বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে মাইকা ব্যবহৃত হয়।
মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থসমূহ 'হিউমাস' নামে পরিচিত। হিউমাস তথা জৈব পদার্থসমূহ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মাটিতে জৈব পদার্থ তথা হিউমাস না থাকলে কোন গাছপালা জন্মাতে পারে না বা জন্মালেও সেগুলো বেড়ে উঠতে পারে না। জৈব পদার্থে শোষিত পানি খুব সহজেই গাছপালায় স্থানান্তরিত হয়। এজন্য জৈব পদার্থকে মাটির জীবন বলা হয়।
ফসল উৎপাদন ভাল হওয়ার জন্য মাটির গঠন, pH, মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা জানা প্রয়োজন। গনি মিঞা চর এলাকায় প্রথম প্রকারের আলু তথা মিষ্টি আলু চাষ করে। চর এলাকার মাটি বালি মাটি। বালি মাটির পানির ধারণক্ষমতা খুবই কম। বালি মাটিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না যার ফলে মিষ্টি আলুর শিকড় পচে না, মিষ্টি আলু বালি মাটিতে হওয়ায় বেশি পানি লাগে না, ফলে বৃষ্টিপাত বেশী প্রয়োজন হয় না। এছাড়া মাটি উর্বর হওয়ায় এবং এতে বিদ্যমান মাটির কণার আকার সবচেয়ে বড় থাকে, ফলে কণাগুলোর মধ্যে ফাঁকা জায়গা বেশি থাকে, ফলে মিষ্টি আলুর বৃদ্ধি ভাল হয়।
উপরিউক্ত কারণে গনি মিঞার মিষ্টি আলুর উৎপাদন ভাল হয়।
উদ্দীপকের দ্বিতীয় আলু তথা গোল আলু চাষের জন্যে মাটির পানি ধারণক্ষমতা কম হতে হবে, তা না হলে মূলে পানি জমে পচন সৃষ্টি করবে। এছাড়া জমির pH এর মান ৫-৬ হতে হয় অর্থাৎ মাটি কিছুটা এসিডিক প্রকৃতির হতে হয়। যেহেতু উপরিউক্ত জমির মাটি কাদাযুক্ত ও ক্ষারীয় তাই এ মাটির পানির ধারণ ক্ষমতা বেশি। সহজে পানি নিষ্কাশিত হয় না। এই জাতীয় মাটিতে সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং আলুর মূলে পচন সৃষ্টি করে।
বালি ও দোঁআশ মাটি গোল আলু চাষের জন্যে সহায়ক। কারণ বালি মাটির পানি ধারণক্ষমতা কম, তাই পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না বলে শিকড় পচে না। অন্যদিকে, দোঁআশমাটি একদিকে যেমন পানি ধারণ ক্ষমতা ভাল আবার প্রয়োজনের সময় পানি দ্রুত নিষ্কাশনও হতে পারে। তাই গোল আলু চাষাবাদের জন্য দোঁআশ মাটি খুব উপযোগী। তাই আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, গণি মিয়ার জমি গোল আলু চাষের উপযোগী নয়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!