সাধারণত ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, বলপ্রয়োগ বা ভয় প্রদর্শন, প্রভাব খাটানো এবং ব্যক্তি বিশেষকে বিশেষ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে প্রশাসনের ক্ষমতা অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জন করাই হলো দুর্নীতি।
ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে এইডস রোগ প্রতিরোধ করা যায়। এইডস রোগের একমাত্র পরিণাম হলো মৃত্যু। এর কোনো প্রতিষেধক নেই। ধর্মীয় অনুশাসন অনুসরণ করা এবং স্বভাব ও আচরণে সমাজ নির্ধারিত আদর্শ মেনে চলার মাধ্যমে এইডসের মতো ভয়াবহ রোগকে প্রতিহত করা যায়। সংযমী জীবনযাপন করলে এবং একজন সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ততা বজায় রাখলে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা সম্ভব হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা-১ এর পিছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো দারিদ্র্য।
নারীর প্রতি সহিংসতার নানা ধরনের মধ্যে যৌন হয়রানি অন্যতম। এটি নৈতিকতার চরম অবক্ষয়, নারীর প্রতি এ ধরনের সহিংসতার নানা কারণও রয়েছে। এর মধ্যে দারিদ্র্য একটি প্রধান কারণ হলো উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ, কলি আর্থিক অনটনের কারণে বেশি লেখাপড়া করতে পারেনি। এ কারণে তাকে ঢাকায় একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ নিতে হয়। পথে একদিন সে বখাটে ছেলেদের দ্বারা নিগৃহীত হয়। তার এরূপ হেনস্থা হওয়ার জন্য দারিদ্র্যই প্রধানত দায়ী। দারিদ্র্য ঘোচাতে কাজের খোঁজে এসে অনেক নারী সহিংসতার শিকার হয়। বাংলাদেশে নারী শ্রমিকের একটা বিরাট অংশ পোশাক শিল্পে কাজ করে। এসব নারী শ্রমিক রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে বা শয়নকক্ষ সংকটের কারণে একই ঘরে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বসবাস করার কারণে অনেকেই যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ কলির ক্ষেত্রে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তার জন্য মূলত দারিদ্র্যই দায়ী।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা-২ এ উল্লিখিত চালককে উক্ত অপরাধ থেকে বিরত রাখতে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ ও আইন মানতে উৎসাহ প্রদান করা যেতে পারে বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশের শহরে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। চালকদের গাড়ি চালানোর সকল আইন ও নিয়মনীতি সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। তবে তারা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর ব্যাপারে সচেতন হবে। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ উল্লিখিত রহমান সাহেবের ড্রাইভার বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালায়। লাল বাতি অমান্য করে গাড়িটি রাস্তার পাশে হকারদের দ্রব্যের সাথে ধাক্কা লেগে তাদের বিক্রিত দ্রব্য নষ্ট করে দেয়। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে গাড়ি চালককে ট্রাফিক আইন- কানুন ও নিয়মশৃঙ্খলা মেনে গাড়ি চালাতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সাইড, সিগন্যাল, গতি মেনে সতর্কভাবে গাড়ি চালাতে গাড়ি চালককে উৎসাহিত করতে হবে। বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর ব্যাপারে 0 চালককে সচেতন করতে হবে এবং আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
তাই বলা যায়, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং নিয়মাবলি মানতে বাধ্য করার মাধ্যমে ঘটনা-২ এ উল্লিখিত চালককে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অপরাধ থেকে বিরত রাখা যাবে বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allএইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস, যার পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency Virus) ।
এইডস হচ্ছে এমন একটি ধ্বংসাত্মক ব্যাধি যা এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এইডস রোগটি ছড়ানোর বিভিন্ন উপায় থাকলেও এর অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে যৌন মিলন। অর্থাৎ এইচআইভি সংক্রমিত পুরুষ বা মহিলার সাথে যৌন মিলনে এ রোগ ছড়াতে পারে।
ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হলেন যে, রিমির মা এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।
এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস। এ ভাইরাসের পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency virus) সংক্ষেপে এইচ আইভি (HIV)। এটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহের নিজস্ব, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। এ ভাইরাস অনেকদিন পর্যন্ত শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। সাধারণত এর সুপ্তিকাল ৬-৭ মাস। উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পিতার ছয় মাস পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে এইডস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করেন। এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হলো এইডস। যদি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারও দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায় তবেই তাকে এইচআইভি পজিটিভ বলা হয়। এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত হয়। যা ব্যক্তির অনিবার্য পরিণতি অকাল মৃত্যু। তাই বলা যায়, রিমির মায়ের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার নিশ্চিত হয়েছেন যে তিনি এইডস রোগে আক্রান্ত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পরিবারের সমস্যা মোকাবিলায় 'নির্মল হাসি' সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়, মানবিক ও সময়োপযোগী।
এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। তাই এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমাজ, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা অনুচিত। এক্ষেত্রে উদ্দীপকে 'নির্মল হাসি' উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম প্রশংসনীয়। রিমির বাবা সিঙ্গাপুরে চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থতাবোধ করলে দেশে ফিরে আসেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর ছয় মাস পর তার মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্মল হাসি নামক উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা শুরু করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার তাকে এইডস রোগে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করলে পরিবারটি বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত হয়। এ সমস্যা প্রতিরোধে নির্মল হাসি সংস্থা পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়ায় এবং- নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন- সামাজিক ও মানসিক সমর্থনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রোগীর প্রতি সমাজের অন্যান্যদের মানসিক ও সামাজিক সমর্থন আদায়ে প্রচেষ্টা চালায়। রোগীর সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং স্নেহ- ভালোবাসা দিয়ে রোগীর মনকে প্রফুল্ল রাখতে চেষ্টা করে। রোগীকে সবার কাছ থেকে আলাদা না করার জন্য পরিবারের সদস্যদের উপদেশ দেয় এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখে।
তাই বলা যায়, এইডস রোগীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো মোকাবিলায় নির্মল হাসি সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রশংসার দাবিদার।
বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের প্রতিবেদন অনুসারে ২০০১ সালে বাংলাদেশ ৪,০৯১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। গাড়ি চালানোর জন্য যেসব আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না। এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব চালকদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের, যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!