যেকোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও টিকে থাকা নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের উপর। উদ্যোক্তাকে ব্যবসায় পরিচালনার বিভিন্ন সময় স্থায়ী সম্পত্তি যেমন: জমি, দালানকোঠা, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ক্রয়, এসব স্থায়ী সম্পত্তি প্রতিস্থাপন, উৎপাদন পদ্ধতির আধুনিকায়ন, নতুন পণ্য বাজারে ছাড়া—এরকম অনেক দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এসব বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত কোম্পানির জন্য কতটুকু লাভজনক হবে বা আদৌ লাভজনক হবে কি না, সেজন্য এসব বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের সঠিক মূল্যায়নের জন্য কিছু পদ্ধতি বা নীতিমালা দরকার। অর্থায়নের যে সব পদ্ধতি বা নীতিমালা এসব দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করতে পারে, সে সম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ে জানতে পারব ।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
- মূলধন বাজেটিং এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- মূলধন বাজেটিং- এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
- মূলধন বাজেটিং- এর বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করতে পারব।
- মূলধন বাজেটিং - এর বিভিন্ন কৌশলের সীমাবদ্ধতাসমূহ চিহ্নিত করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!