নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:
(ক)
ঘাম কী?
(জ্ঞানমূলক)
ঘর্মগ্রন্থি থেকে ক্ষরিত ও রেচিত তরলই হলো ঘাম।
আমাদের দেহ একটি আজব যন্ত্র। যন্ত্রটির গড়ন এমন নিখুঁত যে এর কথা ভাবতেই অবাক লাগে। যন্ত্রের প্রতিটি অংশ মাপে মাপে বানানো। একটুও কম-বেশি নেই। আর যন্ত্রটিকে ঠিক ঠিক চালানোর জন্য প্রতিটি অংশ নিজ নিজ কাজ করে চলে। কাউকে কিছু বলতে হয় না। কার কী কাজ সে আপনিই বুঝে নিচ্ছে। আমাদের কিছু বুঝার আগেই ঘটনা ঘটে যায়। যেমন- চোখের দিকে সাঁই করে একটি মাছি উড়ে এলো ওমনি চোখের পাতা গেল বন্ধ হয়ে। অসাবধানে গরম চুলায় হাত পড়লে, তুমি হাত সরিয়ে নেবে। পায়ে কাঁটা ফুটার সাথে সাথে 'উঃ মাগো' বলে কাতরাবে। সারা শরীর জেনে গেল কী একটা পায়ে বিধল। আমরা এগুলো অনুভব করতে পারি পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে। এ অধ্যায়ে আমরা পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সম্পর্কে আলোচনা করব।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• সংবেদি অঙ্গসমূহের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণে সংবেদি অঙ্গের ব্যবহার প্রদর্শন করতে পারব।
• সংবেদি অঙ্গের যত্ন নেওয়ার কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• সংবেদি অঙ্গের যত্নের বিষয়ে নিজে সচেতন হব ও অন্যকে সচেতন করব।
Related Question
View Allচোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।
চোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।
১. চোখের ভেতর থেকে আলোর প্রতিফলন হবে না।
২. পিউপিলের মাধ্যমে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।.
৩. সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো লেন্সটি সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারবে না। ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হবে না এবং চোখ বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সহায়তা করতে পারবে না।
চিত্রে চোখের 'B' চিহ্নিত অংশটি আইরিশ, যার অবস্থান কর্নিয়ার পেছনে। এটি ঘন কালো গোলাকার একটি অস্বচ্ছ পর্দা। এর 'কেন্দ্রস্থলে একটি ছিদ্র থাকে যাকে পিউপিল বলে। আইরিশের পেশিসমূহের সংকোচন প্রসারণে পিউপিল ছোট বড় হতে পারে। এর ফলে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করে। অর্থাৎ আইরিশ চক্ষু লেন্সের উপর আপতিত আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি
চিত্রে চিহ্নিত অংশটি হলো লেন্স।
এটি তারারন্দ্রের ঠিক পেছনে অবস্থিত। লেন্স চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি এক বিশেষ ধরনের সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো থাকে। এ পেশিগুলো সংকোচন ও প্রসারণের ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হয় ফলে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন ঘটে। যখন কোনো আলোকিত বস্তু হতে আলো চোখে পড়ে তখন তা পিউপিল দিয়ে লেন্সে আপতিত হয়। লেন্স তখন ঐ বস্তুর একটি ক্ষুদ্র ও উল্টো প্রতিবিম্ব রেটিনার উপর সৃষ্টি করে, তখন আলোর এ উদ্দীপনা অপটিক স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌছে। মস্তিষ্ক রেটিনার সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টে দেয় ফলে আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। আর এভাবেই 'J' চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ লেন্স আমাদের দেখতে সহায়তা করে।
যেসব অঙ্গ দিয়ে আমরা দেখি, শুনি, খাবারের স্বাদ গ্রহণ করি, গরম, ঠান্ডা, তাপ, চাপ অনুভব করি সেসব অজাকে সংবেদি অঙ্গ বলে।
চিত্রের চিহ্নিত অংশটি হলো পিনা বা কর্ণচ্চত্র। এটি কানের বাইরের অংশ। এটি শব্দকে কর্ণকুহরে পাঠায়। পিনা না থাকলে শব্দ কর্ণকুহরে পৌছাবে না। ফলে আমরা শব্দ শুনতে পাব না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!