কোনো আর্থিক স্বার্থের বিষয়টিকে প্রাধান্য না দিয়ে বরং সামাজিক কল্যাণ অর্জনের বিষয়কে বিবেচনায় এনে ব্যবসায় পরিচালনা করাকেই সামাজিক ব্যবসায় বলে।
"মুনাফা হলো ঝুঁকি গ্রহণের পুরস্কার।"-ব্যক্তটি যথার্থ।
ব্যবসায় উদ্যোগের সাথে ঝুঁকির সম্পর্ক সর্বদা বিদ্যমান। কোনো ব্যবসায়ে ঝুঁকি কম, আবার কোনো ব্যবসায়ে ঝুঁকি বেশি। যে ব্যবসায়ে ঝুঁকি বেশি তাতে লাভের সম্ভাবনাও বেশি। আবার যে ব্যবসায়ের ঝুঁকি কম তাতে লাভের সম্ভাবনাও কম। ব্যবসায় উদ্যোগ ঝুঁকি ছাড়া কল্পনা করা যায় না। আর উদ্যোক্তা এ ঝুঁকি গ্রহণ করেন এবং এর ফলাফল অর্থাৎ লাভ কিংবা লোকসান বহন করেন। যেখানে ঝুঁকি নেই সেখানে লাভের সম্ভাবনা বেশি। যেহেতু ঝুঁকিবিহীন মুনাফা অর্জন অসম্ভব। তাই বলা যায়, "মুনাফা হলো ঝুঁকি গ্রহণের পুরস্কার।" বক্তব্যটি নিঃসন্দেহে যথার্থ।
উদ্দীপকের গনি মিয়ার গরু ক্রয়ের কাজটি ব্যবসায় নয়।
সাধারণভাবে মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত সকল বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসায় বলা হয়। স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য ব্যায়াম করা, মানসিক আনন্দ লাভের জন্য গান-বাজনা করা, পরিবারের সদস্যদের ভোগের জন্য হাঁস-মুরগি পালন বা সবজি চাষ করাকে ব্যবসায় বলা যায় না। কারণ এসব কাজের সাথে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য জড়িত নয়।
উদ্দীপকের গণি মিয়া একজন কৃষক। তিনি জমি চাষ করার জন্য একজোড়া গরু ক্রয় করলেন। যেহেতু তিনি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে গরু ক্রয় করেননি। তাই বলা যায়, গণি মিয়ার গরু ক্রয়ের কাজটি ব্যবসায় নয়।
গণি মিয়ার স্ত্রীর কার্যক্রমটি ব্যবসায়ের আওতাভুক্ত।
সাধারণভাবে মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত সকল বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসায় বলা হয়।
উদ্দীপকের গণি মিয়ার স্ত্রী বাজার থেকে কাপড় ক্রয় করে এনে নিজের সন্তানের জন্য জামা তৈরি করলেন এবং কিছু জামা বাজারে বিক্রি করলেন। গণি মিয়ার স্ত্রী কাপড় ক্রয় করে। সন্তানের জন্য জামা তৈরি করলেও একথা স্পষ্ট নয় যে, তিনি শুধু সন্তানের জন্যই কাপড় ক্রয় করেছিলেন। কেননা তিনি কিছু জামা বাজারে বিক্রয়ের মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যেও তৈরি করেছিলেন। যেহেতু গনি মিয়ার স্ত্রীর কার্যক্রমটির মধ্যে মুনাফা অর্জনে উদ্দেশ্যও নিহীত ছিল। তাই বলা যায়, গনি মিয়ার স্ত্রীর কার্যক্রমটি ব্যবসায়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!