গীতা ও মিতা দুই বান্ধবী। মিতা ব্লক প্রিন্টের জামা পরতে খুবই পছন্দ করে। গীতা ব্লক তৈরিতে অত্যন্ত দক্ষ। অবসরে মিতা গীতার কাছে ব্লক তৈরির পদ্ধতি শিখে নেয়। সেই সাথে গীতা প্রুসিয়ান পেস্ট তৈরির জন্য উপকরণ ও তার শতকরা হিসাব বুঝিয়ে দেয় এবং রঙের প্রণালি অনুযায়ী প্রুসিয়ান পেস্ট তৈরি করে কাপড়ের ব্লক প্রিন্ট করে দেখায়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কারখানায় প্রস্তুতকৃত বস্ত্রকে গ্রে ফেব্রিক বলে।

উত্তরঃ

বস্ত্র রং করা ও ছাপার মধ্যে মূল কিছু পার্থক্য বিদ্যমান।

রং করা পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ বস্তুটিকে ধারাবাহিকভাবে একই বর্ণে একই গাঢ়ত্বে সমভাবে রঞ্জিত করে তোলা হয়। পক্ষান্তরে ছাপা পদ্ধতিতে বস্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানে এক বা একাধিক বর্ণের সমারোহ ঘটিয়ে বস্তুটিকে নকশানুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়। রংকরণের ক্ষেত্রে কম ঘনত্বের, আর ছাপার ক্ষেত্রে বেশি ঘনত্বের রং ব্যবহার করা হয়।

উত্তরঃ

শিক্ষকের আলোচনাকৃত বিষয়টি হলো ব্লকের পেস্ট তৈরিকরণ। ক্লাসে শিক্ষক ব্লকের পেস্ট তৈরি করার যে পদ্ধতিটি আলোচনা করলেন তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো: 

ব্লকের পেস্ট তৈরির ২৪ ঘন্টা আগেই আধা লিটার পানিতে ১ তোলা ফাইন গাম মিশিয়ে রাখতে হয়। এরপর পরিষ্কার পাত্রে হালকা গরম পানিতে রং গুলে ইউরিয়া সার, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, রেজিস্ট সল্ট রঙের সাথে মিশিয়ে তৈরিকৃত গামের সাথে একত্র করে মিশিয়ে ব্লকের পেস্ট তৈরি করা হয়। তবে বর্ষাকালে ইউরিয়া সার ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। ক্লাসে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে একটি ব্লক তৈরি করে আনার কাজ দিলেন। এজন্য তিনি ব্লক তৈরির পদ্ধতিটি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে শিখিয়ে দিলেন। 

শিক্ষক তাদের নিম্নলিখিত উপায়ে ব্লক তৈরি করা শিখিয়ে দিলেন। ব্লক তৈরির জন্য শিক্ষক ২-৪ ইঞ্চি পুরুত্ব বিশিষ্ট কাঠের ব্লকগুলো নির্বাচন করতে বললেন। ব্লকের আকৃতি ডিজাইনের ওপর নির্ভর করলেও লম্বায় ১২-১৬ ইঞ্চির বেশি না নেওয়ার পরামর্শ দিলেন। ব্লক তৈরির জন্য কাঠ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাবলা, গাব, লিনোলিয়াম ইত্যাদি কাঠকে বেছে নিতে বললেন। তবে তাৎক্ষণিক কাজের জন্য ঢেঁড়শ, আলু ইত্যাদিও ব্লক প্রিন্টে ব্যবহার করা যায়। ব্লক তৈরির জন্য ডিজাইনের যে অংশ কাপড়ের ওপর ফুটিয়ে তুলতে হবে সে অংশ ব্লকের ওপরে উঁচু করে রেখে বাকি অংশ গভীরভাবে কেটে তুলে ফেলতে হবে। এর ফলে কালার ট্রেতে যখন ব্লক ডুবিয়ে কাপড়ে ছাপ দেওয়া হবে, তখন কেবল ডিজাইনযুক্ত অংশেরই রং কাপড়ে ফুটে উঠবে। 

এভাবেই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ব্লক তৈরির পদ্ধতিটি শিখিয়ে দিলেন।

উত্তরঃ

গীতা প্রুসিয়ান পেস্টের উপকরণ ও শতকরা হিসাব অনুযায়ী পেস্ট তৈরি করে মিতাকে ব্লক প্রিন্ট করে দেখায়। 

ব্লক প্রিন্টিংয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুত রং ব্যবহার হয়। তবে রঙের প্রস্তুত প্রণালি জানা থাকলে পছন্দমতো রং তৈরি করে কাপড়ে ছাপ দেওয়া যায়।

গীতা পেস্ট তৈরির ২৪ ঘণ্টা আগেই আধা লিটার পানিতে ১ তোলা ফাইন গাম মিশিয়ে রাখে। এরপর পরিষ্কার পাত্রে হালকা গরম পানিতে রং গুলে ইউরিয়া সার, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, রেজিস্ট সল্ট রঙের সাথে মিশিয়ে তৈরিকৃত গামের সাথে একত্র করে মিশিয়ে নেয়। এরপর পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে ছাঁকনির সাহায্যে ছেঁকে গ্লিসারিন মিশিয়ে কাপড় প্রিন্ট করেন। এই পেস্ট দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কাজ করাই উত্তম। কেননা ৪ ঘণ্টা পর এর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। প্রিন্টিং করা হয়ে গেলে ছায়ায় এবং কিছুদিন রোদে শুকায়। প্রুসিয়ান রঙে প্রিন্ট করার পর গীতা স্টিম ও ধোলাই করে নেয়।

উপরের উল্লিখিত পদ্ধতির আলোকে গীতা মিতাকে ব্লক প্রিন্ট করে দেখায়।

137

বস্ত্রশিল্পে ছাপা রংকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারখানায় যখন বস্ত্র প্রস্তুত হয় তখন তাকে গ্রে ফেব্রিক বলে। সত্যিকার অর্থে এরূপ কত্র সরাসরি বাজারে খুব একটা ছাড়া হয় না। বত্রে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ছাপা রংকরণের পর বাজারজাত করা হয়। এতে করে বস্ত্রের আকর্ষণ ক্ষমতা ব্যবহার উপযোগিতা বৃদ্ধি পায়। রুচি প্রকাশের জন্য বস্ত্রের উপর স্থান বিশেষে বিভিন্ন রং প্রতিফলিত করার প্রণালিকে বস্ত্র ছাপা বলে। পদ্ধতিতে কাপড়ের উপর রং বেরং এর নকশা তৈরি করে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তোলা হয়। ব্লক, বাটিক, স্ক্রিন, স্টেনসিল, রোলার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতিতে বরে ছাপার কাজ করা যেতে পারে। অন্যদিকে রংকরণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাপড়টি রঙের দ্রবণে ডুবিয়ে সব জায়গায় সমানভাবে রং লাগিয়ে দেওয়া হয়। রংকরণের প্রক্রিয়াটি কর তৈরির পূর্বে অর্থাৎ তত্ত্ব বা সুভার মধ্যেও প্রয়োগ করা যেতে পারে। আবার অনেক সময় টাই-ডাই পদ্ধতিতে সুকৌশলে কাপড়টি বেঁধে রঙের দ্রবণে ডোবালেও সুন্দর একটি নকশা কাপড়ে ফুটিয়ে তোলা যায়

Related Question

View All
উত্তরঃ

বস্ত্র রং করা ও ছাপার মধ্যে মূলগত কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। রং করা পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ বস্তুটিকে ধারাবাহিকভাবে একই বর্ণে ও গাঢ়ত্বে সমভাবে রঞ্জিত করে তোলা হয়। পক্ষান্তরে ছাপা পদ্ধতিতে বস্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানে এক বা একাধিক বর্ণের সমারোহ ঘটিয়ে বস্তুটিকে নকশানুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়। রংকরণের ক্ষেত্রে কম ঘনত্বের, আর ছাপার ক্ষেত্রে বেশি ঘনত্বের রং ব্যবহার করা হয়।

1.5k
উত্তরঃ

তরুর কাপড়গুলো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকার কারণ হলো সঠিক পদ্ধতিতে ব্লক না করা। 

তরু প্রুসিয়ান রং দিয়ে কাপড়ে ব্লক প্রিন্ট করে। এ পদ্ধতিতে রং ভালোভাবে ব্লকে লাগিয়ে কাপড়ের উপর ছাপ দিলেই ছাপা হয়ে যায়। রঙের প্রস্তুত প্রণালি জানা থাকলে নিজের পছন্দমতো রং তৈরি করে ছাপ দেয়া যায়। তবে প্রিন্ট করার পর প্রুসিয়ান রঙের ক্ষেত্রে কাপড় স্টিম ও ধোলাই করতে হয়। স্টিমিং এর জন্য একটি হাঁড়িতে পানি ফুটাতে হয়। এরপর চট দিয়ে কাপড়টি ঢেকে হাঁড়ির উপর একটি চালনি বসিয়ে তার উপর কাপড়টি রেখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে স্টিমিং করা হয়। 

তরু এ সকল পর্যায়গুলো অতিক্রম না করে শুধু রং করেই তার দোকানে কাপড়গুলো নিয়ে যাওয়ায় এগুলো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকে।

540
উত্তরঃ

কাপড় ব্যবসায়ী তরু সচেতনতার অভাবে ব্যবসায় সাফল্য অর্জন করতে পারছে না। তাই তাকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। তরু কাপড়ের ব্যবসা করলেও কোন কাপড় কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান রাখেন না। ব্যবসায় সফলতার জন্য প্রয়োজন এ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান।

তরু প্রুসিয়ান রং দিয়ে ব্লক করা কাপড়গুলো স্টিম ও ধোলাই না করে সরাসরি দোকানে নিয়ে আসে। ফলে তার কাপড়গুলো অবিক্রিত অবস্থায় দোকানেই রয়ে যায়। তিনি যদি এ বিষয়ে সচেতন থাকতেন তবে কাপড়ে রং করার পর সেগুলো হাঁড়িতে পানি গরম করে চট দিয়ে ঢেকে হাঁড়ির উপর একটি চালনি বসিয়ে কাপড়টি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে স্টিমিং করতেন। তাহলে তার রং করা কাপড়গুলো ঠিক থাকত এবং দোকানে অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকত না। তরু যদি ব্যবসার ক্ষেত্রে আরও একটু সচেতন হয় তবেই সে তার এসকল ভুল সংশোধন করতে এবং ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে পারবে বলে আমি মনে করি। 

তাই বলা যায় ব্যবসায় সাফল্যের জন্য তরুকে আরো সচেতন হতে হবে- মন্তব্যটি যথার্থ।

516
উত্তরঃ

বস্ত্র রং করা ও ছাপার মধ্যে মূলগত কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। রং করা পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ বস্তুটিকে ধারাবাহিকভাবে একই বর্ণে ও গাঢ়ত্বে সমভাবে রঞ্জিত করে তোলা হয়। পক্ষান্তরে ছাপা পদ্ধতিতে বস্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানে এক বা একাধিক বর্ণের সমারোহ ঘটিয়ে বস্তুটিকে নকশানুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়। রংকরণের ক্ষেত্রে কম ঘনত্বের, আর ছাপার ক্ষেত্রে বেশি ঘনত্বের রং ব্যবহার করা হয়।

302
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews