মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
উদ্দীপকের B মৌলটি পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। কাজেই মৌলটি হতে ক্যালসিয়াম (Ca)।
যে সকল ধাতু মাটিতে যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার তৈরি করে তাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। বৈশিষ্ট্য অনুসারে গ্রুপ-2 এর মৌলসমূহকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। ক্যালসিয়াম (Ca) পর্যায় সারণির দ্বিতীয় গ্রুপে অবস্থিত একটি মৌল। মৌলটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে Ca(OH)2 গঠন করে। তাই ক্যালসিয়াম (Ca) কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
উদ্দীপকের A, B ও C মৌলগুলো যথাক্রমে পটাসিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca) ও স্ক্যান্ডিয়াম (Sc) এবং এরা পর্যায় 4 এ অবস্থিত।
পর্যায় সারণিতে যে কোন পর্যায়ে বামদিক থেকে যত ডানদিকে যাওয়া যায়, পরমাণুর আকার তথা পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ক্রমশঃ হ্রাস পেতে থাকে। চতুর্থ পর্যায়ের K থেকে Kr পর্যন্ত মৌলগুলোর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ক্রমশঃ হ্রাস পায়। এর কারণ হলো, একই পর্যায়ভুক্ত মৌলের পরমাণুগুলোর প্রধান শক্তিস্তর অপরিবর্তিত থাকায় পার্থক্যসূচক ইলেকট্রন একই কক্ষে স্থান পায়। কিন্তু, প্রোটন সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পাওয়ায় পরমাণুর বহিঃস্তরে অবস্থিত ইলেকট্রনগুলোর উপর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ বল তীব্রতর হয়। এর ফলে, একই পর্যায়ভুক্ত মৌলের পরমাণুগুলোর আকার ক্রমশ: হ্রাস পায়। সুতরাং, চতুর্থ পর্যায়ের মৌলগুলোর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের অনুক্রম: K > Ca > Sc > Ti> ....... Br> Kr |
গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোেল পরমাণু থেকে এক মোল ইলেকট্রন সরিয়ে একে একক ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় শক্তিকে আয়নিকরণ বিভব বলে। উদ্দীপকের A থেকে C মৌলগুলো হলো যথাক্রমে পটাসিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca) ও স্ক্যানডিয়াম (Sc)। মৌলগুলো পর্যায় সারণির ৪র্থ পর্যায়ে অবস্থিত। A থেকে C এর দিকে যেতে অর্থাৎ K থেকে Sc দিকে যেতে আয়নিকরণ শক্তির মানের পরিবর্তন নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
আয়নিকরণ শক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। যেকোনো পর্যায়ে যতই ডানদিকে যাওয়া যায় অর্থাৎ পারমাণবিক সংখ্যা যতই বাড়ে আয়নিকরণ শক্তি ততই বেড়ে যায়। কারণ পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কেন্দ্রের সাথে সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রনের আকর্ষণ বেড়ে যায়। ফলে সর্ববহিঃস্থ একটি ইলেকট্রন অপসারণ করতে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ আয়নিকরণ শক্তির মান বেশি হয়।
উদ্দীপকের K থেকে Sc এর দিকে মৌলসমূহের আয়নিকরণ শক্তির মান বৃদ্ধি পায়। কারণ একই পর্যায়ে K সর্ববামে এবং Sc ডানে অবস্থিত। Ca এর আয়নিকরণ শক্তির মান K ও Sc এর মাঝামাঝি।
সুতরাং K থেকে Sc এর দিকে মৌলসমূহের আয়নিকরণ শক্তির মানের পরিবর্তন নিম্নরূপ-
K < Ca < Sc
Related Question
View Allরাসায়নিকভাবে সদৃশ প্রতি ৩টি মৌলের মধ্যে মাঝের মৌলটির পারমাণবিক ভর মোটামুটিভাবে অপর মৌল দুটির পারমাণবিক ভরের গড় হয়- এটিই ডোবেরাইনার ত্রয়ী সূত্র।
বেরিয়াম (Ba) মৌলটি গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। এর অক্সাইড পানিতে ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে। এর সর্ববহিঃস্ত স্তরের দুটি ইলেকট্রন অধাতুকে দান করে আয়নিক যৌগ (লবণ) তৈরি করে। এটি বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে। তাই বেরিয়াম (Ba) কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
ক্ষার
প্রদত্ত উদ্দীপকে সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ফ্লোরিন (চ), ক্লোরিন (CI) এবং ব্রোমিন (Br) এই পাঁচটি মৌল অবস্থিত। এদের মধ্য Na, Mg ও CI মৌলত্রয় পর্যায় সারণির তৃতীয় পর্যায়ে এবং F, CI ও Br মৌলত্রয় পর্যায় সারণির 17 নং গ্রুপে অবস্থিত।
আমরা জানি, পর্যায় সারণির যে কোনো পর্যায়ে যতই বামদিক থেকে ডানদিকে যাওয়া যায় অর্থাৎ পারমাণবিক সংখ্যা যতই বাড়ে পরমাণুর আকার ততই হ্রাস পায়। অতএব উদ্দীপকের Na, Mg ও CI এর মধ্যে Na এর আকার সবচেয়ে বড় এবং CI এর আকার সবচেয়ে ছোট। এদের আকারের ক্রম হলো Na > Mg > Cl । Na এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ 0.154 nm এবং CI এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ 0.099 nm।
আবার একই গ্রুপের মৌলসমূহের বেলায় উপর থেকে নিচের দিকে গেলে পরমাণুর ইলেকট্রনের জন্য নতুন কক্ষপথ বা শক্তিস্তর যুক্ত হয়।
ফলে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পায়। F, CI ও Br মৌলগুলোর মধ্যে F একই গ্রুপের সবচেয়ে উপরে এবং Br সবচেয়ে নিচে অবস্থিত। অতএব, এদের আকারের ক্রম হলো F < Cl < Br Br এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ হলো 0.144nm |
উপরোক্ত আলোচনা হতে দেখা যায়, Na ও Br উভয়ের আকারই CI থেকে বড়। অর্থাৎ এদের ক্রম হলো- Na > Cl < Br কিন্তু Na ও Br এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ যথাক্রমে 0.154 nm ও 0.114 nm । সুতরাং উদ্দীপকের মৌলগুলোর মধে Na এর আকার সবচেয়ে বড়।
গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে।
উদ্দীপকের পর্যায়ের মৌলগুলো যথাক্রমে Na, Mg ও Cl
পর্যায় সারণির একই পর্যায়ে মৌলগুলোর জন্য বাম দিক থেকে ডান দিকে ইলেকট্রন আসক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। কারণ বাম থেকে ডান দিকে পারমাণবিক সংখ্যা। ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। ফলে নিউক্লিয়াসের প্রোটনের সংখ্যা বৃদ্ধি তথা ধনাত্মক চার্জ বৃদ্ধি পায় কিন্তু নতুন কোনো শক্তিস্তর সৃষ্টি না হওয়ায় নিউক্লিয়াস থেকে ইলেকট্রনের দূরত্ব তেমন বৃদ্ধি পায় না। ফলে ধনাত্মক চার্জের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। তাই অধিক আকর্ষণের জন্য মৌলগুলোের ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়।
এক্ষেত্রে উদ্দীপকের পর্যায়ের সর্ববামের মৌল Na এর আকার সবচেয়ে বড় এবং সর্বডানের মৌল Cl এর আকার সবচেয়ে ছোট। অতএব এ পর্যায়ের মৌলের আকারের ক্রম হলো Na > Mg > ........>Cl আবার, আমরা জানি মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ অর্থাৎ আকার বৃদ্ধি পেলে ইলেকট্রন আসক্তি হ্রাস পায় এবং আকার হ্রাস পেলে ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়। সুতরাং উদ্দীপকের পর্যায়ের মৌলগুলোের ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম হবে Na < Mg<..........
মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
উদ্দীপকের B মৌলটি পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। কাজেই মৌলটি হতে ক্যালসিয়াম (Ca)।
যে সকল ধাতু মাটিতে যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার তৈরি করে তাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। বৈশিষ্ট্য অনুসারে গ্রুপ-2 এর মৌলসমূহকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। ক্যালসিয়াম (Ca) পর্যায় সারণির দ্বিতীয় গ্রুপে অবস্থিত একটি মৌল। মৌলটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে Ca(OH)2 গঠন করে। তাই ক্যালসিয়াম (Ca) কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!