উত্তরঃ গজনীর সুলতান মাহমুদ ছিলেন একজন মধ্যযুগীয় মুসলিম শাসক, যিনি গজনবী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করেন।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া, উদারতা এবং মানুষের প্রতি তাঁর অবিরাম ভালোবাসার কথা বোঝানো হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে, সৃষ্টিকর্তা ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা অন্য কোনো পার্থক্যের ভিত্তিতে মানুষকে খাদ্য বা মৌলিক প্রয়োজন থেকে বঞ্চিত করেন না। সকল সৃষ্টির প্রতি তাঁর করুণা সমান ও অবিচল।

এই পঙ্ক্তি দ্বারা কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, মানুষে মানুষে বিভেদ ও সংঘাত থাকলেও সৃষ্টিকর্তা তাঁর সকল বান্দার জন্য রিজিকের ব্যবস্থা রাখেন। ক্ষুধা নিবারণের মতো মৌলিক প্রয়োজন পূরণে তিনি কখনোই কোনো বৈষম্য করেন না। এই উপলব্ধি মানুষকে সংকীর্ণতা পরিহার করে সকল মানবের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে এবং একে অপরের প্রতি দয়ার্দ্র হতে অনুপ্রাণিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ নদীর ঘাটে বা কূলে এসে লেগেছে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

এশিরিয়া ও বেবিলনের মতো প্রতাপশালী সভ্যতাগুলো কালের করাল গ্রাসে, ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ও হানাহানির কারণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তাদের এক সময়ের গৌরবময় অস্তিত্ব আজ কেবল ধুলো আর ছাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক শক্তিশালী সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী হতে পারেনি। মানুষের ক্ষমতার লোভ, যুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলেই এক সময়কার সমৃদ্ধশালী নগরীগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। এশিরিয়া ও বেবিলন তারই জ্বলন্ত উদাহরণ, যা মানব সভ্যতার নশ্বরতা ও ক্ষণস্থায়ীত্বের প্রতীক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

আশা' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

কর্মহীন জীবন সুখী নয়। প্রকৃত সুখ প্রত্যাশী মাত্রই পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবনপথে এগিয়ে যায়। তারা আকাশ-পাতাল কল্পনা করেও জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করে না। তারা মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করে।

উদ্দীপকে জীবন চলার পথে নানা সমস্যা-জটিলতা মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দানে কিছু যুক্তি প্রদান করা হয়েছে। নিরাশ হয়ে ওষুধ না খেলে যেমন রোগ আরও বৃদ্ধি পায়, তেমনই পর্বতে আরোহণ করে ভয়ে মাথা ঘুরে গেলে নিচে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। কাজেই তুফানের ভয়ে মাঝির হাল ছেড়ে দেওয়া যেমন উচিত নয়, তেমনই বিপদের ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়াও যৌক্তিক কাজ নয়। আশা ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই প্রকৃত কর্মীর সাফল্যের উপায়। 'আশা' কবিতার সঙ্গে এ দিকটির মিল রয়েছে। এ দিকটি ছাড়াও এ কবিতায় আরও কিছু বিষয় আছে যেগুলো উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি।

'আশা' কবিতায় কবি গতানুগতিক জীবনের বাইরে এসে নিরন্ন মানুষের জীবনের সুখের সঙ্গে শরিক হতে চেয়েছেন। এ বিষয়টি উদ্দীপকে নেই। 'আশা' কবিতায় কবি সেসব মানুষের সান্নিধ্য প্রত্যাশা করেছেন, যারা বিত্ত-বৈভব অর্জনের জন্য দুর্ভাবনায় নিজেদের আয়ু কমায় না, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আনন্দানুভূতিকে বাঁচার অবলম্বন করে সুখ অনুভব করে, যারা কষ্টেও হাসতে পারে এবং সারা দিন কাজের পর নির্ভাবনায় ঘুমাতে পারে। উদ্দীপকে এসব বিষয় নেই। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

398

                                         গাহি সাম্যের গান -

মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান

নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,

সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি ।

                                     ‘পূজারী, দুয়ার খোলো,

ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হলো!”

স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়,

দেবতার বরে আজ রাজা-টাজা হয়ে যাবে নিশ্চয় !

জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কণ্ঠ ক্ষীণ—

ডাকিল পান্থ, ‘দ্বার খোলো বাবা, খাইনি তো সাত দিন!”

সহসা বন্ধ হলো মন্দির, ভুখারি ফিরিয়া চলে,

তিমিররাত্রি, পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে !

                                       ভুখারি ফুকারি' কয়,

‘ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!

মসজিদে কাল শিরনি আছিল, – অঢেল গোস্ত রুটি

বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি,

এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে আজারির চিন

বলে, “বাবা, আমি ভুখা ফাকা আছি আজ নিয়ে সাত দিন!'

তেরিয়া হইয়া হাঁকিল মোল্লা-'ভ্যালা হলো দেখি লেঠা,

ভুখা আছ মর গো-ভাগাড়ে গিয়ে! নমাজ পড়িস বেটা?”

ভুখারি কহিল, 'না বাবা!' মোল্লা হাঁকিল-'তা হলে শালা

সোজা পথ দেখ!' গোস্ত-রুটি নিয়া মসজিদে দিল তালা ।

                     ভুখারি ফিরিয়া চলে,

                    চলিতে চলিতে বলে-

‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,

আমার ক্ষুধার অন্ন তা বলে বন্ধ করনি প্রভু ।

তব মসজিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবি।

মোল্লা পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি !”

কোথা চেঙ্গিস, গজনি মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?

ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া দ্বার !

খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?

সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা!

                   হায় রে ভজনালয়,

তোমার মিনারে চড়িয়া ভণ্ড গাহে স্বার্থের জয় !
২০২১

Related Question

View All
270
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews