা জাতীয় স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগের বিষয়।

এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন ও প্রশমন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ক্ষতিপূরণ (Loss and Damage) আদায়ে জোর দেওয়া হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম, যেমন COP সম্মেলন ও জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি তুলে ধরে এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা ও সংহতি কামনা করে।

Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের মতো বিস্তৃত বিষয়াবলীতে নীতি নির্ধারণী ও পরামর্শমূলক ক্ষমতা রাখে, যেখানে নিরাপত্তা পরিষদ বিশেষভাবে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যকর করার ক্ষমতা রাখে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (General Assembly) এবং নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council) উভয়ই জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ হলেও তাদের ভূমিকা, ক্ষমতা এবং কার্যকারিতার ক্ষেত্রে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে:

        
  • সদস্যপদ ও প্রতিনিধিত্ব: সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের সকল ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত এবং প্রতিটি দেশের একটি ভোট রয়েছে। এটি জাতিসংঘের প্রধান প্রতিনিধিত্বমূলক অঙ্গ। অন্যদিকে, নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে, যার মধ্যে চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এই ৫টি স্থায়ী সদস্য। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
  •     
  • ক্ষমতা ও কার্যাবলী: সাধারণ পরিষদ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, নিরস্ত্রীকরণ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করে এবং সুপারিশ বা প্রস্তাব (resolution) গ্রহণ করে। এই প্রস্তাবগুলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য আইনত বাধ্যতামূলক নয়, বরং পরামর্শমূলক। উদাহরণস্বরূপ, ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার সংক্রান্ত গৃহীত প্রস্তাব। অন্যদিকে, নিরাপত্তা পরিষদ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার মূল দায়িত্বে নিয়োজিত। এর গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের জন্য আইনত বাধ্যতামূলক। নিরাপত্তা পরিষদ শান্তি রক্ষা মিশন মোতায়েন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপের অনুমোদনও দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শান্তি রক্ষা মিশন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত।
  •     
  • সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি: সাধারণ পরিষদে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য রাষ্ট্রের এবং অন্যান্য বিষয়ে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদে, যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে কমপক্ষে ৯টি ইতিবাচক ভোট প্রয়োজন, যার মধ্যে স্থায়ী ৫টি সদস্য রাষ্ট্রের ভেটো না থাকা আবশ্যক। স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে।

সংক্ষেপে, সাধারণ পরিষদ একটি বিশ্ব ফোরাম যেখানে সকল সদস্য রাষ্ট্র সমানভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং নীতি নির্ধারণী কাঠামো তৈরি করতে পারে, আর নিরাপত্তা পরিষদ হলো একটি কার্যকর সংস্থা যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট, বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ নিতে পারে।

Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) থেকে ঋণ গ্রহণ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বহুমুখী প্রভাব ফেলে, যা একদিকে সাময়িক স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করে, অন্যদিকে সুদূরপ্রসারী সংস্কার এবং কখনও কখনও চ্যালেঞ্জও তৈরি করে।

প্রাথমিকভাবে, IMF ঋণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করে, যা আমদানি বিল পরিশোধ এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক। এটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ায় এবং সরকারকে অর্থনৈতিক নীতি সংস্কারে (যেমন রাজস্ব নীতি, আর্থিক খাত সংস্কার) সহায়তা করে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করতে পারে।

তবে, IMF ঋণের সাথে কঠোর শর্তাবলী (conditionalities) যুক্ত থাকে, যেমন ভর্তুকি কমানো, কর বৃদ্ধি, এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক আর্থিক নীতি অবলম্বন। এসব পদক্ষেপ স্বল্প মেয়াদে সাধারণ জনগণের ওপর চাপ বাড়াতে পারে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি সাময়িকভাবে হ্রাস করতে পারে। এছাড়া, ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ এবং বৈদেশিক মুদ্রার উপর নির্ভরতাও অর্থনীতির জন্য একটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals - SDG) হলো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ কর্তৃক গৃহীত এমন কতগুলো আন্তঃসংযুক্ত বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা যা দারিদ্র্য বিমোচন, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সকলের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক "Transforming our World: the 2030 Agenda for Sustainable Development" শীর্ষক প্রস্তাবনার মাধ্যমে ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা গৃহীত হয়। এই লক্ষ্যগুলো সার্বজনীন এবং সকল দেশের জন্য প্রযোজ্য, যা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের তিনটি মাত্রাকে সমন্বিত করে।


জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ মোট ১৭টি। এগুলোর মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত লক্ষ্যটি হলো ১ নং লক্ষ্য, যার মূল উদ্দেশ্য হলো "সকল প্রকার দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো" (No Poverty)

দারিদ্র্য বিমোচন (লক্ষ্য ১) এর প্রধান দিকগুলো নিম্নরূপ:

        
  • ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের (যাদের দৈনিক আয় ১.৯০ ডলারের কম) সকল মানুষের সংখ্যা নির্মূল করা, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের প্রধান মাপকাঠি।
  •     
  • জাতীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী সকল মাত্রা ও রূপে দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী নারী-পুরুষ ও শিশুদের সংখ্যা অন্তত অর্ধেকে নামিয়ে আনা।
  •     
  • দারিদ্র্য নিরসনের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং মৌলিক সেবাসমূহে সকলের সমান অধিকার ও প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নিরাপদ পানীয় জল এবং স্যানিটেশন অন্তর্ভুক্ত।
  •     
  • দারিদ্র্যপীড়িত ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করা এবং জলবায়ু-সম্পর্কিত চরম ঘটনাবলী ও অন্যান্য অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় সক্ষমতা তৈরি করা।
  •     
  • দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পদ সংগ্রহ নিশ্চিত করা, যার মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উন্নত দেশগুলোর সহায়তা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব অন্তর্ভুক্ত।
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-তে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো:

        
  • প্রতিযোগিতার অভাব
  •     
  • শুল্ক ও অশুল্ক বাধা
  •     
  • বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার জটিলতা
  •     
  • নীতি প্রণয়নে সীমিত প্রভাব
  •     
  • বাণিজ্য উদারীকরণের চাপ
  •     
  • বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ঘাটতি
  •     
  • উন্নত দেশগুলোর কৃষি ভর্তুকি

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতি ও নিয়মকানুন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্যপদ থেকে একদিকে যেমন সুযোগ পায়, তেমনি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। এই চ্যালেঞ্জগুলো বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি, দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ন্যায্য অবস্থান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে:

        
  • প্রতিযোগিতার অভাব: বাংলাদেশের শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতা ও পণ্যের গুণগত মান অনেক উন্নত দেশের তুলনায় কম। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ও মানের দিক থেকে উন্নত দেশগুলোর পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশের (LDC) মর্যাদা থেকে উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা হারানোর ঝুঁকি এ চ্যালেঞ্জকে আরও তীব্র করবে।
  •     
  • শুল্ক ও অশুল্ক বাধা: উন্নত দেশগুলো বিভিন্ন শুল্কের পাশাপাশি পরিবেশগত মান, শ্রম অধিকার, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (SPS) মানদণ্ড এবং প্রযুক্তিগত মানসহ নানা ধরনের অশুল্ক বাধা আরোপ করে। এসব উচ্চ মান পূরণ করা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য প্রায়শই ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে ওঠে, যা রপ্তানি বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে।
  •     
  • বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার জটিলতা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল, দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল। বাংলাদেশের মতো সীমিত সম্পদ ও আইনি বিশেষজ্ঞের অভাবযুক্ত দেশগুলোর জন্য এই আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ায় কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করা এবং নিজেদের পক্ষে সফলভাবে রায় আদায় করা কঠিন হয়।
  •     
  • নীতি প্রণয়নে সীমিত প্রভাব: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় উন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বেশি। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে নিজেদের জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে নীতি প্রণয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করা প্রায়শই কঠিন হয়, যার ফলে অনেক সময় বাংলাদেশের মতো দেশগুলো প্রতিকূল নীতির শিকার হয়।
  •     
  • বাণিজ্য উদারীকরণের চাপ: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী বাণিজ্য উদারীকরণ নীতিগুলো বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে দ্রুত শুল্ক হ্রাস এবং বাজার উন্মুক্ত করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে দুর্বল দেশীয় শিল্পগুলো বিদেশি পণ্যের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে, যা তাদের অস্তিত্ব সংকটের কারণ হতে পারে।
  •     
  • বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ঘাটতি: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সফল হতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (যেমন: আধুনিক বন্দর ও পরিবহন ব্যবস্থা), উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ এবং কার্যকর বাজার প্রবেশাধিকার কৌশল বাস্তবায়নে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রায়শই ঘাটতি দেখা যায়। এই সক্ষমতার অভাব রপ্তানি বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করে।
  •     
  • উন্নত দেশগুলোর কৃষি ভর্তুকি: উন্নত দেশগুলো তাদের কৃষকদের ব্যাপক ভর্তুকি প্রদান করে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের কৃষি পণ্যের দাম কৃত্রিমভাবে কম রাখে। এর ফলে বাংলাদেশের মতো কৃষিভিত্তিক উন্নয়নশীল দেশগুলোর কৃষি পণ্য প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে এবং দেশের কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়।
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
703
  • IMF- International Monetary Fund.
  • প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৪৫ সালে
  • সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডি.সি।
  • প্রতিষ্ঠিত হয় ব্রিটন উড়স সম্মেলনের মাধ্যমে। 
  •  ব্রিটন উডস প্রতিষ্ঠান ২টি - (WB, IMF) 

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য (পারমানেন্ট ফাইভ, বিগ ফাইভ বা পি৫ নামেও পরিচিত) হল পাঁচটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যাদের ১৯৪৫ সালের জাতিসংঘ সনদ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী আসন দিয়েছে। এরা হচ্ছে: চীন, ফ্রান্স, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

Al Imran Sheikh
Al Imran Sheikh
3 years ago
657
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews