চলিত ভাষার পাঁচটি বৈশিষ্ট্য:
১. চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। কালের পরিক্রমায় ইহা পরিবর্তিত হয়।
২. এটি লৈখিক ও মৌখিক উভয় রূপ আছে।
৩. এটি তরুণ শব্দ বহুল
৪. এটি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য
৫. চলিত ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপথ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।বহু বিশেষ্য ও বিশেষণের ক্ষেত্রেও এমন ঘটে।
৬. এই ভাষা নাটকের সংলাপ বক্তৃতা এবং আলাপ-আলোচনার উপযোগী।
প্রমিত চলিত ভাষারীতি:
দেশের সকল মানুষ যে আদর্শ ভাষারীতিতে কথা বলে, যেই ভাষারীতি সকলে বোঝে, এবং যে ভাষায় সকলে শিল্প-সাহিত্য রচনা ও শিক্ষা ও অন্যান্য কাজকর্ম সম্পাদন করে, সেটিই প্রমিত চলিত ভাষারীতি। এই ভাষায় যেমন সাহিত্য সাধনা বা লেখালেখি করা যায়, তেমনি কথা বলার জন্যও এই ভাষা ব্যবহার করা হয়। সকলে বোঝে বলে বিশেষ ক্ষেত্রগুলোতে, যেমন কোনো অনুষ্ঠানে বা অপরিচিত জায়গায় বা আনুষ্ঠানিক (formal) আলাপ-আলোচনার ক্ষেত্রে এই ভাষারীতি ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, এই রীতি লেখ্য ও কথ্য উভয় রীতিতেই ব্যবহৃত হয়।
বাংলা প্রমিত চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ভাগীরথী- তীরবর্তী অঞ্চলের কথ্য ভাষার উপর ভিত্তি করে। তবে, পূর্বে এই ভাষা সাহিত্যের মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত ছিল না। তখন কেবল সাধু ভাষাতেই সাহিত্য রচনা করা হতো। এ কারণে বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিকের ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকাররা সাধু ভাষায় উপন্যাস, নাটক ও গল্প লিখেছেন। পরবর্তীতে, প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতিতে সাহিত্য রচনার উপর ব্যাপক জোর দেন এবং তাঁর ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতিতে সাহিত্য রচনাকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
Related Question
View Allআদর্শ কথ্য রীতি।
'বন্য' শব্দের চলিত রূপ হলো বুনো ।
বন্য শব্দের চলিত রূপ হল “বুনো”
বন্য শব্দের চলিত রূপ হল “বুনো”
বন্য শব্দের চলিত রূপ হল “বুনো”
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!