ঘটনা-১: সুমন তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর ছোট বোনকে বিয়ে করে। 

ঘটনা-২: ফরিদ তার মামাতো বোনকে বিয়ে করে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

'The History of Human Marriage' বইটি ফিনল্যান্ডের সমাজবিজ্ঞানী ওয়েস্টারমার্ক এর লেখা।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

প্রথাগত জ্ঞাতি হলো কাউকে প্রথাগত সূত্রে আত্মীয় করে নেয়া। প্রথাগত জ্ঞাতি সম্পর্ক নির্ধারিত হয় একই স্থানে বা এলাকায় বসবাসরত মানুষদের মধ্যে। যেমন- একই পাড়ায় বসবাসকারী বাবা-চাচার বয়সী ব্যক্তিকে চাচা ডাকা। এ জ্ঞাতিসম্পর্কের ক্ষেত্রে রক্ত সম্পর্ক নির্দিষ্ট হতেও পারে নাও পারে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

ঘটনা-২ হলো বিষম কাজিন বা ক্রস কাজিন বিবাহ। বিবাহের যেসব প্রকারভেদ রয়েছে তার মধ্যে বিষম কাজিন বিবাহ একটি। যখন মামাতো-ফুপাতো ভাইবোনের মধ্যে বিবাহ সংঘটিত হয় তখন তাকে বিষম কাজিন বিবাহ বলে। পারিবারিক সম্পর্ককে আরো জোরদার ও সুদীর্ঘ করার জন্য এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। মুসলিম সমাজে এ ধরনের বিবাহ বিদ্যমান। বিষম কাজিন বিবাহ রীতিতে সম্পতি নিকট জ্ঞাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে বলে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত জটিলতা থাকে না। 

উদ্দীপকে ফরিদ তার মামাতো বোনকে বিবাহ করে। বিবাহ রীতি অনুযায়ী এটি বিষম কাজিন বিবাহ। কেননা মামাতো ফুফাতো ভাইবোনের মধ্যে বিবাহ সংঘটিত হলে তাকে বিষম কাজিন বিবাহ বলে, উপরের আলোচনায়ও ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা-২ বিষম কাজিন বিবাহ নির্দেশ করছে

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

ঘটনা-১ উল্লিখিত বিবাহটি হলো সরোরেট বিবাহ।

কোনো ব্যক্তির স্ত্রী মারা গেলে ঐ ব্যক্তি তার মৃত স্ত্রীর বোনকে বিবাহ করলে তাকে সরোরেট বিবাহ বলে। এ বিবাহ প্রথাটি অবশ্য পালনীয় হয় যদি মৃত স্ত্রী কোনো সন্তান রেখে যান। উত্ত বিবাহ প্রথাটিকে শালিকা বিবাহ রীতিও বলা হয়।

উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ সুমন তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর ছোট বোনকে বিবাহ করে যেটি সরোরেট বিবাহ বলে অভিহিত। এ বিবাহের বিভিন্ন সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে। এ ধরনের বিবাহের ফলে দুই পরিবারের মধ্যকার স্থাপিত আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ থাকে। দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকে আত্মীয়তার বন্ধন থাকায় তাদের মধ্যে সমঝোতা ভালো হয়। এছাড়া মৃত স্ত্রী যদি কোনো সন্তান রেখে যান ঐ সন্তানের সঠিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হয়।

উল্লিখিত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, বিবাহের অন্যান্য প্রকারভেদের মতোই সরোরেট বিবাহ সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।-

Tamanna
Tamanna
1 year ago
476

Related Question

View All
উত্তরঃ

নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত সূক্ষ্ম অনুভূতি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
342
উত্তরঃ

আদিম সমাজে মানুষে মানুষে সহযোগিতার সম্পর্ক ছিল। আদিম সমাজে সংহতি ও সম্প্রীতিবোধ ছিল দৃঢ়। ঐ সময় সংগৃহীত খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য জিনিসপত্র জ্ঞাতিগোষ্ঠীর মধ্যে দান ও উপহার হিসেবে লেনদেন চলত। জিনিসপত্র ক্রয় বা সঞ্চয় করে রাখার মন- মানসিকতা মানুষের মধ্যে গড়ে উঠে নি। এ ধরনের লেনদেন। সমাজের সংহতি রক্ষায় বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
547
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মানিকের কাজের মধ্যে পরিবারের অর্থনৈতিক কার্যাবলির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

পরিবারের ভরণপোষণ করার জন্য আয় ও উৎপাদন করতে হয় এবং তা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হয়। আয়ের কিছু অংশ দুর্দিনের জন্য জমা করেও রাখা হয়। জীবন বিমা, শিল্পে লগ্নি, ব্যবসা, জমি ক্রয় অথবা চাকরি ইত্যাদি যেভাবেই হোক, কিছু না কিছু সঞ্চয় করতেই হয়। এসব আয় ব্যয় ও সঞ্চয় মূলত পরিবারের অর্থনৈতিক কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত। মানিক সংসারের অর্থ উপার্জনের জন্য একটি বেসরকারি অফিসে কাজ করে। আর এ কাজ পরিবারের অর্থনৈতিক কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত। 

তাই বলা যায়, মানিকের কাজে পরিবারের অর্থনৈতিক কার্যাবলির ইঙ্গিত রয়েছে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
286
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থাৎ বিবাহ ও পরিবার সমাজবিজ্ঞানের পরিধিভুক্ত- আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণভাবে একমত। 

মানবসমাজের সবচেয়ে আদিম সংগঠন হলো পরিবার। প্রাচীনকালে পরিবারকে কেন্দ্র করেই মানবসমাজের সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। সমাজবিজ্ঞান হলো এমন একটি বিজ্ঞান যা সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং এগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করে।

সমাজবিজ্ঞানের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো পরিবার সমাজবিজ্ঞান। পরিবারের উৎপত্তি, বিবর্তন, বিকাশ, ধরন, পরিবর্তনশীল পরিবারের কার্যাবলি ও পরিবারের সমস্যা সম্পর্কে সমাজবিজ্ঞানের এ শাখায় আলোচনা করা হয়। তাছাড়া পরিবার গঠিত হওয়ার মূল ভিত্তি বিবাহ নিয়েও সমাজবিজ্ঞানের এ শাখা আলোচনা করে। বিবাহ সম্পর্কিত আলোচনায় স্থান, কাল ও পাত্রভেদে বিবাহের ধরন, প্রকৃতি, রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান প্রভৃতি বিষয় প্রাধান্য লাভ করে।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, বিবাহ ও পরিবার নিশ্চিতভাবেই সমাজবিজ্ঞানের পরিধিভুক্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
287
উত্তরঃ

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হলো সুসংবদ্ধ জ্ঞান আহরণ।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
467
উত্তরঃ

একটি সুনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে দুই বা ততোধিক সামাজিক ঘটনা বা প্রপঞ্চের মধ্যে কার্য-কারণ সম্পর্ক নির্ণয় করার পদ্ধতিকে সমাজ গবেষণায় ব্যবহৃত পরীক্ষণ পদ্ধতি নামে অভিহিত করা হয়। 

সমাজ গবেষণায় দুটি চলকের মধ্যকার সম্পর্কের রূপ-প্রকৃতি সম্পর্কে কোনো কল্পনা, যাচাই বা পরীক্ষা করে দেখার জন্য পরীক্ষণ পদ্ধতির সাহায্য নেয়া হয়। এর একটি চলক হলো স্বাধীন, যার প্রভাব লক্ষ করা যায় আরেকটি নির্ভরশীল চলকের ওপর। যেমন- পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে স্বাধীন চলক এবং এর ফলে পরিবর্তনকে নির্ভরশীল চলক বলে আখ্যায়িত করা যায়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
502
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews