ঘটনা-১: জনাব হারুন একটি বিখ্যাত পোশাক শিল্প কারখানার মালিক। তিনি প্রতিবছর পোশাক রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন। তিনি ব্যবসায় আয় থেকে সরকারকে একটি নির্দিষ্ট হারে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করেন। ঘটনা-২: জনাব আহসান জাতীয় সংসদের একজন সদস্য। তিনি মহান সংসদে নাগরিকের চিন্তা ও বাকস্বাধীনতার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে একটি আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করেন এবং পরবর্তীতে আইনটি পাস হয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অ্যারিস্টটলের মতে, রাষ্ট্র হলো স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবনের জন্য কতিপয় পরিবার ও গ্রামের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ধর্মীয় আইনকে মানুষ তার স্বীয় ধর্মমতে সৃষ্টিকর্তার বিধান হিসেবে গ্রহণ করে বলে ধর্মীয় আইন অন্যান্য উৎসের আইনের তুলনায় মানুষের জীবনকে বেশি প্রভাবিত করে। ন্যায়-অন্যায়, পাপ- পুণ্য ইত্যাদি মূল্যবোধ ধর্ম চিহ্নিত করেছে বলে প্রাচীন ও মধ্যযুগে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ধর্মীয় রীতিনীতি প্রভাব বিস্তার করে। বর্তমান যুগেও ধর্মীয় বিধানাবলি রাষ্ট্রীয় আইনে স্বীকৃত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হারুন সাহেবের কর্মকাণ্ডে, নাগরিকের নিয়মিত কর প্রদান করা কর্তব্যের প্রতিফলন ঘটেছে।

রাষ্ট্র যেমন নাগরিকদের বিবিধ সুযোগ-সুবিধা ও অধিকারের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে তেমনি রাষ্ট্রের প্রতিও নাগরিকদের কতকগুলো দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। নাগরিকদের কিছু উল্লেখযোগ্য কর্তব্য হলো রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা, প্রচলিত আইন ও সংবিধান মেনে চলা, সুবিবেচনার সাথে ভোট প্রদান করা, নিয়মিত কর ও খাজনা প্রদান করা, রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা ইত্যাদি। রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রধান উৎস নাগরিকদের প্রদেয় কর ও খাজনা। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। নাগরিকদের স্বার্থে পরিচালিত এসব কর্মের ব্যয় নির্বাহে নাগরিকদের কর প্রদান একটি অবশ্য কর্তব্য। উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ জনাব হারুন-একটি পোশাক কারখানার মালিক এবং তিনি তার আয় থেকে সরকারকে নির্দিষ্ট হারে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করেন। আর তার প্রদেয় এ অর্থই হলো কর, যা প্রতিটি উৎপাদনশীল ব্যক্তির জন্য প্রগতিশীল হারে প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক কর্তব্য। সুতরাং, উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ হারুন সাহেবের কর্মকাণ্ডে নাগরিকের কর প্রদান কর্তব্যটির প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকে আহসান সাহেবের প্রস্তাবিত আইনটির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের অনুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রে আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সকল নাগরিক সমানভাবে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে এবং সকলের অধিকার রক্ষিত হতে পারে। আইনের অনুশাসন সমাজে স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে। আইনের প্রাধান্য স্বাধীনতার রক্ষাকবচ। আর ব্যক্তির স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হলে সেখানে সুশাসন প্রত্যয়টি প্রহসনে পরিণত হয়। অতএব, আইন সুশাসনের জন্য অপরিহার্য। উদ্দীপকে ঘটনা-২ এ দেখা যায় যে, জনাব আহসান জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে দেশের আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করেন এবং উক্ত আইনটি পরবর্তীতে পাস হয়। তার আনীত আইনটি নাগরিকের চিন্তা ও বাকস্বাধীনতার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত হয়েছে। চিন্তা ও বাকস্বাধীনতা বাংলাদেশে একটি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত অধিকার। উক্ত আইনটির মাধ্যমে সাংবিধানিক অধিকারটির রক্ষাকবচস্বরূপ আরও একটি আইনি ভিত্তি রচিত হয়েছে। ফলে নাগরিকদের চিন্তা ও বাকস্বাধীনতার পথ আরও অধিক সুগম হয়েছে যা রাষ্ট্রে শাসকদের যৌক্তিক সমালোচনার দ্বার উন্মুক্ত করবে। ফলে সমালোচনার ভয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যেমন সংযত হবে, তেমনিভাবে মুক্তবুদ্ধির চর্চাও সমানভাবে এগিয়ে চলবে। এভাবে ধনী-দরিদ্র, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের চিন্তা ও বাকস্বাধীনতা তথা গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা বিধান করার মাধ্যমে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে এক ধাপ এগিয়ে যাবে। আর তাই আহসান সাহেবের প্রস্তাবিত আইনটির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
199
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

নাগরিকত্ব বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের রাজনৈতিক অধিকার ও নাগরিক সুবিধা ভোগ করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে বাধ্য হওয়া। বৃহৎ অর্থে নাগরিক হচ্ছেন তিনি, যিনি তার রাষ্ট্রে স্থায়িভাবে বসবাস করেন এবং ঐ রাষ্ট্রের আইন, সংবিধান ও অন্যান্য নির্দেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

জনাব মোবারক হোসেন কর্তৃক শ্রমনীতি প্রণয়ন রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক বা ঐচ্ছিক কাজ।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর আদায়ের মধ্যেই শুধু রাষ্ট্রের ভূমিকা সীমাবদ্ধ নয় বরং রাষ্ট্রকে অবশ্যই সমাজের সামগ্রিক উন্নতির জন্য; নাগরিকদের নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশে কল্যাণমূলক ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়; যা কল্যাণমূলক বা ঐচ্ছিক কাজ বলে পরিগণিত। রাষ্ট্রের বিশাল কর্মীবাহিনীকে পরিচালনা করা ও নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য শ্রমনীতি প্রণয়ন এবং এ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজের অন্তর্ভুক্ত। এক্ষেত্রে শ্রমিকদের ন্যূনতম সঠিক মজুরি ও কাজের সময় নির্ধারণ, কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, বোনাস, ইন্স্যুরেন্স, পেনশন সুবিধা প্রদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক তৈরি, বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার জন্য শ্রম অফিসার নিয়োগ প্রভৃতি শ্রমনীতির অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
827
উত্তরঃ

হ্যাঁ, অনুচ্ছেদের আলোকে 'ক' রাষ্ট্রকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বলা যায়।

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র সমাজের সামগ্রিক উন্নতির জন্য নাগরিকদের নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশে কাজ করে। উদ্দীপকের অনুচ্ছেদে দেখা যায়, 'ক' নামক রাষ্ট্রটি শ্রমনীতি প্রণয়ন, বয়স্ক ভাতা, পেনশন বৃদ্ধির জন্য আইন, হাসপাতাল নির্মাণ, বিনামূল্যে বই বিতরণ এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন প্রণয়ন করে থাকে; যা কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিলক্ষিত। রাষ্ট্রের জনসাধারণকে। শিক্ষিত করে তোলা কল্যাণ রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ লক্ষ্যে সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন, নারী শিক্ষার প্রতি গুরুত্বসহ বয়স্ক শিক্ষার ব্যবস্থা করে, নিরক্ষরতা দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদেরকে বই প্রদান করে। অপরদিকে, জনসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং সমস্ত বিদ্যমান বিভিন্ন বৈষম্য ও কুপ্রথা দূরীকরণে রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং অসুস্থদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান (বিনামূল্যে ও স্বল্প খরচে), হাসপাতাল, দাতব্য চিকিৎসালয়, শিশুসদন, মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, দেশব্যাপী অস্থায়ী হেল্থ ক্যাম্পেইন প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে। তাছাড়া জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিশুদ্ধ পানীয় জলের সুব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, রোগ প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক টীকা প্রদান প্রভৃতি সেবা রাষ্ট্র প্রদান করে। এছাড়া যৌতুক ও বর্ণপ্রথা দূরীকরণ, বাল্যবিবাহ রোধ, জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সুতরাং বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রটি একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
777
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের জনসাধারণকে শিক্ষিত করে তোলা রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। কেননা শিক্ষিত নাগরিক অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্বন্ধে সচেতন থাকেন। আর তাই শিক্ষা বিস্তারে রাষ্ট্র অধিক গুরুত্ব প্রদান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
508
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews