চাঁদ মিয়া একজন কৃষক। তিনি প্রতিবছর ধান, মরিচ, আলু চাষ করে লাভবান হয়ে থাকেন। কিন্তু গত বছর যমুনা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবে যায়। পানি নেমে যাওয়ার পর পলি মাটির পরিবর্তে বালিতে তার সব জমি ঢেকে যায়। তিনি এখন মাথায় হাত দিয়ে চোখের পানি ফেলছেন। এই দেখে উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তাকে জৈব পদার্থ যোগ করাসহ আরো কিছু বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে জমির গুণাগুণ উন্নত করার পরামর্শ দিলেন। সে অনুযায়ী কাজ করে চাঁদ মিয়া তার জমিতে আবার ফসল চাষ করে লাভবান হলেন। তাকে অনুসরণ করে অন্যান্য কৃষকরাও উপকৃত হলো। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ফসল উৎপাদনের জন্য কৃত্রিম উপায়ে জমিতে পানি সরবরাহ করাকে সেচ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কোনো উদ্ভিদকে সবুজ অবস্থায় অর্থাৎ গাছে ফুল আসার আগে চাষ দিয়ে মাটির সাথে মেশানোর ফলে পচে যে সার উৎপন্ন হয় তাকে সবুজ সার বলে।

সাধারণত লিগিউম জাতীয় গাছ যেমন- ডাল, শিম, শনপাট, ধৈঞা ইত্যাদি সবুজ সার প্রস্তুত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। জমিতে সবুজ সার ব্যবহার করলে রাসায়নিক সার প্রয়োগের পরিমাণ কমানো যায়। প্রধানত সবুজ সার ব্যবহারে মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ে। ফলে মাটির উর্বরতা ও উৎপাদন ক্ষমতাও বেড়ে যায়। এ সার অধিক পরিমাণ নাইট্রোজেন ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান মাটিতে সরবরাহ করে। এতে বেলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ে ও মাটির অভ্যন্তরে বাতাস চলাচলে সুবিধা হয়। এছাড়াও সবুজ সার মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখে ও আগাছার উপদ্রব কম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চাঁদ মিয়া তার জমিতে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী ফসল চাষ করে লাভবান হলেন।

নদীর পানির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণে চাঁদ মিয়ার জমির পলি মাটি বেলে মাটিতে পরিণত হয়। এ সমস্যা সমাধানে তিনি কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে জমিতে এঁটেল মাটি এবং পলি মাটি প্রয়োগ করেন। এতে বেলে মাটির রন্দ্র ছোট হয়ে মাটির উর্বরতা বাড়ে। সাধারণত মাটির উপরে স্থূলকণা ও নিম্নস্তরে সূক্ষ্মকণা থাকে। এ অবস্থায় বেলে মাটিতে গভীর চাষ দিলে বুনট পরিবর্তন হয়ে বেলে দোআঁশ মাটি কিংবা দোআঁশ মাটিতে রূপান্তরিত হয়। চাঁদ মিয়া বেলে মাটিতে খামারজাত সারও প্রয়োগ করেন যা পচে হিউমাস তৈরি হয়। হিউমাসের রাসায়নিক উপাদান বেলে কণাতে জমাট বাঁধে এবং বিভিন্ন পচা জৈব পদার্থ মিশে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তরিত হয়। এছাড়াও তিনি কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করেন যা বেলে মাটির বুনট ও সংযুতির উন্নয়ন ঘটায়। পাশাপাশি তিনি কেঁচো সার বা ভার্মিকম্পোস্ট প্রয়োগ করেন। কেঁচো সার বেলে মাটিতে মেশালে বেলে কণার দৃঢ়তা কমে নরম হয়ে যায়। ফলে কণাগুলোর সাথে কেঁচো সার একত্রে মিশে জমাট বেঁধে দোআঁশ গুণাবলি প্রাপ্ত হয়। এছাড়াও তিনি গোবর, ছাই ও সেচ প্রয়োগ করে এবং আইল বেঁধে পানি আটকিয়ে বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করেন।

অতএব, চাঁদ মিয়া উল্লিখিত পদ্ধতিসমূহ অনুযায়ী ফসল চাষ করে লাভবান হলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শের আলোকে চাঁদ মিয়ার কর্মকাণ্ডটি ছিলো মাটির বুনট পরিবর্তন। বুনট মাটির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য। একেক শ্রেণির মাটির বুনটের ব্যবস্থাপনা একেক রকম এবং বিভিন্ন ধরনের ফসল উপযোগী।

উদ্দীপকের চাঁদ মিয়া কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শনুযায়ী বেলে মাটিতে জৈব পদার্থ যোগ করাসহ বিভিন্ন উপায়ে মাটির বুনট পরিবর্তন করেন। কারণ বেলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম (৫%)। তাছাড়া বেলে মাটিতে শতকরা ৭০ ভাগ বা তারও বেশি বালিকণা থাকে। এ মাটিতে পলি ও কর্দম কণার পরিমাণও কম থাকে। বেলে মাটির সংযুতি দুর্বল ও সেচ বেশি লাগে। এতে জৈব পদার্থের পরিমাণও কম যা ফসল চাষের জন্য উপযোগী নয়। এ সকল কারণে চাঁদ মিয়া বেলে মাটির বুনট পরিবর্তন করে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করেন। কেননা দোআঁশ মাটি ফসল চাষের জন্য উপযোগী। এর পানি ধারণ ক্ষমতা (৩৫%) ও বায়ু চলাচল ক্ষমতা মধ্যম। এতে বালি, পলি ও কর্দমকণা সমান অনুপাতে থাকে। ফলে দোআঁশ মাটিতে ফসল উৎপাদনের অনুকূল ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক ধর্ম বিদ্যমান।

উপরের আলোচনা হতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শনুযায়ী চাঁদ মিয়ার কর্মকাণ্ডটি যথার্থ ছিলো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
184
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব ফসল সাধারণত বিস্তীর্ণ মাঠে বেড়াবিহীন অবস্থায় সমষ্টিগতভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ এবং প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়া হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও তথ্য নিয়ে মতবিনিময় হয়।

কৃষি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের ফলে কৃষকদের জ্ঞান ও তথ্য আরো সমৃদ্ধ হয়। মতবিনিময়ের ফলে কৃষকদের জ্ঞান এবং কাজের স্পৃহা বাড়ে। এ ছাড়া হঠাৎ সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যার প্রতিকার ব্যবস্থা জানা যায়। তাই কৃষিতে উঠোন বৈঠকের প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
765
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আফসার আলীর জমির মাটি কাদাযুক্ত এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এজন্য বলা যায়, জমির মাটি এঁটেল প্রকৃতির।

নিচে এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

i. এঁটেল মাটি ভারী মাটি নামে অভিহিত। 

ii. এ মাটিতে কমপক্ষে ৩৫% বা তার বেশি কর্দম বা এঁটেল কণা থাকে। 

iii. এ মাটিতে সূক্ষ্ম রন্দ্রের সংখ্যা খুব বেশি, তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা খুব বেশি, কিন্তু নিষ্কাশন ক্ষমতা কম। 

iv. এ মাটির বায়ু ও পানি চলাচল ক্ষমতা কম। 

V. এঁটেল মাটি আঙুলে ঘষলে ট্যালকম পাউডারের মতো পিচ্ছিল মনে হয়। 

vi. এ মাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সংযুক্তি (cohesion) খুব বেশি। 

vii. আর্দ্র এঁটেল মাটি আঠালো ও চটচটে হয়, কিন্তু শুষ্ক অবস্থায় খুব শক্ত হয়। ফলে সহজে কর্ষণ করা যায় না। 

viii. এ প্রকার মাটির ধনাত্মক আয়ন বিনিময় ক্ষমতা খুব বেশি। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যাবলী থেকে এঁটেল মাটির প্রকৃতি জানা যায়।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
323
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট যা গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ ফলনশীল এবং হাইব্রিড জাতের ধান উদ্ভাবন করে। এছাড়াও মৃত্তিকা, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা, চাষাবাদ পদ্ধতি, পোকা-মাকড় ও রোগ দমন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মূল্যবান প্রযুক্তি ও কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করে। এদের উদ্ভাবিত জাতগুলো তুলনামূলকভাবে রোগ ও পোকামাকড় প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন। আবার এসকল জাতের ফলন স্থানীয় জাতের ফলনের তুলনায় অনেক বেশি। উদ্ভাবিত জাতের মধ্যে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল, সুগন্ধি ও বিদেশে রপ্তানি উপযোগী জাতও রয়েছে। এসকল জাতসমূহ কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করে তোলার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে, রয়েছে প্রদর্শনী প্লট ও মডেল কৃষক। এছাড়াও কৃষি তথ্য সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পুস্তিকা, ম্যানুয়াল, প্রতিবেদন, জার্নাল প্রভৃতি প্রকাশ করে। এ প্রতিষ্ঠানটি কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন এবং কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। এসকল কার্যক্রমের ফলে কৃষকগণ সহজেই কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য ও জ্ঞান লাভ করতে পারে। ফলে কৃষক মাঠ পর্যায়ে এসব জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অল্প খরচে ফসল উৎপাদন করে লাভবান হয়। সর্বোপরি ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উল্লিখিত কার্যক্রমসমূহ পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
438
উত্তরঃ

অভিজ্ঞ 'কৃষক হলো একজন স্থানীয় নেতা ও কৃষকদের পরামর্শদাতা যিনি নিজ উৎসাহে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন ও নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

কোনো মাটিতে হাইড্রোজেন আয়ন (H') ও হাইড্রোক্সিল আয়নের (OH) পরিমাণ সমান থাকলে তাকে নিরপেক্ষ মাটি বলে। নিরপেক্ষ বা প্রশম মাটির অম্লমান ৭। এই ধরনের মাটিতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান সহজলভ্য থাকে বিধায় ফসল চাষে সর্বাধিক উপযোগী। নিরপেক্ষ মাটিতে জৈব পদার্থ সহজে বিয়োজিত হয়। নিরপেক্ষ মাটিতে বীজের অঙ্কুরোদগম ভালো হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
674
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews