অনবায়নযোগ্য জ্বালানির দহনে কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে ছড়ায় ফলে পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। একে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে।
Related Question
View Allক্ষমতা ও শক্তির মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
| ক্ষমতা | শক্তি |
| ১. কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে। | ১. কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে। |
| ২. যার ক্ষমতা বেশি সে কম সময়ে বেশি কাজ করতে পারে। | ২. যার যত বেশি শক্তি সে তত বেশি কাজ করতে পারে। |
| ৩. ক্ষমতার একক জুল/সেকেন্ড বা ওয়াট। | ৩. শক্তির একক জুল। |
শক্তি শুধুমাত্র এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হতে পারে এবং শক্তি রূপান্তরের আগে ও পরে মোট শক্তির পরিমাণ সমান থাকে। প্রকৃতপক্ষে আমরা কোনো নতুন শক্তি সৃষ্টি করতে পারি না, এমনকি শক্তি ধ্বংসও করতে পারি না। অর্থাৎ বিশ্বের সামগ্রিক শক্তির কোনো তারতম্য ঘটে না। এ বিশ্ব সৃষ্টির প্রথম মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল, আজও সেই পরিমাণ শক্তি বিদ্যমান। এটাই হলো শক্তির নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা।
শক্তির সংকট সৃষ্টির কারণগুলো নিম্নরূপ-
১: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর জন্য অধিক হারে শক্তির প্রয়োজন হচ্ছে।
২. উন্নয়নশীল দেশসমূহ ব্যাপকহারে দালান-কোঠা, রাস্তা-ঘাট, কল-কারখানা ইত্যাদি নির্মাণ করছে এবং যানবাহন ব্যবহার করছে। এসব নির্মাণ কাজে এবং যানবাহন চালানো ও রক্ষণাবেক্ষণে অধিক শক্তি ব্যয় করছে।
৩. মানুষ উন্নত জীবনযাপনের জন্য বিলাসবহুল বাড়িঘর নির্মাণ করে। রেডিও, টিভি, ভিসিআর, কম্পিউটার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রপাতি অধিকহারে ব্যবহার করার ফলে শক্তির সংকট বাড়ছে।
৪. মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য, কাজকর্ম ও যোগাযোগ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে অধিক শক্তি ব্যয় হচ্ছে।
উপরোক্ত কারণসমূহের পিছনে প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেওয়ার ব্যর্থতা বিদ্যমান যার কারণে শক্তির সংকট তৈরি হয়।
অনবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা মূলত দুটি দিক থেকে পাওয়া যায়। এগুলো হচ্ছে দাম ও প্রাচুর্যতা। বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি বা যানবাহন যেগুলো অনবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চলে, এদের নবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চালাতে অনেক বেশি খরচ লাগে। যেমন, সাধারণ বা প্রাকৃতিক গ্যাস বা তেলে কম খরচে এসব যানবাহন বা যন্ত্রপাতি চলে। অপরপক্ষে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, যেমন- রিচার্জেবল ব্যাটারি, সৌরশক্তি দ্বারা কোনো যানবাহন চালানো কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। বর্তমানে আমাদের দেশে রিচার্জ করা যায় এমন ব্যাটারির সাহায্যে বিভিন্ন যানবাহন চলছে, যা বেশ ব্যয়বহুল ও শক্তির সংকট তৈরি করে। অপরপক্ষে অনবায়নযোগ্য জ্বালানি সস্তা। এদের অল্প পরিমাণ থেকে বেশি শক্তি পাওয়া যায়, যেমন পারমানবিক চুল্লিতে অল্প ইউরেনিয়াম থেকে অনেক বিদ্যুৎ শক্তি পাওয়া যায়।
কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করে বস্তুটিকে বলের দিকে এক স্থান হতে অন্য স্থানে সরানোকে কাজ বলে। তাহলে কাজ হচ্ছে বল এবং সরণের গুণফল।
আমরা জানি,
কাজ = বল সরণ
=53
= 15 J
রবিউলের কাজ 15J I
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!