গ্রামের ছেলে নিখিল। সাধ ও সাধ্যের এক আকস্মিক গৌরববোধে নগরের স্বপ্ন হাতছানি দিলো নিখিলের ভাবনায়। গ্রামবাংলার নির্ঝঞ্ঝাট মননই যেন খোলনলচে পালটে নগরমুখিতার মুখোশে মুখ ঢাকল। শহুরে জীবনে আর্থিক সচ্ছলতার পিছনে ছুটতে গিয়ে নিখিলকে খাপ খাইয়ে চলার মানসিক টানাপোড়েনে পড়তে হলো। অর্থ ও বিত্তের সুখ হয়ে উঠল বর্তমান; কিন্তু শান্তি লুকালো প্রত্যহ অতীতে। বাড়ি। থেকে তার মা তাকে প্রায়ই ফিরে যেতে বলে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার উৎস 'সোনালী কাবিন।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'কুয়াশার শাদা পর্দা' বলতে মনোজগতের দুশ্চিন্তাচ্ছন্ন পরিস্থিতিকে বোঝানো হয়েছে।
শীতের প্রকৃতি কুয়াশায় আবৃত থাকে। কখনো কখনো এমন কুয়াশা ঝরে যে চারপাশের ঘরবাড়ি, গাছপালা কিছুই দেখা যায় না। কুয়াশার গায়ে আবরণ ভেদ করে সূর্যালোকও পৌছাতে পারে না। কবির মনোজগতও শহরে যেতে না পারার ব্যর্থতায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। হতাশাগ্রস্ত কবির চিন্তাজগৎ কুয়াশা দিয়ে বোঝানো হয়েছে। কবি শেষ ট্রেনে শহরে যেতে না পেরে শীতের গাঢ় কুয়াশায় দুশ্চিন্তা নিয়ে গ্রামের আটচালা ঘরে প্রত্যাবর্তন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নিখিল ও 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির নগরমুখী ভাবনা জীবন ও জীবিকার দুর্নিবার প্রয়োজন ও ব্যর্থতার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতা অনুযায়ী কবি শহরমুখী জীবনযাত্রার প্রস্তুতি নেন। শহরে যাওয়ার প্রসঙ্গটি কবিতায় বেশ সূক্ষ্মভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। গ্রামীণ বাস্তবতায় মানুষের এই শহরমুখিতা জীবনযাত্রার মান উন্নত করার সাথে সম্পৃক্ত। কবি ও তাঁর সহযাত্রীরা শহর অভিমুখে যাত্রা হলো জীবিকার প্রয়োজনে যাত্রা। তাই তো তিনি শহরে যেতে না পারায় হতাশাগ্রস্ত হন। শহরে যেতে ব্যর্থ হয়ে লজ্জাবনত হন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, গ্রামের ছেলে নিখিল সাধ ও সাধ্যের এক আকস্মিক গৌরববোধে শহরের পথে পাড়ি জমায়। শহরের পরিবেশে সে নিরন্তর নিজেকে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করেছে। আর্থিক সচ্ছলতার পিছনে ছুটতে গিয়ে পড়তে হয় মানসিক দোটানায়। অন্যদিকে, 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে শহরের' পথে পাড়ি জমাতে চান কবি। কিন্তু শেষ ট্রেন ধরতে না পারায় তাঁকে আবার নিজের গ্রামেই প্রত্যাবর্তনের লজ্জা নিয়ে ফিরতে হয়। এখানেও কবির ভিতরে কাজ করে মানসিক টানাপোড়েন। উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার এ দিকটিই ফুটে উঠেছে।।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষাংশের ভাবনাই যেন 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবিকে প্রত্যাবর্তনের প্রেরণা জুগিয়েছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরের উদ্দেশে রওনা দিয়েও ব্যর্থ হন। স্টেশনে ট্রেন ধরতে না পেরে হতাশা নিয়ে নিজ গ্রামেই ফিরে আসেন। ফিরতি পথের গ্রামীণ নৈসর্গিক পরিবেশের বর্ণনা তাঁর কবিতায় প্রস্ফুটিত হয়েছে। বাড়িতে ফিরে, আসলে মায়ের হাস্যোজ্জ্বল মুখ ও মমতা তাঁকে আপন করে নেয়। কবির প্রত্যাবর্তন তাঁর মাকে আনন্দিত করে। গ্রামীণ পরিবেশে মায়ের স্নেহ, মমতা ও আন্তরিকতা কবির শহরে যেতে না পারার গ্লানি-হতাশা ভুলিয়ে দেয়। মাতৃরূপী গ্রামীণ পরিবেশ ও নিজ পরিবার কবিকে আপন করে নেয়। ফলে কবি তাঁর চিরচেনা নৈসর্গিক পরিবেশে স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, গ্রামের ছেলে নিখিল সাধ ও সাধ্যের হিসাব মেলাতে না পেরে শহরমুখী হয়। শহরের পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। অর্থ ও বিত্ত তার জীবনে আসে। কিন্তু শান্তি হারিয়ে যায়। অর্থাৎ ফেলে আসা গ্রাম্যজীবনই তার শান্তির উৎস হয়ে থাকে। শহরজীবন তাকে অর্থবিত্ত দিলেও মানসিক প্রশান্তি দিতে পারে না।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও দেখা যায়, কবি গ্রামীণ জীবনে শান্তি খুঁজে পান। গ্রামের প্রকৃতিতে লীন হয়ে তিনি বেঁচে থাকতে চান। কিন্তু জীবনের প্রয়োজনে তাঁকে শহরে যাওয়ার চিন্তা করতে হয়। ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনে যেতেও তাঁর দেরি হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত শেষ ট্রেন ধরতে না পারায় তিনি গ্রামের আটচালা ঘরের দিকেই প্রত্যাবর্তন করেন। যেখানে আছে মায়া-মমতা, ভালোবাসা আর শান্তি। উদ্দীপকেও শহরে গিয়ে নিখিল গ্রামকে এভাবেই অনুভব করে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে নিঃসন্দেহে বলা যায়, উদ্দীপকের শেষাংশের ভাবনাই যেন 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবিকে প্রত্যাবর্তনের প্রেরণা জুগিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
50

শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছুটতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি

নীলবর্ণ আলোর সংকেত।

 হতাশার মতোন হঠাৎ দারুন হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। 

যাদের সাথে, শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখ জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে। হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছে।

আসার সময় আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, গোছাতে গোছাতেই

তোর সময় বয়ে যাবে, তুই আবার গাড়ি পাবি। 

আম্মা বলছিলেন, আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক

কত রাত তো অমনি থাকিস।

আমার ঘুম পেলো। এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।

অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না। ফরহাদ

আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। 

লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে আগেই চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।

 নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত যেতে পারে না। আর আমি এদের ভাই

সাত মাইল হেঁটে শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে

এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রত্যাবর্তিত কবিকে দেখে তাঁর বাবা পড়বেন, 'ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান...'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
198
উত্তরঃ

'আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলবো'- বলতে বোঝানো হয়েছে, মায়ের সান্নিধ্যে সন্তান তার সকল প্রকার দুঃখ-বেদনা-ব্যর্থতা-লজ্জা ভুলে গিয়ে পরম শান্তি লাভ করে।
শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়ে একরকম পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে কবি বাড়ির পথে পা বাড়ান। তাঁর মনে পড়ল বাবা-মায়ের সচেতনতামূলক কথাগুলো। মনে পড়ল ভাই-বোনের সতর্ক প্রস্তুতির কথা। লজ্জায় তাঁর হৃদয় ভারী হয়ে উঠল। কিন্তু তাঁর এই ফিরে আসায় মা আনন্দিত হলো। মাকে জড়িয়ে ধরে সমস্ত লজ্জা কোথায় যেন হারিয়ে গেল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
108
উত্তরঃ

উদ্দীপক-২ এর 'ধনে মানে লোকের টানে ভুলিয়ে নিতে চায় যে আমায়' চরণটিতে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার গতানুগতিক নাগরিক জীবনের মোহ থেকে মুক্তির বিষয়টির ইঙ্গিত বহন করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অস্থির মানব হৃদয় শান্তির জন্য ছুটে বেড়ায় দেশ-বিদেশে। কিন্তু এ ছুটে চলায় কোথাও শান্তির পরশ মেলে না। ধন-সম্পদের লোভের ফাঁদে মানবজীবন ক্রমশই শুধু অশান্ত চঞ্চল হতে থাকে। প্রকৃত শান্তি মেলে তার মায়ের কোলে, তার চিরচেনা প্রকৃতির সান্নিধ্যে। আর যে কারণেই সব মোহ ত্যাগ করে, ভয়কে জয় করে ফিরতে চায় আপন আলয়ে।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরের মোহে যাত্রা করলেও শেষ ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়। ব্যর্থতার গ্লানি বুকে চেপে তিনি ঘরের পানে পা বাড়ালেন। তাঁর এ ফিরে আসা মাকে আনন্দিত করল। কবি মাকে জড়িয়ে ধরে প্রত্যাবর্তনের সমস্ত লজ্জা মুছে ফেললেন। তিনি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করলেন, নাগরিক জীবনের চাকচিক্যের চাইতে মাতৃতুল্য, গ্রামীণ সহজ-সরল জীবন পরম মমতার-শান্তির।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
68
উত্তরঃ

নগর জীবনের মোহ নয়, গ্রামীণ সহজ-সরল জীবনেই রয়েছে প্রকৃত শান্তির পরশ- এই বিষয়টিই উদ্দীপক এবং কবিতার মূল বিষয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ১ ও ২ মিলে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার ভাববস্তু প্রকাশে সক্ষম।
উদ্দীপকদ্বয়ে মা-মাতৃভূমির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে। মায়ের দরিদ্র দশা কবির নিকট মহামূল্য ধন-রত্নতুল্য। তাই তিনি আর কিছু চান না, কারো ধার ধারেন না। ধনদৌলতের মোহে যে যেখানে খুশি চলে যাক- কবি তাঁর মায়ের ছেঁড়া কাঁথায় পরম মমতায় মাখামাখি করে পরম সুখ অনুভব করেন।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবিকে শহরের চাকচিক্য হাতছানি দিয়ে ডাকলেও ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হওয়ার অজুহাতে তিনি মায়ের টানে গ্রামের পানেই পা বাড়িয়েছেন। মা তাঁকে দেখে আনন্দিত হয়েছেন। মাকে জড়িয়ে ধরে তিনি পরম সুখলাভ করেছেন। ব্যর্থতার গ্লানি উবে গিয়েছে। কীসের লজ্জা কীসের ভয়? যেন তিনি সবকিছুই জয় করেছেন।
উদ্দীপক এবং কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষ করি, সন্তানের জন্য মায়ের কোল যেমন নিরাপদ এবং শান্তির স্থান- তেমনি মাতৃতুল্য তাঁর মাতৃভূমিও বটে। একজন মানুষ অর্থ-সম্পদের মোহে বিদেশে যেতে বাধ্য হলেও প্রকৃতপক্ষে তার মন কাঁদে মা এবং মাতৃভূমির জন্য। শেকড়ের সাথে বৃক্ষের যেমন সম্পর্ক- তেমনি মা-মাতৃভূমির সাথে প্রতিটি মানুষের সম্পর্ক প্রগাঢ়। শহর জীবনের কৃত্রিম চাকচিক্যময় পরিবেশে মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে। গ্রাম্য প্রকৃতির স্নিগ্ধ মায়াময় পরিবেশই মানবজীবনকে করে তোলে মধুময়-গীতিময়-ছন্দময়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
86
উত্তরঃ

কবিতায় যাদের সাথে কবির শহরে যাওয়ার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখের কথা বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
89
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত চরণে কবির ট্রেন ধরতে না পারার হতাশাগ্রস্ত মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।
কবি শহরমুখী ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনের দিকে ছুটে যান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পৌছাতে ব্যর্থ হন। কবিকে স্টেশনে রেখে ট্রেন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যের দিকে ছুটে যায়। কবি হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সে দৃশ্য দেখেন। এই দৃশ্যের অসহ্য যন্ত্রণা কবিকে বিদ্ধ করেছে। কবিকে রেখেই ট্রেন' হুইল বাজিয়ে শহর অভিমুখে তাঁর সহযাত্রীদের নিয়ে নির্দয়ভাবে চলেছে। এই হতাশাব্যঞ্জক অভিব্যক্তিই কবি ফুটিয়ে তুলেছেন আলোচ্য চরণে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
75
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews