তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ব্যবস্থাই হলো টেলিমেডিসিন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনাগুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেওয়ার ব্যবস্থা। অন্যদিকে এক্সপার্ট সিস্টেম হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি প্রয়োগ। এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা মানুষের চিন্তা-ভাবনা করার দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে একত্রে ধারণ করে। এ সিস্টেমে কম্পিউটারকে বিশাল তথ্য ভান্ডার দিয়ে সমৃদ্ধ করা হয় যাকে নলেজবেজ বলে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অনেকগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ও চিপ ব্যবহার করে প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে কম্পিউটারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সৃষ্টি করা হয়। তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এক ধরনের এক্সপার্ট সিস্টেম।
উদ্দীপকে বিজ্ঞানীগণ ব্রেইনের অভ্যন্তরের গঠন ও কোষ পর্যবেক্ষণের জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহার করে সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করেন তা হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন এক ধরনের কৃত্রিম পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীদের কাছে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে তারা এটিকে বাস্তব পরিবেশ হিসেবে মনে করে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে অনুকরণকৃত পরিবেশ হুবহু বাস্তব পৃথিবীর মতো হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণরূপে একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে নিমজ্জিত হয়ে যায়। তথ্য আদান-প্রদানকারী বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস সংবলিত চশমা, headsets, gloves, suit ইত্যাদি পরিধান করার মাধ্যমে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবকে উপলব্ধি করা হয়। একটি typical VR format- এ একজন ব্যবহারকারী ত্রিমাত্রিক স্ক্রিন সংবলিত একটি হেলমেট পরে এবং তার মধ্যে দিয়ে বাস্তব থেকে অনুকরণকৃত অ্যানিমেটেড বা প্রাণবন্ত ছবি দেখে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে মাল্টিসেন্সর হিউম্যান- কম্পিউটার ইন্টার সেন্সসমূহের ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত থাকে যা মানব ব্যবহারকারীদেরকে কম্পিউটার-সিমুলেটেড অবজেক্ট, স্পেস, কার্যক্রম। এবং বিশ্বকে একবারে বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা প্রদানে সক্ষম করে তোলে। উদ্দীপকে গবেষণা প্রতিষ্ঠান আলফা-এর বিজ্ঞানীগণও উপরে বর্ণিত উপায়ে ব্রেইনের অভ্যন্তরের গঠনের কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করে তা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আণবিক মাত্রার যন্ত্র তৈরির প্রযুক্তিটি হচ্ছে ন্যানো টেকনোলজি। কোনো একটি বস্তুর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ প্রযুক্তি বা যন্ত্র ব্যবহার করে অণু বা পরামাণুগুলোকে ন্যানো মিটার স্কেলে বা ন্যানো পার্টিকেল রূপে পরিবর্তন করার প্রযুক্তিই হলো ন্যানোটেকনোলজি। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য, প্যাকেজিং, ক্লথিং, ফুয়েল ক্যাটালিস্ট, গৃহ-সামগ্রী, ঔষধ ইত্যাদিতে ন্যানো টেকনোলজির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে খাদ্য শিল্পের ক্ষেত্রে ন্যানো টেকনোলজির বহুবিধ প্রভাব 'লক্ষণীয়। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ থেকে খাদ্য উৎপাদন, প্যাকেজিং, পরিবহন এবং পুষ্টি মান বজায় রাখতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে খাদ্য সংরক্ষণ করা সহজ হয়েছে। ফলে খাদ্যের নিরাপত্তা বিধান করাও সম্ভব হচ্ছে। এ প্রযুক্তির প্রয়োগে খাদ্যের স্বাদ গুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়াও খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে এবং বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
উপরের বর্ণনা থেকে বোঝা যায় যে, খাদ্য শিল্পে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যাপক প্রভাব রাখে।
Related Question
View Allভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কম্পিউটার সিমুলেশন এর সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহার কারীদের কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয় একে সিমুলেশনের পরিবেশ ও বলা হয় কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কোন করণ বিধায় প্রয়োগ কৃত্রিম পরিবেশকে এমন ভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয় যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য বাস্তব বলে মনে হয়।
Ans ইজরীরুহ না এইটা তো আমি ভালো নেই রাতে আমরা কি পারি নি এই জাগায় সময় আমার কি যে মজা লাগছিল
কৃত্রিম বুদ্ধিমতরা বলতে বোঝানো হয় তৈরি কৃত জ্ঞান যা আবদ্ধ একটি জ্ঞান। রোবটকে কিছু প্রোগ্রামিং দিয়ে কাজ করানো হয়। তাকে যেই কাজটি তার মধ্যে সেটআপ করা হয় বা তার মধ্যে তার ভিতরে যে কাজটি সেটআপ করা হয়েছে শুধু সেই কাজটি করতে পারে। আর মৌলিক গবেষণা অর্থাৎ মানুষের মস্তিষ্ক যা নিজ ইচ্ছামত কাজ করতে পারে তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমাত্রায় মৌলিক গবেষণা সম্ভব নয়।
রোবোটিক্স (Robotics) হল বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যেখানে রোবট তৈরির নকশা, নির্মাণ, কার্যক্ষমতা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করা হয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রযুক্তি।
রোবোটিক্সের প্রধান অংশ
১. যান্ত্রিক নকশা (Mechanical Design) – রোবটের শরীর বা কাঠামো গঠনের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করা হয়।
২. ইলেকট্রনিক্স (Electronics) – সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদানের সাহায্যে রোবটকে কার্যক্ষম করা হয়।
৩. প্রোগ্রামিং (Programming) – সফটওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোবটের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
রোবোটিক্সের ব্যবহার
শিল্প কারখানা: স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হয়।
স্বাস্থ্যসেবা: সার্জারি রোবট ও চিকিৎসা সহায়তা রোবট ব্যবহার করা হয়।
গবেষণা ও মহাকাশ: মহাকাশ অনুসন্ধানে রোবটিক যান (যেমন, NASA-র মার্স রোভার) ব্যবহৃত হয়।
সেনাবাহিনী: সামরিক ড্রোন ও যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
রোবোটিক্স দ্রুত উন্নতি করছে এবং ভবিষ্যতে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ারিং উপযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে বিষয়টি উপর রোবটের ধারণা নকশা উৎপাদন কার্যক্রম কিংবা সাধারণ বাস্তবায়ন করতে পারে তাই হচ্ছে রোবোটিক্স।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে বোঝায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির মূল বিষয় হলো সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য মোচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
উত্তর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!