গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান বিজয়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্র শুরু করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জুলফিকার আলী ভুট্টো বাঙালিদের ক্ষমতা গ্রহণে বাধা দেওয়ার জন্য ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন। তিনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সংকট তৈরি করেন। এই পদক্ষেপ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইয়াহিয়া খান ১লা মার্চ ১৯৭১ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। এতে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে ক্ষোভআরও বেড়ে যায়। আওয়ামী লীগ এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২রা মার্চ ১৯৭১ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়। এটি স্বাধীন বাংলার প্রথম আনুষ্ঠানিক পতাকা ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

৩রা মার্চ ১৯৭১-এ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ওই দিন পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ছাত্রনেতা শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এতে আন্দোলন আরও গতিশীল হয় এবং জনগণের মধ্যে স্বাধীনতার চেতনা বৃদ্ধি পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শাজাহান সিরাজ ৩রা মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এতে বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। এটি মুক্তি আন্দোলনে নতুন উদ্দীপনা এনে দেয় এবং ছাত্র-জনতাকে আরও সংগঠিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

৬ই মার্চ ইয়াহিয়া খান ২৫শে মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন পুনরায় আহ্বানের, ঘোষণা দেন। এটি ছিল বাঙালিদের ক্ষোভ প্রশমনের একটি কৌশল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ঘোষণায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষণে জনগণকে পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে সর্বাত্মক অসহযোগিতার নির্দেশ 'দেন। তিনি কোর্ট-কাচারি, অফিস, ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, তিনি জনগণকে কর বা খাজনা প্রদান বন্ধ করার ঘোষণা দেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ভাষণে ইয়াহিয়া খানের প্রতি চারটি শর্ত দেন। এগুলো হলো- সামরিক আইন প্রত্যাহার, নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, সেনাবাহিনীর গণহত্যার তদন্ত এবং সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইয়াহিয়া খান এবং পাকিস্তানি সামরিক শাসকরা গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের ইচ্ছা পোষণ করেনি। তারা বাঙালির আন্দোলন দমন করতে চেয়েছিল। এই দাবিগুলো তাদের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে হওয়ায়, তারা এগুলো মেনে নেয়নি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা বাঙালির ওপর নির্মম আক্রমণ চালায়। তারা অসংখ্য নিরীহ বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করে। এই ঘটনাটি বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেরণার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন সার্চলাইট বলতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালিদের দমন ও গণহত্যার পরিকল্পনা বোঝায়। ২৫শে মার্চ ১৯৭১ রাতে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। এর আওতায় ঢাকা শহরের পাশাপাশি রাজশাহী, যশোর, খুলনা, রংপুরসহ সারা দেশে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন সার্চলাইটের প্রস্তুতি ১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে শুরু হয়। ৩রা মার্চ এম.ডি. সোয়াত নামের অস্ত্র ও রসদ বোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে এবং প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় এই পরিকল্পনার প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনার প্রধান দায়িত্বে ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। সার্বিকভাবে পরিকল্পনার তত্ত্বাবধানে ছিলেন গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান। ঢাকার বাইরে এই অপারেশনের প্রধান দায়িত্ব পালন করেন মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় পিলখানা ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আক্রমণের পরিকল্পনা করা হয়। এছাড়াও টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, রেডিও-টেলিভিশন কেন্দ্র, স্টেট ব্যাংক এবং চট্টগ্রাম বন্দর দখলের পরিকল্পনা ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা প্রথম ঢাকার ফার্মগেইট এলাকায় মুক্তিকামী মিছিলরত বাঙালিদের ওপর আক্রমণ চালায়। এরপর তারা পিলখানা ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে হামলা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, জগন্নাথ হল, লিয়াকত হলসহ অন্যান্য আবাসিক এলাকায় হামলা চালায়। তারা ঘুমন্ত ছাত্রদের ওপর গুলি করে ও হত্যা করে। এই হত্যাযজ্ঞে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষকসহ প্রায় ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মচারী নিহত হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা অপারেশন সার্চলাইটের বর্বর আক্রমণের পর রাজনৈতিক সংকট ও নেতৃত্বশূন্য পরিস্থিতিতে আসে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার ফলে পুরো দেশজুড়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের মধ্যে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। মেজর জিয়াউর রহমান এই সংকট মোকাবিলায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৬শে মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এটি ছিল দেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে উৎসাহিত করার প্রথম আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। তার এই সাহসী উদ্যোগ জনগণের মধ্যে স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রেরণা জোগায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মেজর জিয়াউর রহমান ২৭শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এই ঘোষণা বাঙালি জাতির আন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত করে। এটি স্বাধীনতার আন্দোলনে একটি ঐক্যবদ্ধ জনমত তৈরি করে এবং মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি স্থাপন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতার ঘোষণার পর দেশের মানুষের মধ্যে বিপুল আশা ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। সকলেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে। ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধ প্রাথমিকভাবে বিক্ষিপ্তভাবে শুরু হলেও এটি দ্রুতই সুশৃঙ্খল জনযুদ্ধে পরিণত হয়। বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাধীনতার জন্য জনগণ' সংগঠিত হতে শুরু করে। 'সেনাবাহিনী ও ইপিআরের বাঙালি সদস্যরাও এই প্রস্তুতিতে অংশগ্রহণ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতা যুদ্ধে কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, যুবক, সেনাবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ ও আনসারের কর্মরত বাঙালিরা অংশগ্রহণ করে। এদেশের সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের জন্য আত্মনিয়োগ করে এবং একত্রিতভাবে এই সংগ্রামকে সফল করে তোলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি ছিল স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নে জাতির জন্য দিকনির্দেশনা। এই ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং স্বাধীনতার জন্য লড়াই করার অঙ্গীকারে উদ্বুদ্ধ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গঠিত বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল। এটি কখনো অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নামে পরিচিত হয়। তবে এটি মুজিবনগর সরকার নামে বেশি পরিচিত ছিল। এই সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত ও পরিচালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয়। তবে সরকারটি শপথ গ্রহণ করে ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগরে। শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পদাধিকার বলে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তাজউদ্দীন আহমদ। তিনি মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত ও পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকার বাঙালির 'জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার পরিচালনায় তিনি কার্যকর ভূমিকা পালন করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারে মন্ত্রিপরিষদে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম. মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী এএইচএম কামারুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ। এ মন্ত্রিসভা মুক্তিযুদ্ধের সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। এগুলো হলো- বেসামরিক কার্যক্রম এবং সামরিক কার্যক্রম। বেসামরিক কার্যক্রমে প্রশাসন পরিচালনা এবং সামরিক কার্যক্রমে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনের দায়িত্ব ছিল। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা মুক্তিযুদ্ধের সাফল্য নিশ্চিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের বেসামরিক কার্যক্রমের প্রধান উদ্দেশ্য - ছিল শাসনব্যবস্থা পরিচালনা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করা। তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ গঠন করে দেশ - পরিচালনার প্রস্তুতি নেয়। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন প্রশাসনিক - কাজ সুসংহত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের সামরিক কার্যক্রমের আওতায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও সংগঠিত করা হয়। তারা সেনা, ইপিআর, পুলিশ এবং আনসার বাহিনীকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনা করা সম্ভব হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের অধীনে প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, অর্থ-শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ আরও অনেক মন্ত্রণালয় ছিল। এর মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, তথ্য ও বেতার এবং স্বরাষ্ট্র, সংসদ বিষয়ক, কৃষি ইত্যাদি মন্ত্রণালয় উল্লেখযোগ্য। এসব মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকালীন শাসনব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে। প্রতিটি অঞ্চলের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য বা আওয়ামী লীগ নেতাদের দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা আরও সুসংগঠিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে একটি আট সদস্যবিশিস্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এ পরিষদে আওয়ামী লীগের নেতাদের পাশাপাশি মওলানা ভাসানী, মণি সিংহ এবং মোজাফফর আহমদ প্রমুখ প্রবীণ নেতারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, আওয়ামী লীগ ছাড়াও এর সদস্য ছিলেন প্রবীণ জননেতা মওলানা ভাসানী, মণি সিংহ, মোজাফফর আহমদ এবং মনোরঞ্জন ধর। তাদের সক্রিয় নেতৃত্ব জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। এই পরিষদ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন প্রফেসর ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী। এ কমিশন মুক্তিযুদ্ধকালীন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কমিশনের কার্যক্রম মুক্তিযুদ্ধের সফল সমাপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধের সামরিক ও বেসামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় এবং প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলে। তাদের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয় এবং স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ কারণ তারা যুদ্ধকালীন নেতৃত্ব, শাসন এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন নিশ্চিত করে। তাদের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়ে বিজয়ের দিকে অগ্রসর হয়। এ সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের প্রধান কাজ ছিল সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা। এছাড়া এ সরকার বেসামরিক প্রশাসন এবং সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার কাজ করে। তারা জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করা, আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ করে। এই সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী। চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার। তারা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ পরিচালনায় কার্যকর কৌশল গ্রহণ এবং আঞ্চলিক দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া। প্রতিটি সেক্টর কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত ছিল এবং সেক্টর কমান্ডাররা তাদের দায়িত্ব পালন করতেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের ৭ নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা এবং বগুড়া জেলা। এই অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সফল অভিযান পরিচালনা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় রণাঙ্গনে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়। ফোর্সের নামকরণ করা হয় ব্রিগেডগুলোর অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে। মেজর জিয়াউর রহমান 'জেড ফোর্স', মেজর কে.এম. শফিউল্লাহ 'এস ফোর্স' এবং মেজর খালেদ মোশাররফ 'কে ফোর্স' এর অধিনায়ক ছিলেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন নিয়মিত বাহিনী ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে গঠিত হয় এবং এদের সরকারি নাম ছিল এম.এফ. (মুক্তিফৌজ)। এই বাহিনী যুদ্ধের বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়া সেনা, বিমান এবং নৌবাহিনী গঠন করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে অনিয়মিত বাহিনী ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষকসহ বিভিন্ন পেশার মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়। এ বাহিনী গেরিলা যুদ্ধ কৌশল প্রয়োগ করে পাকিস্তানি সেনাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাদের সরকারি নাম ছিল গণবাহিনী বা এফ.এফ. (ফ্রিডম ফাইটার)।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে 'এফ.এফ.' বা ফ্রিডম ফাইটার ছিলেন অনিয়মিত মুক্তিযোদ্ধারা। ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও সকল পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিভিন্ন সেক্টরের অধীনে অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয়। তারা গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ছাত্রলীগের বাছাইকৃত সদস্যদের নিয়ে গঠিত মুজিববাহিনী। এটি পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে গেরিলা পদ্ধতিতে আক্রমণ পরিচালনা করে। মুজিববাহিনী মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় আঞ্চলিক বাহিনীর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল), আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ), বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল), হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল) এবং জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন) উল্লেখযোগ্য ছিল। এ বাহিনীগুলো স্থানীয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন জ্যাকপট ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচালিত নৌকমান্ডো অভিযান। এতে একদিনে চট্টগ্রাম বন্দরে ১০টি এবং মংলা বন্দরে ৫০টি জাহাজ ধ্বংস করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে এ অভিযান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাড়া ফেলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডোরা সমুদ্র ও নৌপথে পাকিস্তানি জাহাজ ধ্বংস এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলা পরিচালনা করেন। তারা 'অপারেশন জ্যাকপট' অভিযানের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর নজর কাড়েন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে নারীরা সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়া, খাদ্য সরবরাহ এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি এবং ডা. সিতারা বেগম বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের প্রায় সবাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। তারা স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এই জনসমর্থন মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনে বড় ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় গড়ে উঠা বিরোধী সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল- শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর এবং আল শামস। এ সংগঠনগুলো পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে এবং - তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীশক্তি পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে কাজ করে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করেছিল। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং দেশবাসীর স্বার্থের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে বিদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায় ও জনমত গঠনের কাজ করেন। তার প্রচেষ্টায় জাতিসংঘে ৪৭টি দেশের, প্রতিনিধি বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন, যার ফলে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইরাক, ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, ভারত ও হংকং দূতাবাসের বাঙালি কর্মকর্তারা চাকরি ও জীবনের মায়া ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যোগ দেন। তাদের পদত্যাগ ও দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী বাঙালি মহিলারা লন্ডনে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে স্মারকলিপি পেশ করেন। তাদের এই কর্মসূচি মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনে মিশন স্থাপন করেছিল। এই মিশনগুলো মিছিল, সমাবেশ, সমর্থন আদায় এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মিশন মুক্তিযুদ্ধের সময় মিছিল, সমাবেশ এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে তোলে। এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে অন্যতম ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

লন্ডনে প্রবাসী বাঙালিদের মিছিল ব্রিটিশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। ফলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন আদায়ে আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্ব পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে ভারত পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার নিন্দা করে এবং সীমান্ত পেরিয়ে আসা প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দেয় ও তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়। ভারত বাঙালি যুবকদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেয়, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার পরিচালনায় সহায়তা করে এবং 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' স্থাপনে সহায়তা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সেনাবাহিনী সরাসরি অংশগ্রহণ করে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে প্রায় চার হাজার অফিসার ও জোয়ান প্রাণ বিসর্জন দেন। তারা মুক্তিযুদ্ধের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বাত্মক সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' রবি শঙ্করের উদ্যোগে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত একটি সংগীতানুষ্ঠান। এতে যুক্তরাজ্যের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন অংশ নেন। কনসার্ট থেকে সংগৃহীত অর্থ মুজিবনগর সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করতে ব্যবহৃত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করে। তারা শরণার্থীদের সাহায্য করে এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন জানায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের পক্ষে ভূমিকা রাখে। তারা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন জানায় এবং গণহত্যা বন্ধ করতে পাকিস্তানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট পদগর্নি ১৯৭১ সালের এপ্রিলের শুরুতেই প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়াকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশে গণহত্যা বন্ধ করার আহ্বান জানান। এই চিঠি সোভিয়েত ইউনিয়নের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

৩রা ডিসেম্বর যুদ্ধ শুরু হলে সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধবিরতি বিলম্বিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর উদ্দেশ্য ছিল যৌথবাহিনীকে সামরিক বিজয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ দেওয়া।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিরাপত্তা পরিষদে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেটো দিয়ে যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপ ঠেকিয়ে রাখে। তাদের লক্ষ্য ছিল যৌথবাহিনীকে ঢাকার সামরিক দখল নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া। তাদের এ উদ্দেশ্য সফল হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকার সফলতা প্রতিফলিত হয় তাদের ভেটো দেওয়ার মাধ্যমে, যা যৌথবাহিনীকে ঢাকার সামরিক দখল নিশ্চিত করার সুযোগ দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক অবস্থান ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। তারা পাকিস্তানকে অস্ত্র এবং কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করে। তবে তাদের নিজ দেশের বিরোধী দল এবং জনমতের চাপে তারা ভারতীয় শরণার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে বাধ্য হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা, সংবাদপত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক এবং বুদ্ধিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। তাদের সমর্থন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত তৈরিতে সহায়তা করে। আইনসভার অনেক সদস্য ও বিভিন্ন সংস্থা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে পাকিস্তানের নীতির বিরোধিতা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সমর্থন করে ভারত মহাসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠায়। এটি পাকিস্তানের জন্য সামরিক সহায়তা প্রদানের একটি কৌশল ছিল। তবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পাল্টা নৌবহর পাঠানোর কারণে এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পাকিস্তানের পরাজয় নিশ্চিত হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা চালায়। তারা মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালায়। তবে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটোর কারণে তাদের এ প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদেশি সাংবাদিকরা পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের খবর বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেন। তারা পাকিস্তানের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সত্য তথ্য প্রকাশ করেন। এন্থনি ম্যাসকারেনহাস এবং সাইমন ড্রিং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাতে বড় ভূমিকা পালন করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এন্থনি ম্যাসকারেনহাস পাকিস্তানের গণহত্যার প্রকৃত তথ্য বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেন। তার প্রতিবেদন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আন্তর্জাতিক সহানুভূতি ও সমর্থন বাড়ায়। তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দেশি সাংবাদিকরা অবরুদ্ধ অবস্থায় থেকেও মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠান। এজন্য তারা নানা ঝুঁকি নেয় এবং অনেকেই প্রাণ দেন। শহিদ নিজামউদ্দিন ও নাজমুল হক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে শহিদ হন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আকাশবাণী ও বিবিসি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। আকাশবাণীর 'সংবাদ পরিক্রমা' এবং বিবিসির 'বজ্রকণ্ঠ' ও 'চরমপত্র' অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা জোগানো হয়। এই প্রচার মাধ্যমগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বাড়াতে সাহায্য করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালে আকাশবাণী কলকাতা থেকে 'সংবাদ পরিক্রমা' এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'চরমপত্র' ও 'বজ্রকণ্ঠ' অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল। এই অনুষ্ঠানগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং দেশবাসীর মধ্যে দেশপ্রেমের উন্মেষ ঘটায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালের মে মাস থেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা শুরু করে। জুন মাস থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গেরিলা যোদ্ধারা দেশের ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক। আক্রমণ চালায়। এতে পাকিস্তানি বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং তাদের অবস্থান দুর্বল হয়ে যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও ভারত সরকার যৌথবাহিনী গঠন করে। এটি মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত হয়। যৌথবাহিনী গঠনের ফলে যুদ্ধের গতি বৃদ্ধি পায় এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে দ্রুত পরাজিত করা সম্ভব হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাক-ভারত সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয় ৩রা ডিসেম্বর, যখন পাকিস্তানি বিমানবাহিনী ভারতের বিভিন্ন বিমান ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায়। এর ফলে যৌথবাহিনী একযোগে আক্রমণ শুরু করে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিমান হামলা চালায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যৌথবাহিনী প্রথম যশোর বিমানবন্দর দখল করে এবং ৭ই ডিসেম্বর যশোর শহরে প্রবেশ করে। এর পরে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালীসহ আরও অনেক শহর মুক্ত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১০ই ডিসেম্বর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালকে নিরপেক্ষ এলাকা ঘোষণা করা হয়। ঢাকাস্থ কূটনৈতিকবৃন্দ ও বিদেশি নাগরিকদের সেখানে আশ্রয় দেওয়া হয়। এ সময় বিশেষ বিমানযোগে বিদেশি নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যৌথবাহিনী ১১ থেকে ১২ই ডিসেম্বরের মধ্যে ময়মনসিংহ, হিলি, কুষ্টিয়া, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর এবং সিরাজগঞ্জ শহর মুক্ত করে। এই সফল অভিযান পাকিস্তানি বাহিনীর মনোবল আরও দুর্বল করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১২ই ডিসেম্বর যৌথবাহিনী ঢাকার বিভিন্ন সামরিক অবস্থানের ওপর রিমান হামলা চালায়। ঢাকার চারদিকে যৌথবাহিনী ঘেরাও অবস্থান নেয় এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণের জন্য প্রস্তুতি নেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৪ই ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকার বাইরে পাকিস্তানি বাহিনীর বেশিরভাগ বড় শহর ও সেনানিবাসে আত্মসমর্পণ ঘটে। গভর্নর ডা. মালিক পদত্যাগ করে এবং তার মন্ত্রীদের নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আশ্রয় নেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৬ই ডিসেম্বর বিকেল তিনটা পর্যন্ত যুদ্ধ বিরতির উদ্দেশ্য ছিল আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া সহজ করা। এই সময় যৌথবাহিনী ঢাকার চারদিকে ঘেরাও করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যৌথবাহিনীর নেতৃত্বে ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এর মাধ্যমে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি বাহিনী ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে ঢাকায় গণহত্যা শুরু করে। তারা সেনানিবাস, ইপিআর দপ্তর, পুলিশ লাইন্স, আনসার ব্যারাক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালায়। সেই সঙ্গে তাঁতিবাজার ও অন্যান্য জায়গায় বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষসহ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা এবং এ এন এম মুনিরুজ্জামানের মতো বিদ্বজ্জনেরা শহিদ হন। এ সময় রাজনীতিবিদ শহিদ মশিউর রহমানসহ অনেককে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পিছনে পাকিস্তানি বাহিনীর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করা। তারা সাংবাদিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, সংগীতজ্ঞসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। পাকিস্তানি বাহিনীর উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি জাতির মেধা ও মননশীলতা ধ্বংস করা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে ১৯৭১ সালের ২০শে মে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা চালায়। এ ঘটনায় কয়েক হাজার মানুষকে একটি ছোট এলাকায় ঘিরে হত্যা করা হয়। এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যার উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

৩রা ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং চিকিৎসকদের ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে প্রতি বছর ১৪ই ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। এ দিনে জাতির সূর্য সন্তানদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়, যাদের লাশ বিজয়ের পর বিভিন্ন বধ্যভূমিতে পাওয়া গিয়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা ঢাকার রায়েরবাজার, চট্টগ্রামের পাহাড়তলি, খুলনার খালিশপুর এবং সিলেটের শমসেরনগরে বড়ো বধ্যভূমি তৈরি করেছিল। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা, মহকুমা, নির্জন নদীতীর ও চা বাগানে অসংখ্য বধ্যভূমি গড়ে তুলেছিল ঘাতকেরা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, কথাশিল্পী আনোয়ার পাশা, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুদ্দিন হোসেন, সেলিনা পারভীন এবং চিকিৎসক ডা. ফজলে রাব্বী উল্লেখযোগ্য। তাদের হত্যার মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনী জাতিকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। এদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের শোচনীয় পরাজয় মেনে যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ সফলভাবে শেষ হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। রেসকোর্স ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল এ.এ.কে নিয়াজি অংশগ্রহণ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল এ.এ.কে নিয়াজি এবং যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। রেসকোর্স ময়দানের খোলা আকাশের নিচে একটি টেবিলে বসে এই স্বাক্ষর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৯৩ হাজার সদস্য যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এটি ছিল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আত্মসমর্পণের ঘটনা। এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীর দখলদারি ও নির্যাতন চিরতরে বন্ধ হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস। এদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে স্মরণীয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ন্যাপ (NAP) এর পূর্ণরূপ হলো- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (National Awami Party)।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিবাহিনীর সহায়তাকারী ভারতীয় বাহিনীই হলো মিত্রবাহিনী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যার অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র চট্টগ্রামের কালুরঘাটে অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালে মুক্তিযোদ্ধা নৌকমান্ডো বাহিনী দ্বারা পরিচালিত একটি অভিযানের নাম 'অপারেশন জ্যাকপট'।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'ক্র্যাক প্লাটুন' হলো মুক্তিযুদ্ধকালে গঠিত ঢাকার গেরিলা দল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে গণহত্যা ও বর্বরতার খবর বহির্বিশ্বে প্রথম ছড়িয়ে দেয় বিদেশি সাংবাদিকগণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পূর্বনাম ছিল রেসকোর্স ময়দান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে যে বাহিনী গঠিত হয়েছিল সে বাহিনীকে নিয়মিত বাহিনী বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কালুরঘাট সম্প্রচার কেন্দ্রের পরবর্তী নামকরণ হলো 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র'।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ৩রা মার্চ গঠিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও সকল পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আত্মসমর্পণ দলিলে যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল অরোরা স্বাক্ষর করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকার গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে নৌপথে পরিচালিত অভিযানের নাম ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ডাকসু নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি ওসমানী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিবাহিনীকে সরকারি পর্যায়ে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১লা মার্চ ১৯৭১ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২রা মার্চ ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন সার্চলাইটের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে খবর প্রচার করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল'- উক্তিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতীয় বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মেজর জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ-তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধ একটি বাস্তব রূপ লাভ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর বা বাংলাদেশ সরকার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুর রব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালে রণাঙ্গনকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে নিয়মিত বাহিনী গঠিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিছত্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় জাতিসংঘে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনী গঠিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জর্জ হ্যারিসন ছিলেন যুক্তরাজ্যের একজন শিল্পী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিউইয়র্কে যুক্তরাজ্যের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন 'বাংলাদেশ কনসার্ট' আয়োজন করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতার কেন্দ্র আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিবাহিনীর সহায়তাকারী ভারতীয় বাহিনীকে মিত্রবাহিনী বলা হতো।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর পাকিস্তানি বিমানবাহিনী ভারত আক্রমণ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো লক্ষ্যার্জন বা যুদ্ধজয়ের উদ্দেশ্যে একাধিক বাহিনীর মিলিত অবস্থাকে যৌথ বাহিনী বলে। যেমন- পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর সুদৃঢ় আক্রমণের জন্য ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও ভারত সরকার একটি যৌথ কমান্ড গঠন করে। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত এ যৌথ কমান্ডকে বলা হয় যৌথ বাহিনী।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করলে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের প্রথম দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বাত্মক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ কর্মসূচিকে অসহযোগ আন্দোলন বলা হয়। এ আন্দোলনে বাঙালি জাতি স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ই মার্চ ভাষণে বিজয়ী দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশ পরিচালনার ঘোষণা দেন। এ ভাষণ সারা দেশের মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে, তাদের ঐক্যবদ্ধ করে এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে দেশের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করে। তাই বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালি তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে সময় পাকিস্তান বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর হামলা করে এবং নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাকিস্তান তাদের এ অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন সার্চলাইট'। এ অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী পাকিস্তানি সৈন্যরা ২৫শে মার্চ রাত ১১.৩০টায় ঢাকা সেনানিবাস থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। শুধু ঢাকায় ৭ থেকে ৮ হাজার লোককে হত্যা করে। ঢাকার বাইরে সারা দেশে সেনানিবাস, ইপিআর ঘাঁটিতে আক্রমণ চালিয়ে অসংখ্য বাঙালি সৈন্য হত্যা করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধরত বাহিনীর একটি বড় অংশ ছিল নিয়মিত বাহিনীর যোদ্ধারা। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়। সরকারিভাবে এদের নামকরণ করা হয় মুক্তিফৌজ। মুক্তিযুদ্ধকালে এ বাহিনীকেই আমরা মুক্তিফৌজ হিসেবে জানি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেছিল বলে এ যুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক, ইপিআর, পুলিশ, আনসার, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-ছাত্রী, পেশাজীবী, নারী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ নিজ নিজ অবস্থান থেকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাই মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বা জনযুদ্ধ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালে মুক্তিযোদ্ধা নৌকমান্ডো বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত একটি অভিযানের নাম অপারেশন জ্যাকপট। এ অভিযান পরিচালিত হয়েছিল চট্টগ্রাম ও মংলা নৌবন্দরে। চট্টগ্রাম বন্দরে ১০টি এবং মংলা বন্দরে, ৫০টি জাহাজ এ অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ক্ষুদ্র এ বাহিনীটি পৃথিবীতে সাড়া ফেলে দিয়েছিল- এ অভিযানের মাধ্যমে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌপথে পরিচালিত অভিযানটির নাম ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'। ১০নং সেক্টরের অধীনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নৌকমান্ডো অসীম সাহিকতায় চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরে এবং চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরে একই সময় 'অপারেশন জ্যাকপট' অভিযানটি পরিচালনা করে। এ অভিযান একদিনে চট্টগ্রাম বন্দরে ১০টি এবং মংলা বন্দরে ৫০টি জাহাজ ধ্বংস করে মুক্তিযোদ্ধার নৌকামান্ডো- যা পৃথিবীতে সাড়া ফেলে দেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। বিশেষ করে সংবাদপত্র ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। বিদেশি সাংবাদিক ও বিভিন্ন মিডিয়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যার খবর সারা বিশ্বে তুলে ধরে। এছাড়া আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতার কেন্দ্র মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালায়। আকাশবাণী কলকাতার 'সংবাদ পরিক্রমা', স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'বজ্রকণ্ঠ' ও 'চরমপত্র'সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং নির্বাচনোত্তর ঘটনাবলি বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জেনেছি, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে জয়ী হয়েছিল।

কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের হাতে ক্ষমতা না দিয়ে টালবাহানা করে। যা বাঙালিরা মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী দেশ ভারত নানাভাবে আমাদের সাহায্য করে। ভারতীয় 'বাহিনী মধ্য নভেম্বর থেকে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীকে কার্যকর সহায়তা দিতে থাকে। পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর আরও সুদৃঢ় আক্রমণের জন্য ২১শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও ভারত সরকার একটি যৌথ কমান্ড গঠন করে। মূলত পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে গতি সঞ্চারের উদ্দেশ্যেই যৌথবাহিনী গঠন করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এই দেশ। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের প্রিয় এই দেশটি পেয়েছি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসব। সর্বোপরি দেশকে ভালোবাসা একটি মহৎ মানবিক গুণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুজিবনগর সরকার নানাবিধ বেসামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এরই অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য এ পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
132

১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুইটি রাষ্ট্রের জন্ম হয় । হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্ব, ভাষা ও সংস্কৃতিসহ সকল বিষয়ে অমিল থাকা সত্ত্বেও শুধু ধর্মীয় মিলের কারণে পূর্ব-বাংলাকে পাকিস্তানের একটি প্রদেশ করা হয়। এই নতুন রাষ্ট্র পূর্ব-বাংলার মানুষের জীবনে কোনো মুক্তির স্বাদ আনতে পারে নি। শাসকের হাত বদল হয়ে পূর্ব-বাংলার জনগণ নতুন আরেকটি ভিনদেশি শাসক দ্বারা শাসিত হতে থাকে। পরবর্তী কালে অনেক আন্দোলন, সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতীক্ষা ও রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। আমরা পরিপূর্ণভাবে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করি । স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাসের পথ অনেক ঘটনাবহুল । সপ্তম শ্রেণিতে আমরা ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট গঠন, ছয়দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও ৭০ এর নির্বাচন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি । এই অধ্যায়ে আমরা ১৯৭০ এর নির্বাচন পরবর্তী সময় ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• ১৯৭০ এর নির্বাচনোত্তর জনগণ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া বর্ণনা করতে পারব; • ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মূলকথা জানব ও এর গুরুত্ব ও প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করতে পারব;
• ২৫শে মার্চের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিবরণ দিতে পারব ও এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারব ;
• ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা উল্লেখ করতে পারব; মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির বিবরণ দিতে পারব ও অস্থায়ী সরকারের গঠন ও ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব;
•মুক্তিবাহিনীর গঠন বর্ণনা করতে ও তাদের ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারব; • সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির তৎপরতা ও ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব;
•মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের সহযোগিতার স্বরূপ বর্ণনা ও মূল্যায়ন করতে পারব;
•মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারব,
•মুক্তিযুদ্ধে যৌথবাহিনীর ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব;
•মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও অত্যাচারের বিবরণ দিতে পারব;
• পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঘটনা বলতে পারব;
•মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব; • দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উজ্জীবিত হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান বিজয়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্র শুরু করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
329
উত্তরঃ

জুলফিকার আলী ভুট্টো বাঙালিদের ক্ষমতা গ্রহণে বাধা দেওয়ার জন্য ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন। তিনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সংকট তৈরি করেন। এই পদক্ষেপ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
187
উত্তরঃ

ইয়াহিয়া খান ১লা মার্চ ১৯৭১ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। এতে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে ক্ষোভআরও বেড়ে যায়। আওয়ামী লীগ এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
191
উত্তরঃ

২রা মার্চ ১৯৭১ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়। এটি স্বাধীন বাংলার প্রথম আনুষ্ঠানিক পতাকা ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
215
উত্তরঃ

৩রা মার্চ ১৯৭১-এ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ওই দিন পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ছাত্রনেতা শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এতে আন্দোলন আরও গতিশীল হয় এবং জনগণের মধ্যে স্বাধীনতার চেতনা বৃদ্ধি পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
356
উত্তরঃ

শাজাহান সিরাজ ৩রা মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এতে বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। এটি মুক্তি আন্দোলনে নতুন উদ্দীপনা এনে দেয় এবং ছাত্র-জনতাকে আরও সংগঠিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
177
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews