ঘটনা ১: নবম শ্রেণির ছাত্র 'Z' খারাপ সৃঙ্গীদের সঙ্গে মিশে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। যেগুলোর জন্য রাষ্ট্রীয় আইনে সাজা পাবার কথা।

ঘটনা ২: অধিক মুনাফার আশায় কিছু অসাধু বিক্রেতা মিলে একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য গুদামজাত করে। ফলে দ্রব্যটির কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। দ্রব্যটির দাম বেড়ে গেলে জনগণকে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক বিশৃঙ্খলার চরম রূপ হচ্ছে সামাজিক নৈরাজ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নারীর প্রতি সহিংসতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ দারিদ্র্য। দারিদ্র্য ঘোচাতে কাজের খোঁজে এসে অনেক নারী সহিংসতার শিকার হয়। বাংলাদেশে নারী শ্রমিকের একটা বিরাট অংশ পোশাক শিল্পে কাজ করে। এসব নারী শ্রমিক রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে বা শয়নকক্ষ সংকটের কারণে একই ঘরে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বসবাস করার কারণে অনেকেই যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। এছাড়াও বাসাবাড়িতে কাজ করে এমন গৃহকর্মী নারী বা শিশু অনেকেই যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ঘটনা-২ দ্বারা দুর্নীতি নামক সামাজিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।

ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অবৈধ পন্থায় নীতি-বহির্ভূত বা জনস্বার্থবিরোধী কাজই দুর্নীতি। রাজনৈতিক এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনে দুর্নীতি বলতে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা লাভের জন্য কার্যালয়ের দায়িত্বের অপব্যবহারকে বুঝায়। সাধারণত ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, বলপ্রয়োগ বা ভয় প্রদর্শন, প্রভাব খাটানো এবং ব্যক্তি বিশেষকে বিশেষ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে প্রশাসনের ক্ষমতা অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত' স্বার্থ অর্জনকে দুর্নীতি বলে। অবৈধ সুযোগ-সুবিধা লাভের জন্য কোনো ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃত অবহেলাও দুর্নীতি। দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকে পেশা, ক্ষমতা, পদবি, স্বার্থ, নগদ অর্থ, বস্তুসামগ্রী প্রভৃতি। দুর্নীতির মাধ্যমে কাউকে না কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। এ অপরাধের প্রকৃতি ও কলাকৌশল আলাদা। এ কাজে দৈহিক শ্রমের চেয়ে ধূর্ত বুদ্ধির প্রয়োজন বেশি। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ তেমনটিই লক্ষণীয়। অসৎ বুদ্ধি প্রয়োগে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে অবৈধভাবে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নেয় কিছু অসাধু বিক্রেতা। এটি স্পষ্টত দুর্নীতির পর্যায়ভুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা-১ ও ২ এ যথাক্রমে কিশোর অপরাধ ও দুর্নীতি নামক প্রধান দুটি সামাজিক সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে। আর এ দুটি সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা। প্রশ্নোত্ত উক্তিটির সাথে আমিও একমত পোষণ করি।

কিশোর অপরাধ প্রতিটি সমাজের জন্য একটি উদ্বেগজনক সামাজিক সমস্যা। আগামী দিনে কিশোররাই দেশ ও জাতির নেতৃত্ব প্রদান করবে। তাই কিশোরদেরকে সকল প্রকার অন্যায় ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে প্রথমত এবং প্রধানত পরিবারকে সচেতন হতে হবে। আর অভিভাবক যদি তাদের কিশোর সন্তানের সার্বিক ব্যাপারে সচেতনতা অবলম্বন করেন তাহলে ঐ কিশোরের বিপথে যাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। অনুরূপভাবে দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক আন্দোলন। গণসচেতনতা গড়ে তোলার কার্যকর হাতিয়ার হলো গণমাধ্যম। গণমাধ্যমে দুর্নীতি সম্পর্কে তথ্য প্রচার করে গণসচেতনতা গড়ে তোলা সম্ভব। সমাজের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হলে দুর্নীতি নির্মূল করা যায়। উপার্জন, ব্যয়, সম্পদের হিসাব প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমেও অনেক দুর্নীতিবাজদের মুখোশ খোলা সম্ভব। দুর্নীতিবাজ, নকলবাজ, প্রতারক ও মুখোশধারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনলে দুর্নীতি উচ্ছেদ সহজতর হবে। তাছাড়া পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটলে সমাজ থেকে কিশোর অপরাধ ও দুর্নীতির অবসান ঘটবে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
137

Related Question

View All
উত্তরঃ

এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস, যার পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency Virus) ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
281
উত্তরঃ

এইডস হচ্ছে এমন একটি ধ্বংসাত্মক ব্যাধি যা এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এইডস রোগটি ছড়ানোর বিভিন্ন উপায় থাকলেও এর অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে যৌন মিলন। অর্থাৎ এইচআইভি সংক্রমিত পুরুষ বা মহিলার সাথে যৌন মিলনে এ রোগ ছড়াতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
274
উত্তরঃ

ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হলেন যে, রিমির মা এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস। এ ভাইরাসের পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency virus) সংক্ষেপে এইচ আইভি (HIV)। এটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহের নিজস্ব, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। এ ভাইরাস অনেকদিন পর্যন্ত শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। সাধারণত এর সুপ্তিকাল ৬-৭ মাস। উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পিতার ছয় মাস পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে এইডস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করেন। এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হলো এইডস। যদি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারও দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায় তবেই তাকে এইচআইভি পজিটিভ বলা হয়। এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত হয়। যা ব্যক্তির অনিবার্য পরিণতি অকাল মৃত্যু। তাই বলা যায়, রিমির মায়ের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার নিশ্চিত হয়েছেন যে তিনি এইডস রোগে আক্রান্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
262
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পরিবারের সমস্যা মোকাবিলায় 'নির্মল হাসি' সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়, মানবিক ও সময়োপযোগী।

এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। তাই এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমাজ, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা অনুচিত। এক্ষেত্রে উদ্দীপকে 'নির্মল হাসি' উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম প্রশংসনীয়। রিমির বাবা সিঙ্গাপুরে চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থতাবোধ করলে দেশে ফিরে আসেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর ছয় মাস পর তার মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্মল হাসি নামক উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা শুরু করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার তাকে এইডস রোগে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করলে পরিবারটি বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত হয়। এ সমস্যা প্রতিরোধে নির্মল হাসি সংস্থা পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়ায় এবং- নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন- সামাজিক ও মানসিক সমর্থনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রোগীর প্রতি সমাজের অন্যান্যদের মানসিক ও সামাজিক সমর্থন আদায়ে প্রচেষ্টা চালায়। রোগীর সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং স্নেহ- ভালোবাসা দিয়ে রোগীর মনকে প্রফুল্ল রাখতে চেষ্টা করে। রোগীকে সবার কাছ থেকে আলাদা না করার জন্য পরিবারের সদস্যদের উপদেশ দেয় এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখে।

তাই বলা যায়, এইডস রোগীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো মোকাবিলায় নির্মল হাসি সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রশংসার দাবিদার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
275
উত্তরঃ

বাংলাদেশে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। গাড়ি চালানোর জন্য যেসব আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না। এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব চালকদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের, যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
645
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews