আমাদের দেশে প্রায় সব এলাকাতেই তালপাতা, নারকেল পাতা ও খেজুর পাতা কমবেশি পাওয়া যায়। এ সকল গাছের পাতা আমরা নানাভাবে কাজে লাগাতে পারি। তৈরি করতে পারি অভিনব এক শিল্পকর্ম। যেমন- তালপাতা দিয়ে আমরা বাহারী রকমের হাত-পাখা বানাতে পারি। আবার খেজুর ও নারকেলের পাতা রং করে তা দিয়ে চশমা, বাঁশি, ঘড়ি, পাখি, শাপলা ফুল তৈরি করতে পারি। গ্রাম অঞ্চলে মেয়েরা খেজুরের পাতা দিয়ে চমৎকার মাদুর তৈরি করে থাকে।
Related Question
View Allকাগজ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম তৈরি করা যায়। এ শিল্পকর্ম তৈরিতে নানা উপকরণের প্রয়োজন হয়। এর প্রধান উপকরণ হলো সাদা, লাল, বেগুনি, সবুজ, নীল হলুদসহ বিভিন্ন রঙের কাগজ। তাছাড়া লাগবে মোটা সুতা, সুতলি, বাঁশের সরু কাঠি অথবা পাটকাঠি, কাগজ কাটার ধারালো ছুরি, ছোট-বড় কাঁচি। কাগজ জোড়া লাগানোর জন্য ময়দার ঘন আঠা।
আমাদের চারপাশে নানা ধরনের ফেলনা জিনিস দেখা যায়। এসব ফেলনা জিনিস থেকে আমরা সহজেই সুন্দর শিল্পকর্ম তৈরি করতে পারি। সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারলে যেকোনো জিনিস দিয়েই শিল্পকর্ম বানানো যায়। যেমন- পাখির পালক। এটি রং করেও আমরা শিল্পকর্ম বানাতে পারি। ম্যাচের কাঠি, গমের নাড়া, কটন বার্ড এগুলো দিয়ে আমরা রান্দনিক ওয়ালমেট বানাতে পারি, আবার পুরানো কাপড় টিনের কৌটা, প্লাস্টিকের কৌটা, শোলা, দোয়াতের বাক্স দিয়েও শিল্পকর্ম বানানো যায়। নুড়ি পাথর, ছোট-বড় কাঠের। টুকরা দিয়ে আমরা চমৎকার ভাস্কর্য, পেপারওয়েট বানাতে পারি। ডিমের খোসা দিয়ে পুতুল ও ওয়ালমেট তৈরি করা যায়। এভাবে যেকোনো জিনিস দিয়েই আমরা শিল্পকর্ম বানাতে পারি।
রাস্তাঘাটে চলাফেরা করার সময় নানা ধরনের ছোট নুড়ি- পাথর আমাদের চোখে পড়ে। এসব নুড়ি-পাত্রকে ফেলনা বলা হয়। ফেলনা নুড়ি-পাথর দিয়ে আমরা বিভিন্ন রকমের শিল্পকর্ম বানাতে পারি, নুড়ি-পাথরগুলো দেখতে কোনটা প্যাঁচা, মানুষ, বিড়াল বা অন্যকোনো প্রাণীর মতো। এগুলো ধুয়ে মুছে এর উপর রং দিয়ে চোখ, মুখ, কান এঁকে কাঠের উপর স্থাপন করে আমরা, সহজেই ছোট ভাস্কর্য বানাতে পারি। আবার এ নুড়ি-পাথরে নানা ধরনের রঙের ব্যবহার করে পেপার ওয়েট অথবা শোপিচ বানাতে পারি। শৈল্পিক মন দিয়ে আমরা নুড়ি-পাথর থেকে নানা ধরনের শিল্পকর্ম বানিয়ে গৃহে সাজসজ্জার কাজে ব্যবহার করতে পারি।
কাগজ দিয়ে শিল্পকর্মের জন্য কাগজ ছাড়াও মোটা সুতা, সুতলি, কাগজ কাটার ধারালো ছুরি, ময়দার আঠা, বাঁশের সরু কাঠি অথবা পাট কাঠি, ছোট-বড় কাঁচি ইত্যাদির প্রয়োজন হয়।
ডিমের সরু মাথার উপর দিকে খুব সাবধানে একটি ছিদ্র করতে হবে। ছিদ্রটির ব্যাস আধা ইঞ্চির বেশি না হলেই ভালো এবং ছিদ্রটি সম্পূর্ণ গোল হবে। ছিদ্র দিয়ে একটি কাঠি ঢুকিয়ে ডিমের ভেতরের কুসুম ও অন্য জিনিসগুলো আস্তে আস্তে বের করে আনতে হবে। এরপর ডিমটি সুন্দর করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!