গণিত ক্লাসে মনি জ্যামিতি করছে। সে বিভিন্ন চতুর্ভুজ অঙ্কন করে। এর কোণগুলো মেপে দেখেছে। দেখা যায় সব চতুর্ভুজে চারটি কোণের সমষ্টি চার সমকোণ বা ৩৬০০। তাই সে বলে, চতুর্ভুজের চারকোণের সমান ৩৬০

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে সাদৃশ্যানুমানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যকীয় বিষয়ে সাদৃশ্য দেখিয়ে সিদ্ধান্ত অনুমান করা হয়, তাকে সাধু সাদৃশ্যানুমান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সাদৃশ্যানুমানের সংজ্ঞা ও উদাহরণ বিশ্লেষণ করলে এর কয়েকটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। নিচে সাদৃশ্যানুমানের দুটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

১। সাদৃশ্যানুমানের ভিত্তি হচ্ছে সাদৃশ্য। দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য থাকলে আমরা অনুমান করি যে তাদের মধ্যে অপর কোনো বিষয়েও সাদৃশ্য থাকবে।

২। সাদৃশ্যানুমানে আমরা বিশেষ থেকে বিশেষে উপনীত হই। এর সিদ্ধান্তটি একটি বিশেষ যুক্তিবাক্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মনির সিদ্ধান্তটি যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ। নিচে তা নিরূপণ করা হলো-

অপ্রকৃত আরোহের 'অন্তর্গত দ্বিতীয় 'প্রকরণটি হলো যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ। অপ্রকৃত আরোহ হিসেবে এর মাঝেও কোনো আরোহাত্মক উল্লম্ফন থাকে না। যুক্তিসাম্যমূলক আরোহের আশ্রয়বাক্যটি যে যুক্তির দ্বারা বিশেষ গুণে গুণান্বিত হয়, সেই একই যুক্তির দ্বারা এর সিদ্ধান্তটিও বিশেষ গুণে গুণান্বিত হয়।

যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ জ্যামিতির ক্ষেত্রেই বেশি প্রযোজ্য। তাই একে জ্যামিতিক আরোহ বলে আখ্যায়িত করা হয়। এ প্রকার অনুমানে একটি মাত্র দৃষ্টান্তের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত টানা হলেও এর সিদ্ধান্ত সচরাচর নিশ্চিত। কেননা জ্যামিতিক প্রমাণগুলো কতগুলো স্বতঃসিদ্ধ সূত্রের উপর নির্ভরশীল, কোনো কোনো যুক্তিবিদের মতে, সার্বিক সত্য প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ, অবৈজ্ঞানিক আরোহ এবং বৈজ্ঞানি আরোহ থেকেও বেশি উপযোগী। বৈজ্ঞানিক আরো বিপুলসংখ্যক দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করেও কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না। কিন্তু যুক্তিসাম্যমূলক আরোহে একটি মাত্র দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করেই নিশ্চিত সার্বিক সত্যে পৌঁছানো যায়, তবুও এ ধরনের অনুমান প্রকৃত আরোহের মর্যাদা লাভে সক্ষম নয়। কেননা এতে আরোহের মূল বৈশিষ্ট্য অনুপস্থিত। তা যুক্তিবিদ মিল একে তথাকথিত আরোহ নামে অভিি করেছেন।

উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, মনির সিদ্ধ, যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মনির সিদ্ধান্তটি যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ। যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ ও বৈজ্ঞানিক আরোহের বৈসাদৃশ্য নিচে তুলে ধরা হলো-

প্রথমত : যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ অপ্রকৃত আরোহের অন্তর্গত। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃত আরোহের অন্তর্গত।

দ্বিতীয়ত: যুক্তিসাম্যমূলক আরোহে আরোহের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে আরোহমূলক লম্ফ নেই। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহে আরোহমূলক লম্ফ আছে।

তৃতীয়ত: যুক্তিসাম্যমূলক আরোহে পর্যবেক্ষণ অনুপস্থিত কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ ঘটনা পর্যবেক্ষণের উপর নির্ভরশীল।

চতুর্থত: যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ একপ্রকার জ্যামিতিক অনুমান। জ্যামিতিতে কতগুলো স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম বা সংজ্ঞার উপর নির্ভর করে অবরোহ পদ্ধতিতে অন্যান্য সিদ্ধান্ত স্থাপন করা হয়। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ একটি যথার্থ আরোহ অনুমান। এর যুক্তিপদ্ধতি সঠিক ও নির্ভুল'।

পঞ্চমত: যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ একটি সরল পদ্ধতি। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ জটিল পদ্ধতি।

ষষ্ঠত : যুক্তিসাম্যমূলক আরোহের ক্ষেত্রে কোনো রকম বিশিষ্ট দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণ করা হয় না। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহের ক্ষেত্রে বিশিষ্ট দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উপর্যুক্ত বৈসাদৃশ্যগুলো ছাড়াও যুক্তিসাম্য ও বৈজ্ঞানিক আরোহের অনেক বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
120
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করে যদি অনুমান করা হয়, তাদের একটি বিশেষ গুণের অধিকারী বলে অপরটিও ওই গুণের অধিকারী হবে, তাহলে যে অনুমান করা হয় তার নাম সাদৃশ্যানুমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

প্রকৃত আরোহে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মাঝে এমন কিছু ফাঁক বা ব্যবধান থাকে, যা অন্ধের মতো ঝুঁকি নিয়ে অতিক্রম করাই হলো প্রকৃত আরোহের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রকৃত আরোহে এরূপ ব্যবধানে অতিক্রমের প্রক্রিয়াকেই আরোহাত্মক লম্ফ বলে। উদাহরণস্বরূপ, রহিম, করিম, যদু, মধু, জন, ডন প্রমুখ মানুষের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এক বিরাট ব্যবধান অতিক্রম করে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যতের সব মানুষের মরণশীলতা সম্পর্কে যে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, তা আরোহমূলক লম্ফের উপর নির্ভর করেই সম্ভব হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
724
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাগত আরোহ যুক্তিবিদ্যা বইয়ে যে আরোহ সম্পর্কে জেনেছে, তা হচ্ছে বৈজ্ঞানিক আরোহ। কারণ আরোহের যত প্রকারভেদ রয়েছে, তাদের মধ্যে একমাত্র বৈজ্ঞানিক আরোহে আরোহের সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে। তাই একে প্রকৃত আরোহ বলা হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক আরোহের বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-

◇পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতি; 
◇ আরোহমূলক লম্ফ;
◇সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য;
◇বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা;
◇প্রকৃতি নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ সম্পর্ক;
◇ আকারগত ও বস্তুগত সত্যতা; ◇ সর্বদা নিশ্চিত সিদ্ধান্ত; 
◇ বিশেষ বিশেষ ঘটনা পর্যবেক্ষণ।

এসব বৈশিষ্ট্য থেকে বলা যায়, এখানে একটি আরোহের যতগুলো বৈশিষ্ট্য থাকলে তাকে প্রকৃত আরোহ বলা যায়, তার সব বৈশিষ্ট্যই বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বিদ্যমান থাকে। এমনকি একমাত্র সঠিকভাবে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত কেবল বৈজ্ঞানিক আরোহই দিতে পারে। তাই এটি একটি প্রকৃত আরোহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
228
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাগতের বন্ধু যে জ্যামিতিক চিত্র দেখেছে, তা আরোহ যুক্তিবিদ্যার যুক্তিসাম্যমূলক আরোহের বিষয়বস্তু। কারণ একমাত্র যুক্তিসাম্যমূলক আরোহে জ্যামিতিক চিত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই একে জ্যামিতিক আরোহ বলেও আখ্যায়িত করা হয়।

এ প্রকার অনুমানে একটি মাত্র দৃষ্টান্তের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত টানা হলেও এর সিদ্ধান্ত সচরাচর নিশ্চিত। যে যুক্তি দিয়ে একটি সার্বিক বাক্যের অন্তর্গত কোনো একটি বিশেষ ঘটনাকে প্রমাণ করা যায়, সেই একই যুক্তি দিয়ে তার অন্তর্গত সমশ্রেণিভুক্ত অন্যান্য বিশেষ ঘটনাকে প্রমাণ করা যায়- এই নীতির উপর নির্ভর করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করার প্রক্রিয়াকে যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ বলে। যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ জ্যামিতির ক্ষেত্রেই বেশি প্রযোজ্য। এখানে জ্যামিতির সূত্র ব্যবহার করে যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ যুক্তি গঠন করে তা নিচে জ্যামিতিক চিত্রে তুলে ধরা হলো-

কোনো জ্যামিতিক প্রমাণে আমরা প্রথমে কোনো প্রদত্ত চিত্রের বৈশিষ্ট্য বা গুণকে প্রমাণ করি এবং তারপর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, প্রদত্ত চিত্রটিতে প্রমাণিত বৈশিষ্ট্য সেই একই শ্রেণির চিত্রের ক্ষেত্রেও সত্য হবে। যেমন: আমরা জানি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি দুই সমকোণের সমান; অর্থাৎ ১৮০০। এটি একটি জ্যামিতিক সূত্র। ত্রিভুজের তিনটি কোণ ABC নামক ত্রিভুজ অঙ্কন করে যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ মিলে ১৮০° হয়। অনুরূপ যুক্তি দিয়ে আমরা সার্বিককরণ করে বলতে পারি যে X, Y, Z কিংবা A, B, C। অর্থাৎ সব ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণের সমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
231
উত্তরঃ

কার্যকারণ নিয়মের অর্থ হলো, প্রত্যেক কার্য বা ঘটনার একটি কারণ আছে। কোনো ঘটনার আগে যা ঘটে তাকে কারণ বলে। আর সেই ঘটনার পরে যা ঘটে তাকে কার্য বা ফল বলে। কারণ ছাড়া কার্য বা ফল হয় না, বিনাকারণে কোনো ঘটনা ঘটে না, নিছক শূন্য (০) থেকে কোনো কিছুর সৃষ্টি হয় না। শূন্য থেকে শুধু শূন্য পাওয়া যায়। পৃথিবীতে এমন কোনো ঘটনা নেই, যার কোনো কারণ নেই; প্রতিটি ঘটনাই কার্যকারণে আবদ্ধ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews