উদ্দীপকের রাকিব দৈনিক ৩০০ গ্রাম ভাত, ১০০ গ্রাম মুরগীর মাংস, ৭০ গ্রাম মসুরের ডাল এবং ৫০ গ্রাম ভোজ্য তেল গ্রহণ করে। এখানে, ভাত হলো শর্করা, মুরগির মাংস এবং মসুরের ডাল হলো আমিষ এবং ভোজ্য তেল হলো স্নেহজাতীয় খাদ্য। প্রতি গ্রাম শর্করা, আমিষ এবং স্নেহজাতীয় খাদ্য উপাদান থেকে যথাক্রমে ৪, ৪ এবং ৯ খাদ্য ক্যালরি পাওয়া যায়। তাহলে,
৩০০ গ্রাম ভাত থেকে পাই = খাদ্য ক্যালরি
১০০ গ্রাম মুরগীর মাংস থেকে পাই = খাদ্য ক্যালরি
৭০ গ্রাম মসুরের ডাল হতে পাই = খাদ্য ক্যালরি
এবং ৫০ গ্রাম ভোজ্য তেল হতে পাই = খাদ্য ক্যালরি
অতএব, রাকিবের গৃহীত খাবারে মোট ক্যালরির পরিমাণ
=( ১২০০+৪০০+২৮০+৪৫০) খাদ্যক্যালরি বা কিলোক্যালরি
= ২৩৩০ বা কিলোক্যালরি
কিন্তু, BMR মান অনুযায়ী রাকিবের দৈনিক ক্যালরির চাহিদা হচ্ছে ১৭৮৫ কিলোক্যালরি। অর্থাৎ, রাকিব তার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কিলোক্যালরি গ্রহণ করছে। প্রয়োজন থেকে বেশি কিলোক্যালরি গ্রহণ করলে সেটি মেদ হিসেবে জমা হয়। তাই রাকিবকে খাদ্য বাছাইয়ে সচেতন হতে হবে যাতে চাহিদা অনুযায়ী কিলোক্যালরির পরিমাণ ঠিক থাকে।
Related Question
View Allআমিষ জাতীয় খাদ্য দেহে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে।
বিভিন্ন ধরনের প্রাণিজ আমিষ যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, যকৃত ইত্যাদি উচ্চমানের আমিষ জাতীয় খাদ্য। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায় যার সবকয়টা উদ্ভিজ্জ আমিষে থাকে না। তাই প্রাণিজ আমিষের জৈবমূল্য অনেক বেশি। সে জন্য প্রাণিজ আমিষকে উচ্চমানের আমিষ বলে।
উদ্দীপকে জহির জাতীয় ফুটবল দলের নিয়মিত খেলোয়াড় হওয়ায় তাকে তার পেশার স্বার্থেই প্রতিদিন খেলাধুলা ও শারীরিক কসরতের মাধ্যমে শরীরের শক্তি ব্যয় করতে হয়। ফলে তার দেহে অধিক তাপ ও শক্তির যোগান দেবে এরূপ খাদ্যের চাহিদা অধিক থাকে। তাই তাকে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদনকারী চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। যেমন- ঘি, মাখন, ডিম, দুধ, বাদাম, চর্বিযুক্ত মাংস ইত্যাদি খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সে প্রচুর স্নেহ বা চর্বি উপাদানের সরবরাহ পাবে।
এছাড়া দুধ, ডিম, বাদাম, ডাল, মাংস ইত্যাদি খাবারের আমিষ তার দেহের ক্ষয়পূরণ করে দেহ গঠনে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া দেহে শক্তি উৎপাদনের অন্যতম উৎস হলো শর্করা জাতীয় খাবার। এজন্য ভাত, আলু, রুটি, চিনি, দুধ ইত্যাদি শর্করা যুক্ত খাবার জহিরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে।
আলোচ্য উদ্দীপকে জহির একজন ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ায় তাকে প্রতিদিন প্রচুর দৌড়াতে ও শারীরিক কসরত করতে হয়। ফলে তার মৌল বিপাকের হার বেশি এবং অধিক সময় ধরে তার দেহের মাংসপেশি সংকোচিত প্রসারিত হয় তাই তার খাদ্যের চাহিদাও বেশি। কিন্তু তার বড় ভাই ড. রায়হান দিনের অধিকাংশ সময় গবেষণাগারে বসে সময় কাটান বলে জহিরের মতো তার দেহের মাংসপেশির সংকোচন-প্রসারণ হয় না। তাই শারীরিক পরিশ্রম কম করাতে তার উচ্চ শক্তি সরবরাহকারী খাদ্যের চাহিদাও কম। কাজেই BMR বা বেসাল মেটাবলিক রেট জহিরের তুলনায় ড. রায়হানের অনেক কম। এজন্য জহিরের মতো উচ্চ তাপশক্তি সরবরাহকারী চর্বিযুক্ত খাবার ও অন্যান্য উপাদানের খাবার যদি ড. রায়হান অধিক গ্রহণ করেন তবে তা তার শরীরে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে তা তার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমাবে এবং ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণ হবে। এজন্য ড. রায়হানের খাদ্য তালিকায় তার ছোট ভাইয়ের চেয়ে তুলনামূলক কম পরিমাণ খাবার থাকবে এবং জহিরের মতো চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া তার মোটেই উচিত হবে না।
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান অত্যন্ত কম পরিমাণে প্রয়োজন হয় তারাই হলো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ।
উদ্ভিদের প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে যার মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। এই ১৬টি পুষ্টি উপাদানকেই সমষ্টিগতভাবে 'অত্যাবশ্যকীয় উপাদান' বলা হয়। কারণ এদের যে কোন একটির অভাব হলেই উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হয়ে এর অভাবজনিত লক্ষণ প্রকাশ পায় এবং পুষ্টির অভাব জনিত রোগের সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!