ঘটনা-১-এ সূর্যোদয়ের দেশ জাপান এবং ঘটনা-২-এ চীনের কথা বলা হয়েছে। দুটি দেশই অর্থনৈতিকভাবে বেশ সমৃদ্ধ।
জাপানের অর্থনীতি শিল্পনির্ভর। এখানকার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে শিল্প। শিল্পে জাপান বিশ্বের শীর্ষস্থানে রয়েছে। এখানকার প্রধান শিল্প হচ্ছে লোহা ও ইস্পাত, ইলেকট্রোনিক সামগ্রী, জাহাজ ও গাড়ি নির্মাণ, বস্ত্র, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, ঔষধ এবং বিভিন্ন প্রকার ভারী যন্ত্রপাতি। জাপানের খনিজ সম্পদের মধ্যে রয়েছে- প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, লোহা, সীসা, ম্যাংগানিজ, সোনা, রূপা প্রভৃতি।
অন্যদিকে, চীনের অর্থনীতি প্রধানত শিল্প ও সেবাখাত নির্ভর। দেশটির প্রধান শিল্প লৌহ, ইস্পাত, রেশম, সার, যন্ত্রপাতি, সিমেন্ট, কাগজ, চিনি, ঔষধ ও বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রোনিক সামগ্রী। চীনের খনিজ সম্পদের মধ্যে রয়েছে পেট্রোলিয়াম, আকরিক লৌহ, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, স্বর্ণ, কয়লা প্রভৃতি। সার্বিক আলোচনা শেষে বলা যায়, চীন এবং জাপান তাদের শ্রম, মেধা আর প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নত দেশের তালিকায় নিজেদের স্থান করে নিয়েছে।
Related Question
View Allমালয়েশিয়ার রাজধানীর নাম কুয়ালালামপুর।
বহুজাতি দেশ বলতে বোঝায় যে দেশটিতে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের লোক বাস করে।
উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী দেশ ভারতের কথা বলা যায়। এদেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, শিখ, জৈনসহ বহু ধর্মের লোক বাস করে। এছাড়া পূর্ব এশিয়ার দেশ চীনকেও বহুজাতির দেশ বলা যায়। কারণ এখানে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের লোক বাস করে।
অনিন্দ্য যে দেশটিতে ভ্রমণ করতে গিয়েছিল সেটির নাম হচ্ছে ভারত। ভারতের সাথে বাংলাদেশের জলবায়ুর যথেষ্ট মিল আছে।
ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ। অর্থাৎ এখানে শীত বা গ্রীষ্ম কোনোটাই তীব্র নয়। এছাড়া ভারতের জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব লক্ষ করা যায়, যার কারণে সেখানে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের জলবায়ুতেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাব লক্ষ করা যায় এবং এর প্রভাবে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার এ দুটি দেশের জলবায়ুই সমভাবাপন্ন। আবার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুই দেশেই ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়ে থাকে। এ সমস্ত কারণে বলা যায়, এ দুটি দেশের জলবায়ুর ক্ষেত্রে মিল আছে।
উদ্দীপকের অনিন্দ্যের ভ্রমণকৃত দেশটির উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা এবং পশ্চিমে হিন্দুকুশ ও সুলেমান পর্বতমালা। দেশটি প্রাচীন শিল্পকলা ও সভ্যতা, সমৃদ্ধ। এশিয়া মহাদেশের দেশ ভারত প্রাচীন সভ্যতা সমৃদ্ধ দেশ। তাই বলা যায়, অনিন্দ্যের ভ্রমণকৃত দেশটি হলো ভারত। উক্ত দেশটির সাথে বাংলাদেশের জলবায়ুর সাদৃশ্য বিদ্যমান।
অনিন্দ্যের ভ্রমণকৃত দেশটি তথা ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম।
ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী রাষ্ট্র। নিকটতম প্রতিবেশী হওয়ায় বাংলাদেশের যেকোনো সমস্যায় ভারতই প্রথমে এগিয়ে আসতে পারে। যেমনটি আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেখতে পেয়েছি। সে সময় তারা অস্ত্র, অর্থ ও সৈন্য সরবরাহ করে আমাদের সাহায্য করেছিল। তাছাড়া আমাদের এক লক্ষ শরণার্থীর থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও তারা করেছিল।
ভারত আমাদের তুলনায় অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। সুতরাং তাদের সার্বিক সহযোগিতা পেলে আমরাও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারব। এছাড়া পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও তারা আমাদের বেশি সহযোগিতা করতে পারবে। যে কারণে তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রক্ষা করা জরুরি।
উপরের আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক যথেষ্ট গুরুত্ববহ।
পৃথিবীর বৃহত্তম পর্বতমালার নাম হিমালয়।
পাঁচ হাজার বছর আগের সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যাওয়ায় ভারতকে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা সমৃদ্ধ দেশ বলা হয়।
দক্ষিণ ভারতের অজন্তা পর্বতগুহার চিত্রকর্ম, সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা অজস্র প্রাচীন মন্দির ও ভাস্কর্য, আগ্রার তাজমহল, দিল্লির কুতুব মিনার, লালকেল্লা প্রভৃতি ভারতের প্রাচীন সভ্যতার পরিচয় বহন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!