গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।

উত্তরঃ

প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।

উত্তরঃ

মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।

উত্তরঃ

যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে অনেক নদ-নদী, খাল-বিল ও দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর রয়েছে। এসব খাল-বিল, নদ-নদীতে রয়েছে প্রচুর মিঠা পানির মাছ। এছাড়া সামুদ্রিক মাছও আমাদের খাদ্যের চাহিদা পূরণ করছে। মাছ ধরে বহু মানুষ জীবিকা অর্জন করে।

উত্তরঃ

যে সকল পোষা 'পশুপাখি মানুষের গার্হস্থ্য জীবনযাত্রার প্রয়োজনে ব্যবহার হয় এবং যাদের দ্বারা উপকার লাভ করা যায় তাকে প্রাণিসম্পদ বলে। আমাদের গৃহপালিত প্রাণিসম্পদের মধ্যে রয়েছে-গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি প্রভৃতি। এছাড়াও রয়েছে নানা প্রজাতির প্রচুর পাখি।

উত্তরঃ

সমৃদ্র থেকে আমরা যে সম্পদ আহরণ করি তাকে বলে সমুদ্রসম্পদ। বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চল জুড়ে বঙ্গোপসাগর। সাগর তীরে গড়ে উঠেছে চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর। সাগরের পানি থেকে আমরা লবণ উৎপন্ন করি। তাছাড়া সাগর থেকে আহরণ করি প্রচুর মাছ।

উত্তরঃ

প্রাচীনকালে মানুষ বন থেকে ফলমূল সংগ্রহ করত এবং পশু শিকার করে তার মাংস খেত। তারপর তারা ফসল ফলাতে শেখে এবং কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থা তৈরি করে। খাদ্য ও অন্যান্য পণ্য উৎপাদন, বণ্টন ও ভোগকে কেন্দ্র করেই মানুষের আর্থসামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।

উত্তরঃ

প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে মধ্যযুগ পর্যন্ত মানুষ যেসব সম্পদ ব্যবহার করেছে তার 'সবটাই ছিল প্রাকৃতিক। আধুনিকালে মানুষ কয়লা, লোহা, পাথর, স্বর্ণ, রৌপ্য, গ্যাস ইত্যাদি খনিজ পদার্থ উত্তোলন করতে শিখেছে। প্রকৃতির সম্পদকে দক্ষতার সাথে ব্যবহার করে তৈরি করছে অনেক আধুনিক যন্ত্র। এভাবেই মানুষ নিজেদের আর্থসামাজিক অবস্থাকে দ্রুত উন্নত করেছে।

উত্তরঃ

সীমিত সম্পদ বলতে বোঝায় সম্পদের অপ্রতুলতা। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত। অন্যদিকে, সম্পদের তুলনায় দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। এজন্য যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করতে হবে।

উত্তরঃ

আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। এদেশের মাটি খুব উর্বর। এই উর্বর মাটি যথাযথভাবে ব্যবহার করলে কৃষি উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। অন্যদিকে, শিল্পায়নও করতে হবে পরিকল্পিতভাবে। কৃষিকাজে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে উৎপাদন বাড়বে এবং 'নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

উত্তরঃ

বর্তমানে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি ও মৎস্য এই তিন ধরনের প্রাণিজ সম্পদেরই ব্যবহার বেড়েছে। এর ফলে সুষম. খাদ্যের অভাব পূরণ হচ্ছে। অন্যদিকে, লক্ষ লক্ষ খামার সৃষ্টির ফলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে।

উত্তরঃ

নদী-খাল-বিল হাওরের পানি দিয়ে আমরা কৃষি জমিতে সেচ দিতে পারি। ফলে শুকনো মৌসুমেও কৃষি উৎপাদন অনেক বাড়ানো যায়। তবে দূষণের কারণে পানির এ ব্যবহার আশানুরূপ নাও হতে পারে।

উত্তরঃ

দেশের গ্যাস, কয়লা ও চুনাপাথর্ আমাদের জীবনযাত্রায় কাজে লাগছে। এড়াবে প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার হচ্ছে এবং শিল্পের প্রসার ঘটছে।

উত্তরঃ

বাড়িঘর তৈরি ও আসবাবপত্র নির্মাণের জন্য আমরা বনজ সম্পদ ব‍্যবহার করি। আবার প্রকৃতিতে তাপমাত্রা কমানোর জন্য বনজ সম্পদ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে। এজন্য পরিকল্পিতভাবে আমাদের বনজ সম্পদ আরও বাড়াতে হবে। বন ধ্বংস করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে।

উত্তরঃ

প্রকৃতির মধ্যে সব রকমের জীব যে নিয়মে বেঁচে থাকে তাকেই সংক্ষেপে জীববৈচিত্র্য বলা যায়। জীববৈচিত্র্য হলো পৃথিবীর জীবনের জৈবিক বৈচিত্র্য এবং পরিবর্তনশীলতা। অর্থাৎ পৃথিবীর মাটি, পানি ও বায়ুতে বসবাসকারী সব উদ্ভিদ ও অণুজীবদের মধ্যে যে জিনগত, প্রজাতিগত ও পরিবেশগত বৈচিত্র্য দেখা যায় তাকেই জীববৈচিত্র্য বলে।

উত্তরঃ

প্রকৃতির মধ্যে সব প্রাণীর অস্তিত্ব, বংশবিস্তার ও বিবর্তন ভারসাম্যপূর্ণভাবে ঘটে চলেছে। সবুজ গাছপালা বাতাসে যে অক্সিজেন ছড়িয়ে দিচ্ছে তা গ্রহণ করে প্রাণীরা বেঁচে থাকে। আবার প্রাণীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন পায় গাছপালা। বনে বিভিন্ন প্রাণী একে অন্যকে শিকার করে বেঁচে থাকে। এজন্য প্রাণিকূল একে অন্যের উপর নির্ভরশীল।

উত্তরঃ

জলবায়ু ও তাপমাত্রার নানা পরিবর্তনের ফলে জীবজগতের বিভিন্ন প্রাণী ও তরুলতার জন্ম বা মৃত্যু ঘটে। লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর জলবায়ুতে যেসব প্রাণী বেঁচে ছিল তাপমাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের মধ্যে অনেক প্রাণীরই বিলুপ্তি ঘটেছে।

উত্তরঃ

পৃথিবীতে জীববৈচিত্র্য আছে বলে পরিবেশে শক্তি প্রবাহ ঘটে। খাদ্য ও খাদক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রাণী ও কীটপতঙ্গ বেঁচে থাকে। পরিবেশ রক্ষা ও দুর্যোগ নিবারণের ক্ষেত্রে জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। যেমন-ঘূর্ণিবাড়ে সুন্দরবনের প্রাণী ও গাছপালার ক্ষতি হয়, আবার প্রকৃতির নিয়মেই সুন্দরবন গাছপালা ও প্রাণীতে পূর্ণ হয়ে উঠে। এজন্য যেকোনো অঞ্চলের জন্য তার জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের অবস্থা নেতিবাচক। বাংলাদেশে একসময় প্রচুর বনজঙ্গল, জীবজন্তু ও পশুপাখি ছিল। নিচু জলাভূমিতে ছিল প্রচুর জলচর প্রাণী। দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাভূমি ভরাট করে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শহর নির্মিত হচ্ছে। ফলে জলচর প্রাণী ও মাছের বংশবিস্তারে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।

উত্তরঃ

শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে দেশে কৃষিজমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। যেখানে সেখানে শিল্প-কারখানা তৈরি হওয়ার ফলে কারখানার রাসায়নিক বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা। বেশি মানুষের জন্য বেশি খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে। এর ফলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে মাছ, পোকামাকড় ও পাখির বংশবিস্তার। এভাবে জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে।

উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তিনটি করণীয় হলো-

কৃষি উৎপাদনে জীববৈচিত্র্য রক্ষার নীতি অনুসরণ করতে হবে;

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে;

জলাধার নির্মাণ ও সংরক্ষণ করতে হবে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিল্প। মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে (GDP) এ খাতের অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বেশ কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক জীবনে যার ব্যাপক প্রভাব পড়ছে।

উত্তরঃ

১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজি পাটকল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পাটশিল্পের যাত্রা শুরু হয়। এদেশে একসময় প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল পাট। পাট বিক্রি করে কৃষক তার পরিবারের টাকার চাহিদা পুরণ করত। একসময় পাটকলগুলো শুধু পাটের বস্তা উৎপাদন করত। এখন পাট দিয়ে নানা পণ্যসামগ্রী উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও হবে।

উত্তরঃ

১৯৪৭ সালে এদেশে মাত্র ৮টি বস্ত্রকল ছিল। বর্তমানে ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল প্রভৃতি অঞ্চলে প্রচুর বস্ত্র ও সুতাকল রয়েছে। বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে কম মূলধন ও অধিক শ্রমিক ব্যবহার করে এ শিল্পের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। শিল্পায়নের প্রাথমিক পর্যায়ে, বস্ত্রশিল্পের প্রাধান্য ছিল।

উত্তরঃ

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। অতি অল্প সময়ে এ শিল্পটি দেশের বৃহত্তম রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত হয়েছে। দেশে বর্তমানে প্রায় তিন হাজারেরও অধিক পোশাকশিল্প ইউনিট রয়েছে। এতে প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিক কাজ করছে। বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রচুর আখের চাষ হয়। আখ থেকে চিনি ও গুড় তৈরি হয়। ১৯৩৩ সালে নাটোরের গোপালপুরে প্রথম চিনিকল প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে দেশে ১৭টি চিনিকল আছে। আমাদের চাহিদা অনুযায়ী চিনি দেশে উৎপাদিত হয় না। ফলে বাংলাদেশকে প্রতিবছর প্রচুর চিনি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

উত্তরঃ

১৯৫৩ সালে চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী কাগজের কল স্থাপিত হওয়ার মধ্য দিয়ে এদেশে কাগজশিল্পের যাত্রা শুরু হয়। স্থানীয় বাঁশ ও বেতকে ব্যবহার করে কাগজ উৎপাদন শুরু হয়। দেশে এখন সরকারি ও বেসরকারিখাতে বেশ কয়েকটি কাগজের কল রয়েছে। সরকারি পর্যায়ে কর্ণফুলী, পাকশী, খুলনা হার্ডবোর্ড ও নিউজপ্রিন্ট মিল ছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ে বসুন্ধরা ও মাগুরা পেপার মিল উল্লেখযোগ্য কাগজশিল্প প্রতিষ্ঠান।

উত্তরঃ

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে খাদ্যোৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই রাসায়নিক সার তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশে এখন ৮টি সার কারখানা চালু আছে। বাংলাদেশের সারের চাহিদা প্রণের জন্য এ কয়টি কারখানার উৎপাদন যথেষ্ট নয়।

উত্তরঃ

পাকা বাড়িঘর, দালান-কোঠা তথা শহর নির্মাণে প্রচুর সিমেন্টের প্রয়োজন হয়। চুনাপাথর ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সমন্বয়ে সিমেন্ট উৎপাদিত হয়। ১৯৪০ সালে ছাতক সিমেন্ট কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে এদেশে সিমেন্ট শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ১২টি সিমেন্ট কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় দেশের মোট চাহিদার অর্ধেক সিমেন্ট উৎপাদিত হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে বর্তমানে ঔষধ একটি সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমান সময়ে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে বেশ কয়েকটি ঔষধ কোম্পানি তৈরি হয়েছে যারা দেশের ঔষধ চাহিদার অনেকটাই পূরণ করছে, একই সঙ্গে বিদেশে ঔষধ রপ্তানিও করছে। বাংলাদেশের রপ্তানিমুখি শিল্প হিসেবে ঔষধের সম্ভাবনার কথা সকলেই এখন গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে বহু আগে থেকেই চামড়া বা টেনারি শিল্প গড়ে উঠেছে। জুতা ও ব্যাগ তৈরিতে চামড়া শিল্পের জুড়ি নেই। এখন বাংলাদেশে কিছুসংখ্যক চামড়া শিল্প কারখানা তৈরি হয়েছে যেগুলো দেশের গরু, ছাগল ও মহিষের চামড়া থেকে জুতা, ব্যাগসহ নানা উন্নতমানের জিনিস তৈরি করছে। কোনো কোনো কোম্পানি বিদেশেও তাদের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করছে।

উত্তরঃ

চা বাংলাদেশের অতি পুরাতন শিল্পের মধ্যে একটি। সিলেট অঞ্চলে প্রচুর চা উৎপাদিত হয়। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ে বর্তমানে চায়ের চাষ হচ্ছে। চা পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে তা পানের উপযোগী করা হয়। বাংলাদেশ নিজেদের চায়ের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি করে থাকে।

উত্তরঃ

তুলা বাংলাদেশে একটি নতুন অর্থকরী ফসল। বর্তমানে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে, তুলার চাষ শুরু হয়েছে। এদেশের জলবায়ু ও মৃত্তিকা তুলা চাষের উপযোগী। তবে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম বলে প্রয়োজনীয় তুলার বেশির ভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিংড়ি মাছের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে বাংলাদেশে চিংড়ি অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী পণ্য। তাই চিংড়িকে বাংলাদেশের 'সাদা সোনা' বলা হয়।

উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় অত্যন্ত দ্রুত শিল্পায়ন ঘটছে। নতুন নতুন প্রযুক্তির ব‍্যবহার ঘটিয়ে মানুষ বিভিন্ন ধরনের পণ্যসামগ্রী তৈরি করছে। সেসব পণ্য নিয়ে তারা ব্যবসা-বাণিজ্য করছে, জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে প্রত্যেক রাষ্ট্রই দ্রুত শিল্পায়ন ঘটানোর জন্যে উদার নীতিমালা প্রণয়ন করছে। দেশি- বিদেশি শিল্পোদ্যোক্তাদের নিজ দেশে পুঁজি বিনিয়োগ ও শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। এর ফলে অর্থনীতিতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটছে।

উত্তরঃ

কৃষি বা সেবা খাতে উন্নতি করতে হলে শিল্পের বিকাশ ঘটাতে হবে। এজন্য কৃষক এখন শিল্পায়নের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে পড়েছে। শিল্প ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন কৃষক অধিক ফসল ফলাচ্ছে, নিজের চাদিহা পূরণ করেও বাজারে ফসল বিক্রি করে নিজের অন্যান্য চাহিদা পূরণ করতে পারছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে জনসংখ্যার চাপ অত্যন্ত বেশি। সব মানুষকে -একমাত্র কৃষি সচ্ছলতা দিতে সক্ষম নয়। এ অবস্থায় কল-কারখানায় কাজ করে শ্রমজীবীদের পরিবারের দারিদ্র্য ঘুচানো সম্ভব হচ্ছে। অনেকে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে ভালো বেতনে চাকরি করছে। এভাবে কৃষির বাইরেও শিল্প বিকাশের প্রভাবে অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে একমাত্র গার্মেন্টস শিল্পের সঙ্গেই এখন প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষে জড়িত আছে। এদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক হলো নারী যারা নিজেদের দারিদ্র্য ঘোচাতে গার্মেন্টসে যুক্ত হয়েছে। তারা স্বাবলম্বী মানুষ হিসেবে জীবনযাপন করছে।

উত্তরঃ

গ্রাম থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহরে এসে তাদের জীবিকার সংস্থান করছে। এভাবে শিল্প ও প্রযুক্তির সংস্পর্শে এসে তারা যেমন একদিকে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে সামাজিকভাবেও তারা নতুন আবাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে। এতে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে।

উত্তরঃ

শিল্পের প্রভাবে শহরে অতি দরিদ্রের চেয়ে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ শিল্প ও প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যে- আর্থসামাজিক জীবনব্যবস্থা গড়ে তুলছে তাকে আমরা সংক্ষেপে আধুনিক জীবনব্যবস্থা বলছি। অর্থাৎ অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে শিল্প আধুনিক জীবনব্যবস্থা গঠনে ভূমিকা রাখছে।

উত্তরঃ

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ মাটি।

উত্তরঃ

প্রকৃতির মধ্যে সব রকমের জীব যে নিয়মে বেঁচে থাকে তাই জীববৈচিত্র্য।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪,৯৩৮ বর্গ কিলোমিটার।

উত্তরঃ

বর্তমানে বাংলাদেশে ১২টি সিমেন্ট কারখানা আছে।

উত্তরঃ

বেঁচে থাকার জন্য মানুষ যেসব কাজ করে তাই অর্থনৈতিক কাজ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী কাগজকল।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জীবনধারা সরকারি ও বেসরকারি দুই খাত নিয়ে বিকশিত হচ্ছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের ১০ ভাগের ১ ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের মোট ভূভাগের ১৬ ভাগ বনভূমি।

উত্তরঃ

আদমজী পাটকল ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসভিত্তিক সারকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পে প্রায় ৪০ লক্ষের অধিক মানুষ জড়িত আছে।

উত্তরঃ

চিংড়িকে বাংলাদেশের সাদা সোনা বলা হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য খনিজ সম্পদ হলো কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূভাগের অন্তত শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের সাগর তীরে গড়ে উঠেছে চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর।

উত্তরঃ

সাগরের পানি থেকে আমরা লবণ উৎপন্ন করি।

উত্তরঃ

মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের সংক্ষিপ্ত রূপ GDP.

উত্তরঃ

১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজি পাটকল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পাট শিল্পের যাত্রা শুরু হয়।

উত্তরঃ

১৯৩৩ সালে নাটোরের গোপালপুরে দেশের প্রথম চিনিকল প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

বর্তমানে দেশে ১৭টি চিনিকল আছে।

উত্তরঃ

চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী কাগজের কল দেশের প্রথম কাগজের কল।

উত্তরঃ

কর্ণফুলী কাগজের কল ১৯৫৩ সালে চন্দ্রঘোনায় স্থাপিত হয়।

উত্তরঃ

১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে দেশের প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো-

খনিজ সম্পদ: কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চীনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি।

বনজ সম্পদ: বাংলাদেশে ১৬% বনভূমি। এখান থেকে মূল্যবান কাঠ পাওয়া যায়। এছাড়া বনভূমিতে বসবাস করা প্রাণিজগৎ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ।

মৎস্য সম্পদ: বঙ্গোপসাগর ও দেশের অভ্যন্তরে অসংখ্য নদনদীতে প্রচুর পরিমাণ মৎস্য বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ।

প্রাণী সম্পদ: বাংলাদেশের প্রাণী সম্পদের মধ্যে রয়েছে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি প্রভৃতি।

সমুদ্র সম্পদ: বঙ্গোপসাগরের নোনা জল থেকে লবণ উৎপাদন করা হয় প্রচুর পরিমাণে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে ছোটবড় অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহণের সহজ মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া বিপুল পরিমাণ মৎস্য সম্পদ রয়েছে আমাদের নদ-নদীতে। এ সমস্ত কারণেই বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাভূমি ভরাট করে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শহর নির্মিত হচ্ছে। ফলে পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। জীববৈচিত্র্যের উপর যার খারাপ প্রভাব পড়ছে। ফলে জলাভূমিতে বিচরণকারী জলচর প্রাণী ও মাছের বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

উত্তরঃ

প্রকৃতির মধ্যে সব প্রাণী একে অন্যের উপর নির্ভরশীল। সবুজ গাছপালার বাতাসে যে অক্সিজেন ছড়িয়ে দেয়, আমরা প্রাণীরা তা গ্রহণ করে বেঁচে থাকি। এভাবে বনে বিভিন্ন প্রাণী একে অন্যকে শিকার করে বেঁচে থাকে। জীবের এই বৈচিত্র্য রক্ষা না' করা গেলে প্রাণীর মৃত্যু ঘটে, তাই জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ

জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে রাস্তাঘাট ঘরবাড়ি নির্মিত হচ্ছে। ফলে একদিকে জলাভূমির, অন্যদিকে বনজ ও প্রাণিজ সম্পদের উপর চাপ বাড়ছে। আবার শিল্প কারখানার বর্জ্য জমির উর্বরতা নষ্ট করছে, এভাবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারিয়ে জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হচ্ছে পাট শিল্প।

১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজি পাটকল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পাট শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। এ দেশে একসময় প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল পাট। পাট বিক্রি করে কৃষক তার পরিবারের টাকার চাহিদা পূরণ করত। বর্তমানে দেশে ৭৬টি পাটকল আছে। একসময় পাটকলগুলো শুধু পাটের বস্তা উৎপাদন করত। এখন পাট দিয়ে নানা পণ্যসামগ্রী উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও হবে।

অতএব নিঃসন্দেহে বলা যায়, পাট শিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

উত্তরঃ

জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে মানুষ যেসব কাজ করে তাকেই অর্থনৈতিক কাজ বলা হয়। অর্থনৈতিক কাজের ওপর ভিত্তি করে একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এ অর্থনৈতিক কাজের ধরন ও প্রকৃতির ওপর একটি দেশ বা সমাজের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা উন্নত না অনুন্নত তা নির্ণীত হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে বর্তমানে ঔষধ একটি সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কয়েকটি ঔষধ কোম্পানি গড়ে উঠায় ঔষধ এখন রপ্তানি শিল্পে পরিণত হয়েছে। দেশের চাহিদা পূরণ করার সাথে সাথে ২০১১-২০১২ অর্থবছরে ২০ কোটি টাকার ঔষধ রপ্তানি হয়েছে।

উত্তরঃ

শিল্পপণ্য উৎপাদন ও বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটায়। বর্তমান যুগে শিল্পখাতে অসংখ্য শ্রমিক উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে। এর ফলে একদিকে তাদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে, তাদের সামাজিক মর্যাদা সমুন্নতও হচ্ছে। ফলে তাদের সামাজিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটছে।

98

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে। প্রাকৃতিক সম্পদ পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
•বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ যথা: বনজ, জলজ, কৃষিজ, খনিজ, মৎস্য ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
• বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব,
• বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের বর্ণনা করতে পারব ;
• বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিল্প যেমন- পাট, বস্ত্র, চিনি, সিমেন্ট, ঔষধ, গার্মেন্টস, চিংড়ি, চা, চামড়া, তুলা, তামাক ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব ;
• বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এসব শিল্পের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব; • জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব উপলব্ধি করে এগুলো সংরক্ষণে ভূমিকা পালন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।

191
উত্তরঃ

প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।

243
উত্তরঃ

মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।

173
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।

124
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

213
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।

173
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews