জলজ বাস্তুসংস্থানে বসবাসকারী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক প্রাণিকণাকে জু-প্লাঙ্কটন বলে।
সুন্দরী গাছ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ। এখানকার মাটি বেশ কর্দমাক্ত। কাজেই এর ভিতর দিয়ে সহজে বায়ু চলাচল করতে পারে না। তাই এখানকার উদ্ভিদের মূল বিশেষ করে সুন্দরী গাছের মূল মাটির নিচে না গিয়ে খাড়াভাবে মাটির উপরে উঠে আসে। এসব মূলের গায়ে অসংখ্য ছিদ্র থাকে। যার মাধ্যমে সুন্দরী গাছ শ্বসনের জন্য বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে।
উদ্দীপকের খাদ্যশৃঙ্খলগুলোর সাহায্যে খাদ্যজাল নিচে তৈরি করা হলো-

উদ্দীপকের খাদ্যশৃঙ্খলগুলো থেকে দেখা যায় উৎপাদক অর্থাৎ সবুজ উদ্ভিদ প্রাথমিক খাদ্য উৎপাদক। সবুজ উদ্ভিদ সৌরশক্তি ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে। সবুজ উদ্ভিদের মাধ্যমেই সূর্যশক্তি থেকে সৃষ্ট রাসায়নিক শক্তি বিভিন্ন প্রাণীতে খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়। উৎপাদক থেকে আরম্ভ করে সর্বোচ্চ খাদক পর্যন্ত শক্তি রূপান্তরের সময় প্রতিটি ধাপে শক্তি হ্রাস পেতে থাকে। অর্থাৎ উৎপাদক থেকে শক্তি যায় প্রথম স্তরের প্রাণীর দেহে। সেখান থেকে দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং দ্বিতীয় স্তরের খাদ্যক থেকে যায় সর্বোচ্চ স্তরের খাদক পর্যন্ত। এভাবেই শক্তি প্রবাহ চলতে থাকে। প্রতি স্তরে শক্তি হ্রাস পেলেও বিয়োজক যখন বিভিন্ন মৃত জীবে বর্জ্য পদার্থ বিক্রিয়া ঘটায় তখন অজৈব পুষ্টিদ্রব্য পরিবেশে যুক্ত হয়ে পুষ্টি ভান্ডারে জমা হয়। এটি আবার সবুজ উদ্ভিদ কাজে লাগায়। এ থেকে বোঝা যায়, বাস্তুসংস্থানে শক্তি প্রবাহ একমুখী কিন্তু পুষ্টিদ্রব্য প্রবাহ একমুখী নয় বরং এটা চক্রাকারে প্রবাহিত হয়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!