চলতি সম্পদ সংগ্রহের জন্য কামাল সাহেব রক্ষণশীলতার নীতিটি গ্রহণ করেছেন, যা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
রক্ষণশীল নীতি বলতে বোঝায় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী সম্পদ, স্থায়ী চলতি সম্পদের সবটুকু এবং পরিবর্তনশীল চলতি সম্পদের একটি অংশ দীর্ঘমেয়াদি উৎস হতে অর্থায়ন করা উচিত। এ নীতিতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের ওপর বেশি নির্ভর করা হয়।
উদ্দীপকের কামাল সাহেব তারল্য নিয়ে চিন্তিত এবং ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে চলতি মূলধন সংগ্রহের কথা ভাবছেন। অর্থ তিনি দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে চলতি মূলধন সংগ্রহের ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, তিনি রক্ষণশীলতার নীতিটি গ্রহণ করেছেন।
রক্ষণশীলতার নীতিটি হলো ঝুঁকিবিহীন একটি কৌশল। যে প্রতিষ্ঠান এ কৌশলটি অবলম্বন করে থাকে সে প্রতিষ্ঠানটি অধিক পরিমাণ চলতি সম্পদ ধারণ করে রাখে। এতে করে চলতি মূলধন তার কাছে অধিক পরিমাণ থাকে। যার ফলে তারল্য মোকাবিলা করা যায়। এছাড়া চলতি মূলধনের একটি বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎসসমূহ হওয়ায় স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নে যে ঝুঁকির উদ্ভব হতে পারে তা প্রশমন করা যায়। তাই বলা যায়, চলতি সম্পদ সংগ্রহের জন্য কামাল। সাহেবের গৃহীত রক্ষণশীলতার নীতিটি যৌক্তিক।
Related Question
View Allমিতব্যয়ী ফরমায়েশ পরিমাণ হচ্ছে এমন এক ফরমায়েশ পরিমাণ যেখানে পণ্যের বহন ও ফরমায়েশ ব্যয় সর্বনিম্ন হয়।
চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলতে প্রতিষ্ঠানের নগদ, মজুদপণ্য ও প্রাপ্য বিল ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়।
প্রতিষ্ঠানের চলতি ব্যয়; যেমন- কাঁচামাল ক্রয়, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থ হাতে রাখা প্রয়োজন। বাকিতে বিক্রয়ের ফলে সৃষ্ট প্রাপ্য বিল দ্রুত আদায় হচ্ছে কিনা সেটা যেমন লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তেমনি মজুদপণ্যের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে কিনা সেটাও লক্ষ্য রাখা দরকার। আবার প্রয়োজনের অতিরিক্ত মজুদপণ্য রাখলে অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ মজুদপণ্যে বা চলতি সম্পদে আটকে থাকে। ফলে মুনাফা অর্জন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এ সকল কারণে চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনা করা হয়।
P লি.-এর কাম্য নগদের পরিমাণ নির্ণয় :
এখানে,
প্রতিবার নগদে রূপান্তর ব্যয় (b) = ১৫০ টাকা
মোট নগদ বহিঃপ্রবাহের পরিমাণ (t) = ৪, ৮o, ooo টাকা
প্রয়োজনীয় আয়ের হার (i) = ১২% বা, ০.১২
আমরা জানি,
কাম্য নগদের পরিমাণ
= ৩৪,৬৪১ টাকা
সুতরাং P লি.-এর কাম্য নগদের পরিমাণ ৩৪,৬৪১ টাকা।
Q লি.-এর ন্যূনতম পরিচালন নগদের পরিমাণ নির্ণয় :
এখানে,
গড় উৎপাদন সময় = ৫০ দিন
গড় আদায় সময় = ৪০ দিন
গড় পরিশোধ সময় = ৩০ দিন
বার্ষিক মোট নগদ বহিঃপ্রবাহ = ৩,০০,০০০ টাকা
নগদ রূপান্তর চক্র = গড় উৎপাদন সময় + গড় আদায় সময় –গড় পরিশোধ সময়
= ৫০ + ৪০ – ৩০
= ৬০ দিন
নগদ আবর্তন = ৩৬০ দিন / নগদ রূপান্তর চক্র
=
= ৬ বার
আমরা জানি,
ন্যূনতম পরিচালন নগদ = বার্ষিক মোট নগদ বহিঃপ্রবাহ / নগদ আবর্তন
= ৫০,০০০ টাকা
লক্ষণীয় যে, Q লি.-এর ন্যূনতম পরিচালন নগদের পরিমাণ ৫০,০০০ টাকা এবং নগদ আবর্তন ৬ বার। এক্ষেত্রে ন্যূনতম নগদ ৬০,০০০ টাকা স্থির করা হলে নগদ আবর্তন হ্রাস পাবে। কারণ নগদ আবর্তন ও ন্যূনতম পরিচালন নগদের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।
পুনরায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রেতা কর্তৃক বিক্রেতার নিকট হতে ধারে পণ্য ক্রয়ের ফলে সৃষ্ট ঋণকে ব্যবসায় ঋণ বলে।
বাণিজ্যিক কাগজ হলো স্বল্পমেয়াদি জামানতবিহীন অঙ্গীকারপত্র যা মুদ্রাবাজারে বিক্রি করে বৃহৎ নামকরা প্রতিষ্ঠান স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন করে থাকে। এছাড়াও বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের ব্যয়ের তুলনায় বাণিজ্যিক কাগজের ব্যয় কম হওয়ায় বৃহৎ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক কাগজ ব্যবহার করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!