ঘরের যে মা এক মা হলো, এক মা দেশের মাটি

আ আ ক খ আরেক মা যে- মায়ের মতোই খাঁটি।

এক মা থাকে ছেলের ঘরে, আরেক মা এই ভাষা

মাটি মা এই বুকে মিশে ছড়ায় ভালোবাসা।

ঘরের কোণে মা-জননী কণ্ঠে তুলে গান-

মাটি মায়ের বুকে হেঁটে স্বপ্ন আনতে যান।

মায়ের স্বপ্ন ছেলের চোখে সর্ষে-ফুলের হাসি,

সকল সুখে-দুখে থাকে তিন মা পাশাপাশি।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

'তামরস' শব্দের অর্থ 'পদ্ম'।

উত্তরঃ

"মধুহীন করো না" বলতে কবি মাতৃভূমি যেন তাঁকে স্নেহধারা থেকে বঞ্চিত না করে তা বুঝিয়েছেন।

মধুসূদন দত্ত মনে করেছিলেন যে তিনি বিলেতে না গেলে বড় কবি হতে পারবেন না। তাই তিনি স্বদেশ ত্যাগ করে বিলেতে যান কিন্তু বিফল হন। বিদেশ যাওয়া যে তাঁর মারাত্মক ভুল হয়েছে, এটা ভেবে তিনি অনুতপ্ত হন এবং জন্মভূমির কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন দেশমাতৃকা যেন তাঁকে স্নেহধারা থেকে বঞ্চিত না করেন। তার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তাকে যেন বক্ষে ধারণ করেন সেই প্রত্যাশা করেছেন।

উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর অনুরাগের দিকটিকে নির্দেশ করে।

জন্মভূমির প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসাই স্বদেশপ্রেম। স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণেই মানুষ প্রবাসে গিয়েও জন্মভূমিকে ভুলতে পারে না। জন্মভূমির প্রতি গভীর টান অনুভব করে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে মা, মাটি ও মাতৃভাষার প্রতি কবির গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। কবি এখানে তাঁর জননীকে, জন্মভূমিকে এবং মাতৃভাষাকে মা হিসেবে নিজের আবেগ প্রকাশ করেছেন। মায়ের কোলে জন্ম নিয়ে জন্মভূমির আলো-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা এবং মাতৃভাষা বাংলায় মনের ভাব প্রকাশের জন্য কবি এসবের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও কৃতজ্ঞ। উদ্দীপকের এ বিষয়টি 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর অনুরাগের দিকটিকে নির্দেশ করে। এ কবিতায় কবি স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা ব্যক্ত করেছেন। তিনি নিজেকে স্বদেশ মাতার সন্তান মনে করেছেন। প্রবাসজীবনে প্রিয় জন্মভূমির কথা স্মরণ করে তিনি ব্যথিত হয়েছেন। তিনি স্বদেশের মাটিতে ফিরে আসতে চেয়েছেন।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।- মন্তব্যটি যথার্থ।

মা, মাটি, মাতৃভাষা এ তিনটি প্রত্যেকের কাছেই অত্যন্ত শ্রদ্ধার। মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে যেখানেই যাক না কেন, এ তিনটির কথা ভুলতে পারে না। জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসায় মানুষ তাকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করে।

'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায় কবি জন্মভূমিকে মা বলে সম্বোধন করে নিজেকে তার দাস হিসেবে নিবেদন করেছেন। তাঁর এ নিবেদনে জন্মভূমির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বাংলা মাকে আকুতি জানিয়েছেন যে, বাংলা মা যেন তার ছেলেকে ভুলে না যায়। তিনি দেশমাতার স্মৃতিতে পদ্ম ফুলের মতো ফুটে থাকার প্রত্যাশা করেছেন। স্বদেশ মায়ের প্রতি কবির এই আকুতির সঙ্গে উদ্দীপকের কবিতাংশের জন্মভূমি মায়ের প্রতি কবির গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা সাদৃশ্যপূর্ণ। স্বদেশের মাটির ঋণকে এখানে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তাঁর জননী, জন্মভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। এখানে স্বদেশের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়েছে। এ বিষয়টি 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায় কবির স্বদেশানুরাগের অনুরূপ। উদ্দীপকে মাতৃভূমির বুকে হেঁটে স্বপ্ন আনতে যাওয়ার কথা বলে যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে তা কবিতায় স্বদেশের প্রতি কবির কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ দিক থেকে বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

95

রেখো, মা, দাসেরে মনে,      এ মিনতি করি পদে।
                           সাধিতে মনের সাধ
                           ঘটে যদি পরমাদ,
মধুহীন করো না গো।           তব মনঃকোকনদে।
                         প্রবাসে, দৈবের বশে,
                         জীব-তারা যদি খসে
এ দেহ-আকাশ হতে,          নাহি খেদ তাহে।
                         জন্মিলে মরিতে হবে, 

                       অমর কে কোথা কবে,
চিরস্থির কবে নীর,               হায় রে, জীবন-নদে?
                      কিন্তু যদি রাখ মনে,
                     নাহি, মা, ডরি শমনে;

 মক্ষিকাও গলে না গো        পড়িলে অমৃত-হ্রদে।
                     সেই ধন্য নরকুলে,
                  লোকে যারে নাহি ভুলে,
মনের মন্দিরে সদা             সেবে সর্বজন
                কিন্তু কোন গুণ আছে, 

                  যাচিব যে তব কাছে,
হেন অমরতা আমি,            কহ, গো, শ্যামা জন্মদে।
                  তবে যদি দয়া কর,

                  ভুল দোষ, গুণ ধর
অমর করিয়া বর            দেহ দাসে, সুবরদে! !
                ফুটি যেন স্মৃতি-জলে, 

                 মানসে, মা, যথা ফলে
মধুময় তামরসকী          বসন্ত, কী শরদে

Related Question

View All
উত্তরঃ

কবি দেশমাতৃকার স্মৃতিতে পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকার জন্য বর প্রার্থনা করেন।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর জন্মভূমিকে প্রচণ্ড ভালোবাসেন। তিনিও চান তাঁর প্রিয় জন্মভূমি যেন তাকে মনে রাখেন, হৃদয়ে স্থান দেন। দেশমাতৃকার স্মৃতিতে পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকার মধ্য দিয়ে তিনি অমরতা লাভ করতে চান। কবি আকুলভাবে তাঁর স্বদেশের কাছে সেই বর প্রার্থনা করেন।

448
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম কবিতাংশে বাংলার প্রকৃতিতে কবির অমরতা লাভের আকাঙ্ক্ষা ও স্বদেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। 'ফুটি যেন স্মৃতি-জলে' চরণটির মধ্য দিয়েও এ কথাই প্রকাশ পায়।

সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি। এদেশের প্রতি রয়েছে আমাদের সীমাহীন ভালোবাসা। বাংলা-মায়ের কোলে তাই সব বাঙালি অনন্তকাল স্থান পেতে চায়।

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকের কবি মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম হলে মানুষ অথবা শঙ্খচিল-শালিকের বেশে বাংলা-মায়ের কোলে ফিরে আসার আকুতি প্রকাশ করেছেন। কবির এ আকুতির মধ্য দিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে অমরতা লাভের ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশ পেয়েছে অকৃত্রিম স্বদেশপ্রেম। কবির এই স্বদেশপ্রেমের অনুভূতি ও অমরতা লাভের আকাঙ্ক্ষা 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার প্রশ্নোক্ত চরণটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। একজন বাংলা-মায়ের কাছে ফিরে আসতে চেয়েছেন, অন্যজন বাংলা-মা যেন তাঁকে মনে রাখে এবং তিনি যেন মায়ের স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে থাকতে পারেন অনন্তকাল সেই মিনতি জানিয়েছেন।

146
উত্তরঃ

"দ্বিতীয় কবিতাংশ এবং 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার মূল সুর একই"- মন্তব্যটি যথার্থ।

আমাদের জন্মভূমি বিচিত্র উপাদানে সজ্জিত। যেমন প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর তেমনই এ দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে।

'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায় স্বদেশের প্রতি কবির শ্রদ্ধা ও একাত্মতা তীব্রভাবে প্রকাশ পেয়েছে। কবি স্বদেশকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। স্বদেশের প্রতিটি বস্তু তাঁকে আকর্ষণ করে। তাই কবি বাংলা-মাকে আকুতি জানিয়েছেন তিনি যেন ছেলেকে ভুলে না যান। আকাঙ্ক্ষা জানিয়েছেন চির স্মরণীয় হওয়ার এবং দেশমাতার স্মৃতিতে পদ্ম ফুলের মতো ফুটে থাকার। উদ্দীপকের দ্বিতীয় কবিতাংশেও দেশ বা পৃথিবীর প্রতি কবির ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি দেশ, দেশের মানুষের মাঝে তথা এ সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চান। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই প্রকৃতি এই পৃথিবী ছেড়ে চিরতরে চলে যেতে চান না।

দেশমাতৃকার প্রতি উদ্দীপকের কবি ও আলোচ্য কবিতার কবি উভয়েরই টান সীমাহীন। উভয় জায়গায়ই দেশ ও দেশের প্রকৃতিকে ভালোবাসা এবং মানবহৃদয়ে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশ পেয়েছে স্বদেশের স্মৃতিতে ঠাঁই পাওয়ার আকুলতা। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

140
উত্তরঃ

সুখ-দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন চলমান বলে জীবন-নদের নীর স্থির নয়।

জাগতিক নিয়মে জীবন বয়ে চলে। কখনো জীবনে দুঃখ এসে ভর করে, কখনোবা আবার সুখের স্রোতে ভেসে চলে। নদীর ধারা যেমন প্রতিনিয়ত বয়ে চলে, জীবনও তাই। প্রকৃতির নিয়মেই রাতের শেষে
দিন হয়, আবার দিনের শেষে রাত আসে। জীবনেও এমন দুঃখ-দুর্দশায় মেঘ ঘনিয়ে অন্ধকার রাত হয়, আবার হাসি-আনন্দে জীবন ভরে ওঠে। এভাবে প্রকৃতির নিয়মেই জীবন-নদের নীর স্থির নয়।

166
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews