গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সরকার রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য এবং সকল কাজ সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ইঞ্জিন ছাড়া গাড়ি যেমন চলতে পারে না, তেমনি সরকার ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না। রাষ্ট্রের আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ভূমিকা অপরিসীম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকারব্যবস্থার পরিবর্তন যুগে যুগে ঘটেছে। রাষ্ট্রের শুরু থেকেই সরকারের ধরন ও ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান যুগে সরকার বিভিন্ন নীতি ও কাঠামোর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এ কারণে সরকারের শ্রেণিবিভাগও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্র। গণতন্ত্রে জনগণই ক্ষমতার উৎস এবং তারা ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে। অন্যদিকে, একনায়কতন্ত্রে এক ব্যক্তি বা দলের শাসন চলে এবং জনগণের মতামতের কোনো পুরুত্ব থাকে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্র হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে। জনগণ তাদের পছন্দের রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকার গঠন করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে। এটি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে প্রচলিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্র হলো এক ব্যক্তির বা এক দলের শাসনব্যবস্থা। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের কোনো স্বীকৃতি থাকে না। শাসকের ইচ্ছাই আইন হিসেবে কার্যকর হয়। এটি গণতন্ত্রের বিপরীত একটি শাসনব্যবস্থা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্রে, ক্ষমতা এক ব্যক্তির বা এক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের গুরুত্ব থাকে না। একনায়ক বা দল ইচ্ছামতো রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এই শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতার ভিত্তিতে সরকার দুই ভাগে বিভক্ত। যথা- রাজতান্ত্রিক সরকার এবং প্রজাতান্ত্রিক সরকার। রাজতন্ত্রে রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকারসূত্রে ক্ষমতা লাভ করেন। প্রজাতন্ত্রে রাষ্ট্রপ্রধান জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাজতান্ত্রিক সরকার হলো এমন সরকারব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকারসূত্রে ক্ষমতা লাভ করেন। বর্তমান বিশ্বে দুই/একটি ব্যতিক্রম ছাড়া সরাসরি রাজতান্ত্রিক সরকার খুব একটা নেই। যেমন- সৌদি আরব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাজতন্ত্র গঠিত হয় উত্তরাধিকারসূত্রে। রাজপরিবারের উত্তরাধিকারীরা রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব পান। বর্তমান যুগে সরাসরি রাজতন্ত্র খুব কম দেখা যায়। তবে ঐতিহ্য ধরে রাখতে অনেক দেশে নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র চালু রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রজাতান্ত্রিক সরকার হলো এমন সরকারব্যবস্থা যেখানে জনগণের ভোটে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হন। এটি জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক মনে করে। প্রজাতন্ত্রে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে শাসন পরিচালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতা বণ্টনের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো- এককেন্দ্রিক সরকার এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার। এককেন্দ্রিক সরকারে কেন্দ্রে সমস্ত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে, আর যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এককেন্দ্রিক সরকার হলো এমন সরকারব্যবস্থা যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সমস্ত ক্ষমতা থাকে। প্রদেশ বা অঞ্চলগুলোর ওপর কেন্দ্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকে। বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকারপ্রচলিত আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার হলো এমন সরকারব্যবস্থা যেখানে কেন্দ্র এবং প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি করা হয়। সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশের ক্ষমতা নির্ধারিত থাকে। এই সরকারব্যবস্থা সাধারণত বৃহৎ ও বৈচিত্র্যময় দেশগুলোতে প্রচলিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করা হয়। সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশের দায়িত্ব নির্ধারিত থাকে। এটি প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় উভয় সরকারই মৌলিক ক্ষমতার অধিকারী হয় এবং স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্বাধীন ও স্বতন্ত্র থেকে দেশ পরিচালনা করে। অর্থাৎ এতে দ্বৈত সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আইন ও শাসন বিভাগের সম্পর্কের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সরকার দুইভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো- সংসদীয় সরকার এবং রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার। সংসদীয় সরকারে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের কাছে দায়ী থাকে, আর রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংসদীয় সরকার হলো এমন শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল এবং সংসদের কাছে দায়বদ্ধ। সংসদ সদস্যদের দ্বারা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী সংসদকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংসদীয় সরকারে শাসন বিভাগ সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে। সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী সংসদকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল। এটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার হলো এমন শাসনব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রপতি সরাসরি শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিপরিষদ নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল নয়। এটি স্বাধীনভাবে শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারে রাষ্ট্রপতি সরাসরি শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এখানে রাষ্ট্রপতি আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল নয়। শাসন বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করে। এটি শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র নেতৃত্ব প্রদান করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে প্রজাতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। এ পদ্ধতিতে জনগণ রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে বিবেচিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার কাজ একটি কেন্দ্র থেকেই সম্পন্ন করা হয়। এই 'ব্যবস্থায় সংসদীয় মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার কার্যকর থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। এখানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাহীপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকে এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন কার্যসম্পাদন করে। এ পদ্ধতিতে আইনসভার প্রাধান্য বিদ্যমান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে একজন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান বা নির্বাহী প্রধান হিসেবে কাজ করেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদের নেতৃত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের বৈশিষ্ট্য হলো আইনসভার প্রাধান্য এবং কার্যসম্পাদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদের দায়বদ্ধতা। মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার নির্দেশনা অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্যপরিচালনা করে। এটি গণতান্ত্রিক নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। ১৯৭২ সালের সংবিধান এবং পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী এই মূলনীতিগুলো নির্ধারিত হয়েছে। সংবিধানে প্রতিটি নাগরিককে এই নীতিগুলো মানার কথা বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাঙালি জাতির ভাষা, সাহিত্য এবং সংস্কৃতি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি গঠন করেছে। এই ঐক্য বাঙালির সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করেছে। সংবিধানে বাঙালির ঐক্য ও সংহতিকে জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সমাজতন্ত্রের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমতা আনার পাশাপাশি সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। এটি শোষণমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। এর লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য দূর করে সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন। এজন্য সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রের একটি মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্রের লক্ষ্য হলো নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে জনগণের রাষ্ট্র পরিচালনায় সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এটি মানুষের মর্যাদা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করে। গণতন্ত্র রাষ্ট্রের সকল কাজে জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিটি নাগরিককে তার ধর্ম স্বাধীনভাবে 'পালন করার অধিকার দেয়। এটি নিশ্চিত করে যে রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবে না। ধর্মনিরপেক্ষতার মাধ্যমে সমাজে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বজায় থাকে। এটি ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন রোধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার পবিত্র দলিল। এটি দেশের মৌলিক আইন ও নীতি নির্দেশ করে। সংবিধান মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। এটি জাতির ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং সুশাসন নিশ্চিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধানে জাতীয়তাবাদ বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি একই ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে গঠিত। জাতীয়তাবাদ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধর্মনিরপেক্ষতা রাষ্ট্রে শান্তি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন এবং সংঘাত রোধ করে। রাষ্ট্রের সকল ধর্মীয় গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করে এবং সহনশীলতার পরিবেশ তৈরি করে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধানের মূলনীতিগুলো রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এগুলো দেশের ঐক্য, সুশাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। নাগরিকদের এই নীতিগুলো মেনে চলা রাষ্ট্রের উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। এর ফলে সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। এ কারণে সংবিধানের মূলনীতিগুলো মেনে চলা প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সব নিয়মের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় তাকে সংবিধান বলে। সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল। এটি রাষ্ট্রের কাঠামো, নাগরিক অধিকার এবং সরকারের কার্যক্রম পরিচালনার নীতিমালা নির্ধারণ করে। বাংলাদেশের সংবিধানে সরকার কেমন হবে এবং নাগরিকদের অধিকার কী হবে তা লিপিবদ্ধ আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধানকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল বলা হয় কারণ এটি রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা পরিচালনার মৌলিক নীতিমালা প্রদান করে। এতে সরকারের কাঠামো, নাগরিকদের অধিকার ও দায়িত্ব লিপিবদ্ধ থাকে। সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার নিয়মকানুন নিশ্চিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান রচনার কাজ ১৯৭২ সালের ১০ই এপ্রিল গণপরিষদে শুরু হয়। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ছয় মাসে সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করা হয়। ১৯৭২ সালের ৩০শে অক্টোবর এটি আলোচনা শেষে ৪ঠা নভেম্বর চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে আলোচনা শেষে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি ছয় মাসে খসড়া তৈরি করে। এটি ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর কার্যকর হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন করা হয়। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার চাহিদা মেটাতে এবং জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে করা হয়। সংবিধানের সংশোধনের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি, পায়। তবে অনেক সময় তা অগণতান্ত্রিকভাবে আনা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার, সংসদীয় পদ্ধতির শাসন, লিখিত সংবিধান, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি এবং মৌলিক অধিকার। এছাড়াও এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হলো ইসলাম। তবে সংবিধানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মের অনুসারীদের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রাখার জন্য সংবিধানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ঐক্য রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে এবং তারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সংবিধানের মাধ্যমে জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি গণতন্ত্রের মূলভিত্তি স্থাপন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক অধিকার হলো নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার, যা রাষ্ট্র কর্তৃক সুরক্ষিত। এগুলোর মধ্যে জীবনধারণের অধিকার, চলা ফেরার অধিকার, বাকস্বাধীনতার অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার, শিক্ষা ও সমান অধিকারের নিশ্চয়তা অন্তর্ভুক্ত। এই অধিকার নাগরিকের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় সহায়তা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। এই শর্ত সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে সাহায্য করে। সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধানে ১৮ বছর বা তার অধিক বয়সের সকল নাগরিককে ভোটাধিকার দেওয়া হয়েছে। এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সমান সুযোগ নিশ্চিত করে। সর্বজনীন ভোটাধিকার জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটায়। এটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এককেন্দ্রিক সরকার হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে দেশের সব শাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের কোনো প্রদেশ বা রাজ্য নেই, তাই শাসনকাজ এককেন্দ্রিকভাবে পরিচালিত হয়। এতে প্রশাসন সহজ ও কার্যকর হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংসদীয় পদ্ধতির সরকারে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দায়িত্বে থাকেন এবং সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। আইনসভার প্রাধান্য এবং শাসন বিভাগের সংসদের কাছে জবাবদিহি এ পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধানের মৌলিক লক্ষ্য হলো রাষ্ট্র পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কাঠামো প্রদান। এটি নাগরিকদের অধিকার, সরকারের দায়িত্ব এবং আইন প্রণয়নের দিকনির্দেশনা দেয়। সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনি দলিল যা সার্বিক শাসনব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ ভেঙে গেলে একই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। এ নিয়মের মাধ্যমে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো সরকার। এটি রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। সরকার আইন প্রণয়ন, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণেও এটি ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকার ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না কারণ এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে। সরকারের মাধ্যমেই আইন প্রণয়ন, শাসনকার্য এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হয়। জনগণের মৌলিক চাহিদা মেটানো, অধিকার সংরক্ষণ এবং আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি প্রদানেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ৩০০ জন সরাসরি নির্বাচিত এবং ৫০টি সংরক্ষিত আসনে মহিলা সদস্যরা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন। সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর এবং স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যরা ৩০০টি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন। তবে তারা সরাসরি নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এভাবে তারা সংসদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তিনটি অঙ্গ হলো আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ। আইন বিভাগ জাতীয় সংসদের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করে। শাসন বিভাগ আইন বাস্তবায়ন ও দেশ পরিচালনা করে। বিচার বিভাগ সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন প্রণয়ন ও তা সংশোধন করা। এটি সরকারের আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় বাজেট অনুমোদন করে। এছাড়া সংবিধান প্রণয়ন, পরিবর্তন এবং সংশোধন করে। এছাড়া দেশের জাতীয় তহবিলের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শাসন বিভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আইন বাস্তবায়ন এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখে। এটি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং 'আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে। এছাড়া প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শাসন বিভাগে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, মন্ত্রিপরিষদ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত। এরা আইন বাস্তবায়ন, শান্তি বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের কাজ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শাসন বিভাগ আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন বাস্তবায়ন করে। এটি আইন অনুসারে দেশের শাসন কার্য পরিচালনা এবং নীতি নির্ধারণ করে। আইন বিভাগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করাই শাসন বিভাগের মূল দায়িত্ব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শাসন বিভাগ আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিক সেবা প্রদান করে। এটি নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য সরকারি সেবার কার্যক্রম পরিচালনা করে। এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিচার বিভাগের প্রধান কাজ হলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং আইন অনুযায়ী বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা। এটি সংবিধান রক্ষা, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে। এছাড়া সংবিধানের বিভিন্ন ধারা ব্যাখ্যা এবং মামলার নিষ্পত্তি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ। এর প্রধান বিচারপতিসহ বিচারপতিগণ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিযুক্ত হন। তারা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুশাসন নিশ্চিত করে এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখে। এটি সংবিধান ও আইন অনুযায়ী অপরাধ দমন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। বিচার বিভাগ স্বাধীন থাকলে রাষ্ট্রের আইনসঙ্গত কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা আপিল এবং হাইকোর্ট বিভাগে বিচার কার্য পরিচালনা করেন। তারা সংবিধানের ধারা ব্যাখ্যা এবং নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ করেন। তাদের রায় দেশের আইন ব্যবস্থায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ নিম্ন আদালতের রায় পর্যালোচনা এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করে। এটি দেশের উচ্চতর আদালত হিসেবে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ কর্তৃত্বপ্রাপ্ত অংশ। আপিল বিভাগের রায় দেশের আইন ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ে শাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। এটি জনগণের স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চাপ কমায়। স্থানীয় সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করে। এটি কেন্দ্রীয় সরকারের কাজে সাহায্য করে এবং জনগণের প্রয়োজন মেটায়। স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে এটি দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গ্রামাঞ্চলের স্থানীয় সরকার কাঠামো তিনটি স্তরে বিভক্ত। এগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ। প্রতিটি স্তর স্থানীয় শাসন ও উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শহরাঞ্চলের স্থানীয় সরকার কাঠামো দুই স্তরে বিভক্ত। এগুলো হলো পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশন। ছোট শহর এলাকাগুলোতে পৌরসভা এবং বড় শহরগুলোর জন্য সিটি কর্পোরেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই কাঠামো স্থানীয় শাসন ও নাগরিক সেবার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গ্রামাঞ্চলের স্থানীয় সরকার তিন স্তরে বিভক্ত। যেমন-ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ। শহরাঞ্চলের স্থানীয় সরকার দুই স্তরে বিভক্ত। যেমন- পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন। গ্রামাঞ্চল গ্রামীণ উন্নয়নে এবং শহরাঞ্চল শহরের উন্নয়ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদে মোট ১৩ জন সদস্য থাকে। এর মধ্যে ১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য অন্তর্ভুক্ত। এই সদস্যরা স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ এলাকার সেবায় নিয়োজিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান কাজ হলো গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। এটি রাস্তা নির্মাণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি স্থানীয় জনগণের সমস্যার দ্রুত সমাধানে কাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উপজেলা পরিষদ স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে। এটি ইউনিয়ন পরিষদ ও. পৌরসভার কার্যক্রম সমন্বয় করে। এছাড়া এটি স্থানীয় সমস্যার সমাধান এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জেলা পরিষদের সদস্যরা পরোক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন'। নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলররা ভোট দিয়ে সদস্যদের নির্বাচন করেন। চেয়ারম্যানসহ ২০ জন সদস্য জেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান দায়িত্ব হলো শহরের উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা। এটি রাস্তা নির্মাণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি সরবরাহ এবং পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করে। শহরের নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করাই এর প্রধান লক্ষ্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পৌরসভার প্রধান হলেন মেয়র। তার দায়িত্ব হলো পৌর এলাকার সুশাসন নিশ্চিত করা, অবকাঠামো উন্নয়ন করা এবং নাগরিক সেবা প্রদান করা। পৌরসভা ছোট শহরের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকারের প্রতিটি স্তরের কাজ পরিচালনার মেয়াদ পাঁচ বছর। এই সময়ের মধ্যে তারা স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে। এছাড়া এটি স্থানীয় জনগণের স্বার্থে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকারের প্রধান কাজ হলো স্থানীয় পর্যায়ের শাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা। এটি জনহিতকর ও উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখে এবং জনগণের প্রয়োজন মেটায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদের কাজগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এলাকাবাসীর জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসা, গরিব ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান এবং সামাজিক সমস্যার সমাধানেও এটি ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জেলা পরিষদের প্রধান কাজ হলো জেলার উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করা। এতে রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অনাথ আশ্রম ও গ্রন্থাগার নির্মাণ এবং পানি সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পৌরসভার প্রধান দায়িত্ব হলো বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রি নিশ্চিত করা এবং শহরের পরিবেশ রক্ষা করা। এছাড়া রাস্তা নির্মাণ, গাছ লাগানো, পার্ক ও উদ্যান প্রতিষ্ঠা এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কাজও এর অন্তর্ভুক্ত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সিটি কর্পোরেশনের কাজের মধ্যে রয়েছে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, ঘরবাড়ি নির্মাণের তত্ত্বাবধান, যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং রাস্তার দুই পাশে গাছ লাগানো। এছাড়া শহরের পরিবেশ সংরক্ষণ ও পার্ক নির্মাণেও এটি ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি কেন্দ্রীয় সরকারের চাপ কমিয়ে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। এটি জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করে এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে শক্তিশালী করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পৌরসভা ছোট শহরাঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে, আর সিটি কর্পোরেশন বড় শহরের উন্নয়ন কাজ করে। সিটি কর্পোরেশন তুলনামূলকভাবে বৃহত্তর দায়িত্ব পালন করে এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে কাজ পরিচালনা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন হলো এমন একটি সরকারব্যবস্থা যা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করে। এতে দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে প্রশাসনের প্রতিটি বিভাগ দায়িত্বশীল হয়। ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ বড়ো করে দেখা হয়। এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকদের মধ্যে আস্থা ও সমঝোতা বৃদ্ধি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান নিয়ামক হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং মানবাধিকার। এগুলোর মাধ্যমে জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হয়। দায়িত্বশীল প্রশাসন ও ন্যায্য নীতি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দুর্নীতি সুশাসনের বড় প্রতিবন্ধক কারণ এটি প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নষ্ট করে। জনগণ সুবিচার ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়। দুর্নীতির কারণে সরকারি কার্যক্রমে অগ্রগতি ব্যাহত হয় এবং জনগণের আস্থা কমে যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের সচেতন হওয়া এবং সরকারের কার্যক্রমে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। নিজেদের আচরণে দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে হবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসনের অভাবে প্রশাসনিক অদক্ষতা, দুর্নীতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখা দেয়। জনজীবনে সুবিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। তাছাড়া এটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জবাবদিহিতা প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ করে তোলে। এর ফলে জনগণ সরকারের কার্যক্রমে আস্থা পায়। এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এবং রাষ্ট্রের সঠিক পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন দারিদ্র্য দূরীকরণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমান উন্নত করে। এটি প্রশাসনকে দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত করে তোলে। এর মাধ্যমে দেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে শক্তিশালী হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসনের অভাবে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে এবং জনগণের অধিকার রক্ষা হয় না। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সরকারের প্রতি আস্থা হ্রাস করে। এটি নাগরিক স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান বাধাগুলো হলো দুর্নীতি, প্রশাসনের জবাবদিহিতার অভাব এবং স্বজনপ্রীতি। এছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অদক্ষ নীতি বাস্তবায়নও বাধা সৃষ্টি করে। এগুলো প্রশাসনিক কার্যক্রমে অগ্রগতি ব্যাহত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সরকারব্যবস্থায় কেন্দ্রের হাতে ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকারের যে অঙ্গ বা বিভাগ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধান ও আইন অনুযায়ী বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তা-ই বিচার বিভাগ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সরকারব্যবস্থায় উৎপাদনের সকল উপাদান (ভূমি, শ্রম, মূলধন ও ব্যবস্থাপনা) রাষ্ট্রীয় মালিকানায় থাকে, তাই সমাজতন্ত্র।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকার হলো স্থানীয় পর্যায়ে শাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারব্যবস্থা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকারসূত্রে ক্ষমতা লাভকরেন তাকে রাজতন্ত্র বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে রাষ্ট্র বা সরকারব্যবস্থা সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস তাকে গণতন্ত্র বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সরকার দেশ পরিচালনায় সাংবিধানিক এবং আইনগত বিধিমালার অধীনে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে, নাগরিক অধিকার রক্ষায় ও জনকল্যাণে সবচেয়ে বেশি সফলতার পরিচয় দেয় তাই সুশাসন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় সরকার কাঠামো তিন স্তরবিশিষ্ট।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে সরকারকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর কার্যকর হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদের সংখ্যা ৪৯৫টি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গ্রেট ব্রিটেনের অতীত ঐতিহ্য ধরে রাখার শাসনব্যবস্থার নাম হলো নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান চারটি। যথা- ১. জনসমষ্টি, ২. নির্দিষ্ট ভূখন্ড, ৩. সরকার ও ৪. সার্বভৌমত্ব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি সরকার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে দেশে ৪,৫৭৮টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করার ক্ষমতা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শেরে বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল হলো সংবিধান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

৩৫০ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

৩৫০ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ১২টি মহানগর রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি চারটি। যথা- জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনা একটি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের ভোটে সংবিধান সংশোধন করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে সরকার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্র পরিচালনার সকল কাজ সরকারের মাধ্যমে সাধিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্র হচ্ছে এক ব্যক্তির বা এক দলের শাসন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্রে একনায়ক বা এক দলের ইচ্ছা-অনিচ্ছা দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জনগণের ভোটে যে সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হন সে সরকার হলো প্রজাতান্ত্রিক সরকার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সরকারব্যবস্থার সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়, তাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমতা আনার মাধ্যমে সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই হলো সমাজতন্ত্রের মূল লক্ষ্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান এ যাবৎ ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী (সপ্তদশ) পাস হয় ৮ই জুলাই ২০১৮।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থায় প্রকৃত শাসন ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকারের কাজগুলো সম্পাদনের জন্য তিনটি বিভাগ রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকারের বিভাগগুলো হলো- ১. আইন বিভাগ, ২. শাসন বিভাগ ও ৩. বিচার বিভাগ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শেরে বাংলানগরে অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ কেন্দ্র হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংসদের ৩০০ জন সদস্য নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আইনসভার প্রধান কাজ হলো রাষ্ট্রের সাধারণ আইন তৈরি ও পরিবর্তন করা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শাসন বিভাগ বলতে রাষ্ট্রের শাসন কাজে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বোঝায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচাপতিকে নিয়োগ দেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকার মূলত স্থানীয় সমস্যা স্থানীয়ভাবে সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো চালু আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক বা সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৬১টি জেলা পরিষদ রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একজন চেয়ারম্যান এবং ২০ জন সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে দেশে ৩৩১টি পৌরসভা আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ১২টি সিটি কর্পোরেশন আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন হচ্ছে এমন এক ধরনের শাসন কৌশল যার মাধ্যমে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি রোধ হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন কাজ সম্পাদনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সুশাসনের নিয়ামক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার গঠিত হয়, সেই রাষ্ট্রের জনগণের ভোটের মাধ্যমে। আর গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে। ফলে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দ অনুযায়ী সরকার বানাতে পারে অথবা সরকারের পদ থেকে যে কাউকে সরিয়ে দিতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সরকারব্যবস্থায় শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বলে। এতে মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসন ক্ষমতা থাকে। এই শাসনব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য বিদ্যমান। মন্ত্রিপরিষদ যেকোনো নির্বাহী কার্য সম্পাদনের জন্য আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিজেকে কোনো জাতির অন্তর্ভুক্ত জ্ঞান করা, সেই জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, বিকাশ, অগ্রগতি, ভৌগোলিক অবস্থান, আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদির সঙ্গে একাত্মবোধ করা এবং সংশ্লিষ্ট জাতির ঐতিহ্য, মূল্যবোধ, স্বকীয়তার রক্ষা ও বিকাশে বিশ্বাসী হওয়ার মধ্য দিয়েই জাতীয়তাবাদের প্রকাশ ঘটে। মূলত জাতীয়তবাবাদ হলো কোনো জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ইত্যাদির সাথে একাত্মবোধ করা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধানে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে এবং মানুষের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধা প্রতিষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রের সব কাজে নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই হলো গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি করার একটি প্রধান উদ্দেশ্য। রাষ্ট্রের সকল স্তরে নির্বাচনের মাধ্যমে নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিজেদের স্থানীয় ও জাতীয় সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে সেজন্যই গণতন্ত্রকে মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মূলনীতি হিসেবে 'ধর্মনিরপেক্ষতা' বলতে বোঝানো হয়েছে যে, রাষ্ট্র সর্বপ্রকার সম্প্রিদায়িকতা মুক্ত থাকবে; রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না; কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তার উপর নিপীড়ন করা যাবে না ইত্যাদি। কাজেই বলা যায়, "ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়।"

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমাজ থেকে সবধরনের সাম্প্রদায়িকতা দূরীকরণ, রাজনীতির নামে ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ ও কোনো ধর্মের প্রতি বা অন্য কোনো ধর্মের অনুসারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য না করার জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে এবং কেউ যাতে কারও ধর্মপালনে বাধা না দিতে পারে সেজন্য ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধান হলো সেই সমস্ত মৌলিক নিয়মকানুনের সমষ্টি যা শাসন পরিচালনার নীতিনির্ধারণ করে, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ক্ষমতা, কার্যাবলি এবং শাসক-শাসিতের সম্পর্ক নির্ধারণ ও শাসিতের অধিকার সংরক্ষণ করে থাকে। সংবিধানের মাধ্যমে জনগণের অধিকারই শুধু রক্ষা পায় না বরং রাষ্ট্রের সরকারের ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব প্রয়োগের সীমানাও সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। একটি দেশকে তার সংবিধানের মাধ্যমেই জানা যায়। এসব কারণেই সংবিধানকে রাষ্ট্র পরিচালনার দলিল বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল। একটি ভবন বা ইমারত যেমন এর নকশা দেখে তৈরি করা হয়, তেমনি সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা 'পরিচালিত হয়। সরকার কী ধরনের হবে, নাগরিক হিসেবে আমরা কী অধিকার ভোগ করব, সরকারের বিভিন্ন বিভাগ কী ক্ষমতা ভোগ করবে, তার সবকিছুই এতে লিপিবদ্ধ থাকে বলে যেকোনো দেশের জন্য সংবিধান জরুরি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্রে সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে। এতে জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস। জনগণ তাদের পছন্দের রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনা করে। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এ ধরনের সরকার রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরকার ব্যতীত রাষ্ট্র পরিচালনা করা সম্ভব নয় বলে সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি বলা হয়। সরকার রাষ্ট্র গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সরকারের রয়েছে কিছু অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। এগুলোর মাধ্যমে রাষ্ট্রের নানামুখী কার্যাবলি পরিচালনা করে থাকে সরকার। এ কারণেই সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় পর্যায়ে শাসন ও উন্নয়ন কর্মকান্ড পারিচালনার জন্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থাই হলো স্থানীয় সরকার। বর্তমানে রাষ্ট্রের আয়তন বড় ও লোকসংখ্যা বেশি হওয়ায় কেন্দ্রে বসে সরকার সকল আঞ্চলিক সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তাই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সরকার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানকালে রাষ্ট্রের আয়তন বড় ও লোকসংখ্যা বেশি হওয়ায় কেন্দ্রে বসে সরকারের পক্ষে আঞ্চলিক সক্ল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ কমে। স্থানীয় সমস্যার সমাধানও সহজ হয়। এ কারণে স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'সু' উপসর্গযোগে 'সুশাসন' শব্দটি গঠিত হয়েছে। 'সু' অর্থ ভালো, উত্তম, উৎকৃষ্ট, সুন্দর, মধুর ইত্যাদি। অতএব সুশাসন হলো ন্যায়নীতি অনুসারে উত্তমরূপে, সুষ্ঠুভাবে ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেশ বাঃ রাষ্ট্র শাসন। সুশাসন হলো একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতিফলন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সরকারব্যবস্থা হলো গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা। গণতান্ত্রিক সরকারকে পরিচালনার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হলো সুশাসন। কারণ সুশাসনে সুস্পষ্টভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব-কর্তব্য, রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পর্ক, জনগণের দায়িত্ব-কর্তব্য ইত্যাদি বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে স্থান পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সত্যিকার অর্থে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। কারণ সুশাসনের অভাব আমাদের দেশের অগ্রগতির সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। এর ফলে একদিকে দেশের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। দেশ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও আইন প্রণয়ন করেছে। এগুলো মানতে হবে এবং বাস্তবায়নে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। কোনোভাবেই দেশের স্বার্থকে বিসর্জন দেওয়া যাবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
145

রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান । সরকার রাষ্ট্র গঠনের একটি উপাদান। পৃথিবীর প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নিজস্ব সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। আবার প্রতিটি সরকারের রয়েছে কিছু অঙ্গ । এগুলোর মাধ্যমে রাষ্ট্র নানামুখী কাজ করে থাকে। রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সংবিধানে উল্লিখিত নীতিমালার ভিত্তিতে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়। এতে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার বিবরণ রয়েছে। 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

• সরকার পদ্ধতির ধরন সংক্ষেপে বর্ণনা করতে পারব;

• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণনা করতে পারব;

• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করব ;  সংক্ষিপ্ত রূপরেখা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব;

• বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামো ও কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব;

• বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের সুশাসনের জন্য গৃহীতসুশাসনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে

• কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সরকার রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য এবং সকল কাজ সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ইঞ্জিন ছাড়া গাড়ি যেমন চলতে পারে না, তেমনি সরকার ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না। রাষ্ট্রের আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ভূমিকা অপরিসীম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
269
উত্তরঃ

সরকারব্যবস্থার পরিবর্তন যুগে যুগে ঘটেছে। রাষ্ট্রের শুরু থেকেই সরকারের ধরন ও ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান যুগে সরকার বিভিন্ন নীতি ও কাঠামোর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এ কারণে সরকারের শ্রেণিবিভাগও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
179
উত্তরঃ

সরকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্র। গণতন্ত্রে জনগণই ক্ষমতার উৎস এবং তারা ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে। অন্যদিকে, একনায়কতন্ত্রে এক ব্যক্তি বা দলের শাসন চলে এবং জনগণের মতামতের কোনো পুরুত্ব থাকে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
248
উত্তরঃ

গণতন্ত্র হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে। জনগণ তাদের পছন্দের রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকার গঠন করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে। এটি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে প্রচলিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
496
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্র হলো এক ব্যক্তির বা এক দলের শাসনব্যবস্থা। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের কোনো স্বীকৃতি থাকে না। শাসকের ইচ্ছাই আইন হিসেবে কার্যকর হয়। এটি গণতন্ত্রের বিপরীত একটি শাসনব্যবস্থা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
260
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্রে, ক্ষমতা এক ব্যক্তির বা এক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের গুরুত্ব থাকে না। একনায়ক বা দল ইচ্ছামতো রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এই শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
345
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews