প্রস্বেদনের গুরত্ব :
১) প্রস্বেদনের মাধ্যমে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে পরিবেশে চলে যায়। এভাবে এটি উদ্ভিদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উদ্ভিদকে অতিরিক্ত তাপ থেকে রক্ষা করে।
২) প্রস্বেদনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ ও পুষ্টি উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, যা তাদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক ।
৩) প্রস্বেদনের সময় উদ্ভিদের পাতা গ্যাসীয় পদার্থ বিনিময়েও অংশগ্রহণ করে ।
একটি বৈদ্যুতিক বাতির ক্ষমতা ১৫ ওয়াট (W) বলতে বোঝায় যে, সেই বাতিটি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ জুল (J) শক্তি ব্যবহার করে। এই ক্ষমতা পরিমাপ করে বাতির কার্যক্ষমতা এবং এটি কতটুকু শক্তি খরচ করছে।
এটি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে নিম্নলিখিতভাবে:
শক্তি ব্যবহারের পরিমাণ: ১৫ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বাতি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ জুল শক্তি খরচ করে। এটি একটি সূচক যা নির্দেশ করে যে বাতিটি কত দ্রুত বিদ্যুৎ শক্তিকে আলোতে রূপান্তরিত করছে।
আলো উৎপাদন: সাধারণত, বেশি ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বাতি বেশি আলো উৎপাদন করে। সুতরাং, ১৫ ওয়াটের বাতিটি তুলনামূলকভাবে ভাল পরিমাণ আলো উৎপাদন করবে, কিন্তু এটি আরও শক্তিশালী বাতি যেমন ২৫ বা ৬০ ওয়াটের তুলনায় কিছুটা কম আলো দেবে।
বিদ্যুৎ খরচ: ১৫ ওয়াটের বাতির জন্য বিদ্যুৎ বিলের খরচ হিসাব করতে, এটির ব্যবহৃত ঘণ্টার সাথে ১৫ ওয়াট গুণ করতে হবে এবং তারপর কিলোওয়াটে রূপান্তর করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা বাতিটি ব্যবহার করেন, তবে মাসে (৫ ঘণ্টা × ৩০ দিন) = ১৫০ ঘণ্টায় ১৫ ওয়াট × ১৫০ ঘণ্টা = 2250 ওয়াট-ঘণ্টা বা 2.25 কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh) শক্তি খরচ হবে।
এইভাবে, ১৫ ওয়াটের ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক বাতি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে আলো উৎপন্ন করে, যা এর কার্যক্ষমতা এবং বিদ্যুৎ খরচের সাথে সম্পর্কিত।
আমরা জানি, ক্ষমতা = কৃত কাজ / সময়। ক্ষমতার একক ওয়াট।
অর্থাৎ কোন যন্ত্র বা ব্যক্তি প্রতি একক সময়ে যতটুকু কাজ করতে পারে সেটাই তার ক্ষমতা। একটি বৈদ্যুতিক বাতি বিদ্যুৎ শক্তিকে আলোক শক্তিতে রূপান্তর করে। কোন বাতির ক্ষমতা যদি ১৫ ওয়াট হয় তাহলে বাতিটি একক সময়ে বা ১ সেকেন্ডে ১৫ জুল বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহার করে আলোক শক্তি দেয়।
Related Question
View Allধাতুর সাথে অ্যাসিডের বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় ।
চন্দ্রগ্রহণের সময়ে সূর্য ও চাঁদের সাপেক্ষে পৃথিবীর অবস্থান সূর্য ও চাঁদের মধ্যবর্তী স্থানে ।
যে বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক বিক্রিয়ক একত্রিত হয়ে একটি নতুন বিক্রিয়াজাত পদার্থ তৈরি করে তাকে সংযোজন বিক্রিয়া বলে ।
কার্বোনেট লবণের সাথে অ্যাসিডের বিক্রিয়ায় কার্বনডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় ।
যেসব উদ্ভিদের গর্ভাশয় থাকে না তাদেরকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ ধরনের উদ্ভিদ বলে ।
প্লাটিপাস স্তন্যপায়ী প্রাণী ডিম পারে ।
পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ বিষুব রেখার উত্তর দিকে অবস্থিত ।
পরমাণুতে চৌম্বক ক্ষেত্র উৎপন্ন হওয়ার মূল কারণ ইলেকট্রনের ঘূর্ণন ।
অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে ক্যান্সার রোগের সৃষ্টি হয় ।
পরমাণুর তৃতীয় কক্ষপথে সর্বাধিক ১৮টি ইলেকট্রন থাকতে পারে ।
ধাতুর সাথে অ্যাসিডের বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় ।
চন্দ্রগ্রহণের সময়ে সূর্য ও চাঁদের সাপেক্ষে পৃথিবীর অবস্থান সূর্য ও চাঁদের মধ্যবর্তী স্থানে ।
যে বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক বিক্রিয়ক একত্রিত হয়ে একটি নতুন বিক্রিয়াজাত পদার্থ তৈরি করে তাকে সংযোজন বিক্রিয়া বলে ।
কার্বোনেট লবণের সাথে অ্যাসিডের বিক্রিয়ায় কার্বনডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় ।
যেসব উদ্ভিদের গর্ভাশয় থাকে না তাদেরকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ ধরনের উদ্ভিদ বলে ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!