গ্রামে বসবাসকারী রহিম মিয়া একজন গরীর কৃষক। অন্যের জমি চাষ করে কোনোভাবে তিনি পরিবারের ভরণ পোষণ করেন। এ বছর বন্যার পানিতে তার জমির ফসল ডুবে যায়। বন্যার ফলে খাদ্য শস্যের দামও বেশি। ফলে রহিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রায় দিনই না খেয়ে কাটাতে হয়। অন্যদিকে শহরে বসবাসকারী আফজাল হোসেন অসাধু মৌসুমী ফল বিক্রেতা। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সে মৌসুমী ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশায়। যা মানুষের নানারকম রোগব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য নিরাপত্তা বলতে বোঝায় যখন খাদ্যের যথেষ্ট মজুদ থাকবে, মানুষ যখন খাদ্য চাইবে তখন তার কাছে পাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সরকার প্রধানত দুটো উদ্দেশ্যে খাদ্য মজুদ করে থাকে। প্রথমটি হলো খাদ্যের প্রাপ্যতাকে পর্যাপ্ত করা। দ্বিতীয়টি হলো আপদকালীন খাদ্য ঘাটতির মোকাবিলা করা। একটি দেশের সার্বিক প্রাপ্যতা বজায় রাখতে মজুদের ভূমিকা অপরিসীম। সরকারের অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ, আমদানি এবং খাদ্য সাহায্যকে অবলম্বন করে এ মজুদ গড়ে ওঠে। তাই বলা যায়, প্রয়োজনের সময়ে খাদ্যের প্রাপ্যতা মজুদের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রহিম মিয়ার ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তার প্রাপ্যতা ও ক্রয়যোগ্যতার দিক দুটি উপেক্ষিত হয়েছে। নিচে তা আলোচনা করা হলো-

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকেই খাদ্যের প্রাপ্যতা বলা হয়। পর্যাপ্ত উৎপাদন এবং নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। উৎপাদন বাজার ব্যবস্থাপনা, ঋণ প্রাপ্তি, কারিগরি কৌশল এবং প্রাকৃতিক সম্পদের উপর খাদ্যের প্রাপ্যতা নির্ভরশীল। আবার খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতার পূর্বশর্ত খাদ্য প্রাপ্যতা। কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট দামে নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রব্য ক্রয়ের যোগ্যতাকেই খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা বলে। খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতার অন্যতম নিয়ামক ব্যক্তির আয়। যদি ব্যক্তির আয় কম হয় তবে তার ক্রয়যোগ্যতাও কমে যায়। আবার কোনো ব্যক্তির আয়ের স্তর বৃদ্ধি পেলে তার খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। যেমন-দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাদের আয়ের সিংহভাগ ব‍্যয় করে খাদ্যদ্রব্য ক্রয়ে, কিন্তু তাদের আয় কম থাকায় তারা কম পরিমাণ খাবার পায়। ফলে খাদ্য ও জীবনমানের অনিরাপত্তা তাদের জীবনে ঘটে। উদ্দীপকে রহিম মিয়ার ক্ষেত্রেও উক্ত বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়।
অতএব বলা যায়, রহিম মিয়ার খাদ্য নিরাপত্তার উল্লিখিত দিকগুলো উপেক্ষিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আমি মনে করি তা হলো-

১। খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের কোনো পর্যায়েই যাতে তা কলুষিত না হয় সে ব্যবস্থা গ্রহণ;
২। কোনো খাদ্যদ্রব্যের উন্নতমানের সাথে তার নিম্নমানের সংমিশ্রণ রোধ;

৩। কোনো খাদ্যদ্রব্য মান অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হলে একেক শ্রেণির খাদ্য একেক জায়গা থেকে বিক্রয়ের ব্যবস্থা।
৪। খাদ্যশস্য মাড়াই ও সংরক্ষণের সময় তাতে ধুলা-বালি, পাথরকুঁচি ইত্যাদি যাতে মিশ্রিত না হয় তা দেখা;
৫। খাদ্যশস্য, শাক-সবজি ও ফলমূল উৎপাদনে ন্যূনতম কীটনাশক ব্যবহার;
৬। কেবল সরকার বা পৌরসভা কর্তৃক অনুমোদিত ও লাইসেন্সধারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন বা বিক্রয়ের ব্যবস্থা;
৭। ভেজাল খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন ও বিক্রয়ের জন্য কঠোর দণ্ডদানের ব্যবস্থা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা;
৮। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে খাদ্য ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদারকরণ এবং কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ;
৯। প্রচারণার মাধ্যমে ভেজাল খাদ্যের কুফল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা।
১০। কোনো প্রকার বৈষম্য বা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ;
১১। টিসিবির মাধ্যমে শুধু লাইসেন্সধারীদের নিকট ফরমালিন বিক্রি করা;
সর্বোপরি 'নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩' এর কঠোর প্রয়োগ এবং ভোক্তা-ক্রেতা সবার সচেতনতা, সাবধানতা ও সততার মাধ্যমেই নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভম্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
108

Related Question

View All
উত্তরঃ

যা ভোক্তার নিকট ক্ষতিকর হবে না এবং যা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহৃত হবে ভোগের জন্য তা-ই নিরাপদ খাদ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকেই খাদ্যের প্রাপ্যতা বলা হয়। পর্যাপ্ত উৎপাদন এবং নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের সরবরাহ নির্ভর করে সরকারি ও বেসরকারি খাদ্যশস্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উপর। কিছু কিছু জায়গায় পদ্ধতিগত দুর্বলতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা ও প্রয়োজনীয় খাদ্যে সরকারি সহযোগিতার অভাবে খাদ্যের প্রাপ্যতা বাধাগ্রস্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খাদ্যে ভেজালের কথা বলা হয়েছে। উক্ত বিষয়টি প্রতিরোধে সরকার যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇨ সরকার ভেজালবিরোধী আইনের মাধ্যমে সকল পর্যায়ে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সংসদে ভেজালবিরোধী আইন পাশ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

⇨ দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ভেজালে সহায়তাকারী বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

⇨ ভেজাল প্রতিরোধে সরকার জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি প্রদানের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে।

অতএব বলা যায়, সরকারের সদিচ্ছা এবং আইনের কার্যকরী প্রয়োগ দ্রুত দেশের ভেজাল প্রতিরোধ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। নিচে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

উন্নত বিশ্ব খাদ্যে ভেজালের বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দিতে নারাজ, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে তারা নিরাপদ খাদ্য পেতে চায়। নিরাপদ খাদ্য পেতে তারা খরচের কথা চিন্তা করে না। ফলে তাদের খাদ্যের সরবরাহ ভালো। তাদের খাদ্য ক্রয়-বিক্রয়ও অনেক ভালো।
কিন্তু বাংলাদেশে ঠিক এর ব্যতিক্রম অবস্থা। বাংলাদেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি হলেও এই খাদ্য সরবরাহ করার পরও মানুষ প্রচুর অপচয় করে। এই অপচয় রোধে বিক্রেতারা খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিনের মতো বিষও প্রয়োগ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি সব খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিন প্রয়োগ করছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। খাদ্যের এই ভেজাল দিন দিন মনে হয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আশু প্রতিক্রিয়া তেমন দেখা যাচ্ছে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

খাদ্য নিরাপত্তা হলো নির্ভরশীল স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পর্যাপ্ত যোগান যা ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বিদ্যমান থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
127
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী কর্তৃক শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট খাদ্যদ্রব্য গ্রহণকেই খাদ্যের ব্যবহার বলে।

শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে যে সব খাদ্য গ্রহণ করা হয়, তার আত্তীকরণের উপর নির্ভর করে খাদ্যের ব্যবহার। খাদ্যভোগের ধরন, পুষ্টিমান, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়গুলো সামাজিক, সাংস্কৃতিক উপাদান; যেমন- খাদ্যে প্রাপ্যতা খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা এবং তার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। দারিদ্র্য, লিঙ্গ, বয়স, কাঠামো ও সামর্থ্য, ভৌগোলিক অবস্থান, সংস্কৃতি চর্চা খাদ্যভোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
103
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews