ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্থায়ী কার্যালয় অবস্থিত নেত্রকোণার বিরিশিরিতে।
ইউএনডিপির বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হলো সংকট প্রতিরোধ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম।
UNDP বিভিন্ন দেশে বিদ্যমান সশস্ত্র সংঘাত এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসের ক্ষেত্রে কাজ করে। পাশাপাশি সংঘাত ও দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমেও সহায়তা দিয়ে থাকে। এছাড়া UNDP ঝুঁকি হ্রাসের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারকে ঝুঁকি হ্রাস বিষয়সমূহ নির্ধারণ, ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমন্বিত নীতি প্রণয়ন এবং কর্মসূচির মান নির্ধারণে সহযোগিতা করে থাকে। UNDP নিরস্ত্রীকরণ, সেনা অপসারণ, মাইন অপসারণ, বাস্তুহারা লোকদের পুনর্বাসন এবং নির্যাতন রোধে কর্মসূচি পরিচালনা ইত্যাদি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উদ্দীপকের ঘটনার সাথে বাংলাদেশের বাল্যবিবাহ নামক সামাজিক সমস্যার সাদৃশ্য রয়েছে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের বাল্যবিবাহ একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা। এদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিবাহের ক্ষেত্রে ছেলের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর আর মেয়ের বয়স ১৮ হতে হবে। এক্ষেত্রে ছেলের বয়স ২১ ও মেয়ের বয়স ১৮ হওয়ার আগে যদি এ বিবাহ সম্পন্ন হয় তাহলে তা বাল্যবিবাহ হিসেবে অভিহিত হবে। উদ্দীপকের ঘটনায় বাল্যবিবাহেরই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, গত ৩ জুলাইয়ের প্রথম আলোর প্রকাশিত একটি খবরে জানা যায় মালয়েশিয়ার ৪১ বছর বয়সী ব্যক্তি ১১ বছরের বয়সের মেয়েকে বিয়ে করেছেন। এক্ষেত্রে মেয়ের বয়স ১৮ পূর্ণ না হওয়ায় বিয়েটি বাল্যবিবাহ হিসেবে অভিহিত হবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যাটি হলো বাল্যবিবাহ।
উদ্দীপকের সমস্যা অর্থাৎ বাল্যবিবাহ মোকাবিলা ছাড়াও আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফ আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।
বিশ্বব্যাপী শিশুদের সুরক্ষায় ও সার্বিক কল্যাণ সাধনে ইউনিসেফ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সংস্থাটি স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাতৃসদন ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালীর ব্যবস্থা, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া রোগের প্রতিকারে টিকাদান প্রভৃতি কর্মসূচি পরিচালনা করে। এটি পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ, পুষ্টি সংক্রান্ত জ্ঞান দান ও ওষুধ সরবরাহ করে থাকে। শিক্ষা বিস্তারের জন্য সংস্থাটি নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পুরানো প্রতিষ্ঠান সংস্কার, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দান ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে নানা ধরনের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে। এছাড়া ইউনিসেফ মহিলাদের উন্নয়নের জন্য নানা ধরনের বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। আবার সংস্থাটি বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলা এবং দুর্যোগে আক্রান্তদের জন্য জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইউনিসেফ বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও শারীরিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এছাড়াও সংস্থাটি এইডস আক্রান্ত শিশুদের কার্যক্রম, জন্ম নিবন্ধন, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালায়।
উদ্দীপকে প্রথম আলোর খবরে জানা যায়, ৪১ বছর বয়সী মালয়েশিয়ার নাগরিক ১১ বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে করেছে যা বাল্যবিবাহের অন্তর্ভুক্ত। এ ঘটনায় একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে যা ইউনিসেফকে নির্দেশ করে। আর ইউনিসেফের অন্যতম কার্যক্রম হলো বাল্যবিবাহ মোকাবিলা করা। তবে এ সমস্যা মোকাবিলা ছাড়াও সংস্থাটি উপরে বর্ণিত কার্যক্রমগুলোও পরিচালনা করে।
তাই বলা যায়, “বাল্যবিবাহ মোকাবিলা ছাড়াও ইউনিসেফ আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে”-মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View All১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
মানবহিতৈষী ব্যক্তি হেনরি ডুনান্ট (Henri Dunant) এর উদ্যোগে Red Cross Society প্রতিষ্ঠিত হয়।
২৪ জুন, ১৮৫৯ সালে ইতালির সলফ্যারিনো গ্রামে ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে এক ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে হেনরি ডুনান্ট A Memory of Solferino' নামক বইতে বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে যুদ্ধাহতদের সেবার জন্য একটি বিশ্ব সংস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ১৮৬৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি হেনরি ডুনান্ট অপর ৪ জন জেনেভাবাসীকে নিয়ে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন। ১৮৬৩ সালের ২৬ অক্টোবর তারিখে এ কমিটি ১৬টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেনেভায় একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আহ্বান জানায়। এ সম্মেলনের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক রেডক্রস প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
সুরমার উপসর্গগুলো এইডস রোগকে নির্দেশ করে।
এইডস একটি প্রাণঘাতী রোগ। এইডস রোগের ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে।
এই রোগে আক্রান্ত হলে শরীরের ওজন দ্রুত কমতে থাকে। এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত অবসাদগ্রস্ততা, বিরতিহীন ডায়রিয়া, খাবারে অরুচি, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ফুলে যাওয়া, শারীরিক দুর্বলতা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।
উদ্দীপকের সুরমার ক্ষেত্রে এই উপসর্গগুলোই দেখা দিয়েছে।
উদ্দীপকের সুরমার সন্তান জন্মের পর দ্রুত ওজন কমতে থাকে। প্রায় সপ্তাহখানেক জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ আরওউপসর্গ নিয়ে সুরমা ডাক্তারের কাছে যায়। তখন রক্ত পরীক্ষায় জানা যায় সে একটি প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত। সুরমার প্রাণঘাতী রোগটির উপসর্গগুলো ওপরে বর্ণিত এইডস রোগের লক্ষণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, সুরমার উপসর্গগুলো এইডস রোগকে নির্দেশ করে।
সুরমার সন্তানের সহযোগিতায় সেভ দ্যা চিলড্রেন ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
এইডস এর বিস্তৃতি বন্ধে এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সেভদ্যা চিলড্রেন বিশ্বব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব শিশুর এইডস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি তাদের জন্য সংস্থাটি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে সংস্থাটি যেসব কাজ করে তা হলো সমষ্টিকেন্দ্রিক সাহায্য প্রদান, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের শিক্ষা, মানসিক সমর্থন, পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ ইত্যাদি। অসহায়, এতিম এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের ওপর গুরুত্বারোপ করে এইডস বিষয়ে সেভদ্যা চিলড্রেন ব্যাপক কর্মসূচি পালন করে। ২০১৪ সালে সংস্থাটি HIV/AIDS কর্মসূচির আওতায় বিশ্বব্যাপী ১১.৮ মিলিয়ন শিশুকে সহযোগিতা প্রদান করেছে। সুরমার সন্তানের ক্ষেত্রে সংস্থাটি সহযোগিতা করতে পারে।
উদ্দীপকের সুরমা এইডসে আক্রান্ত হওয়ায় তার সন্তানও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আর যেসব শিশু এইডসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তাদের সুরক্ষায় সেভদ্যা চিলড্রেন নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করে। যেহেতু সুরমার সন্তান এইডসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছে সেহেতু সংস্থাটি সুরমার সন্তানকে সহযোগিতা করতে পারে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুরমার সন্তানের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সেভ দ্যা চিলড্রেন ভূমিকা রাখতে পারে।
ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্থায়ী কার্যালয় অবস্থিত নেত্রকোণার বিরিশিরিতে।
ইউএনডিপির বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হলো সংকট প্রতিরোধ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম।
UNDP বিভিন্ন দেশে বিদ্যমান সশস্ত্র সংঘাত এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসের ক্ষেত্রে কাজ করে। পাশাপাশি সংঘাত ও দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমেও সহায়তা দিয়ে থাকে। এছাড়া UNDP ঝুঁকি হ্রাসের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারকে ঝুঁকি হ্রাস বিষয়সমূহ নির্ধারণ, ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমন্বিত নীতি প্রণয়ন এবং কর্মসূচির মান নির্ধারণে সহযোগিতা করে থাকে। UNDP নিরস্ত্রীকরণ, সেনা অপসারণ, মাইন অপসারণ, বাস্তুহারা লোকদের পুনর্বাসন এবং নির্যাতন রোধে কর্মসূচি পরিচালনা ইত্যাদি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!