ভূগল শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা এরাটোসথেনিস (২৭৬–১৯৪ খ্রিস্টপূর্ব) প্রথম ব্যবহার করেন।
ভূগল শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা এরাটোসথেনিস (২৭৬–১৯৪ খ্রিস্টপূর্ব) প্রথম ব্যবহার করেন।
সমুদ্রবিজ্ঞান বা ওশানোগ্রাফি (Oceanography) হলো ভূগোলের একটি বিশেষ শাখা যেখানে সমুদ্রের সমস্ত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের ভৌত (physical) বৈশিষ্ট্য যেমন—জলরাশির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, ঘনত্ব, সমুদ্রস্রোত ও জোয়ার-ভাটা। এছাড়া সমুদ্রের রাসায়নিক (chemical) উপাদান, জৈবিক (biological) দিক যেমন—সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও প্রাণী এবং ভূতাত্ত্বিক (geological) দিক যেমন—সমুদ্রের তলদেশের ভূ-গঠন, পলির বিন্যাস ইত্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত। এটি সমুদ্রের পরিবেশ, সম্পদ এবং মানব জীবনে সমুদ্রের প্রভাব নিয়েও গবেষণা করে থাকে।
Related Question
View Allভূগল শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা এরাটোসথেনিস (২৭৬–১৯৪ খ্রিস্টপূর্ব) প্রথম ব্যবহার করেন।
ভূগল শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা এরাটোসথেনিস (২৭৬–১৯৪ খ্রিস্টপূর্ব) প্রথম ব্যবহার করেন।
সমুদ্রবিজ্ঞান বা ওশানোগ্রাফি (Oceanography) হলো ভূগোলের একটি বিশেষ শাখা যেখানে সমুদ্রের সমস্ত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের ভৌত (physical) বৈশিষ্ট্য যেমন—জলরাশির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, ঘনত্ব, সমুদ্রস্রোত ও জোয়ার-ভাটা। এছাড়া সমুদ্রের রাসায়নিক (chemical) উপাদান, জৈবিক (biological) দিক যেমন—সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও প্রাণী এবং ভূতাত্ত্বিক (geological) দিক যেমন—সমুদ্রের তলদেশের ভূ-গঠন, পলির বিন্যাস ইত্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত। এটি সমুদ্রের পরিবেশ, সম্পদ এবং মানব জীবনে সমুদ্রের প্রভাব নিয়েও গবেষণা করে থাকে।
ভূগোল শব্দটি সর্বপ্রথম ইরাটসথেনিস ব্যবহার করেছেন।
পৃথিবীর প্রায় চারভাগের তিনভাগই সমুদ্র। তাই সমুদ্রবিদ্যার বিষয়বস্তুও ব্যাপক।
সমুদ্রপথে যোগাযোগ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান, অবনমন, সমুদ্রের পানির রাসায়নিক গুণাগুণ ও লবণাক্ততা নির্ধারণ, সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি সমুদ্রবিদ্যার বিষয়বস্তুর অন্তর্গত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!