'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে বিয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য কিশোর ছেলেটির অপেক্ষার তর আর সইছে না।
গল্পের কিশোরটির স্কুলে পরীক্ষা থাকার জন্য সে মামার বিয়েতে সকলের সাথে যেতে পারেনি। মেজো মামার বিয়ের আয়োজনে যেন সে উপস্থিত থাকতে পারে এইজন্য তার ছোটো মামা তাকে একটি পরামর্শ দেয়। বিয়ের দিন দুপুর সাড়ে বারোটার ট্রেনে চড়ে সোজা মেয়ের বাড়িতে যেতে বলেন; তাহলে সেখানে সে পরিবার ও বিয়ে বাড়ির সকলের সাথে মিলতে পারবে। পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পরের দিন ট্রেনে উঠার জন্য তার অপেক্ষার তর সহ্য হচ্ছিল না। সে খুবই উচ্ছসিত ছিল বিয়ে বাড়ি দ্রুত পৌছানোর জন্য।
মেজো মামার বিয়েতে সঠিক সময়ে উপস্থিত থাকতে চাওয়ার আনন্দে কিশোরের ট্রেনের জন্য অপেক্ষার তর সইছিল না।
Related Question
View Allখান মোহাম্মদ ফারাবী একজন সৃষ্টিশীল মেধাবী লেখক। তাঁর 'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে আমার ট্রেনের ভদ্রলোক চরিত্রটিকে বেশি ভালো লেগেছে তার আন্তরিকতাপূর্ণ ব্যবহারের কারণে।
'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোর ছেলেটি বেশি তাড়াহুড়োর জন্য সাড়ে বারোটার চিটাগাং লাইনের ট্রেনে না-উঠে বারোটার ময়মনসিংহ লাইনের ট্রেনে উঠে পড়ে। সে ট্রেনের যে কামরায় ওঠে সেখানে বেশি ভিড় ছিল না। সে কামড়ার এক ভদ্রলোক তাকে ডেকে পাশে বসায়। ভদ্রলোকের ঘড়ির সময় দেখে কিশোর তাকে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন করলে তাদের মধ্যে একটা হাস্যরসাত্মক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিশোর ছেলেটি তার গন্তব্য স্টেশনের নাম না-জানলে ভদ্রলোকটি কিশোর ছেলেটির কথামতো গণনা করে তাকে সেই স্টেশনের নাম বলে। তাকে সাথে করে চৌধুরীদের বিয়ে বাড়ি নিয়ে যায় এবং সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। এখানে চরিত্রটির দায়িত্বজ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়।
গল্পকথকের বিয়ে বাড়ি সহজে পৌছানো, যাত্রা সহজ ও সুন্দর হয় ভদ্রলোকটির সৌহার্দপূর্ণ মানসিকতার জন্য। বয়সের ব্যবধান থাকলেও ছোটো একটি ছেলের প্রতি আন্তরিকতা দেখানোর জন্য ট্রেনের ভদ্রলোকের চরিত্রটিকে আমার ভালো লেগেছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!