চাকলা রোশনাবাদ পরগনার রাজা মানিক্য বাহাদুর শাসন পরিচালনায় নানাবিধ অসুবিধায় সম্মুখীন হন। সমতলে সাধারণ বাঙালি, কৃষক, প্রজা, পাহাড়ি ত্রিপুরাসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র উপজাতি প্রজার বসবাস। একদিকে হিন্দু, মুসলিম ও পাহাড়িদের ধর্মীয় বিরোধ, অন্যদিকে স্বাধীনতাকামী প্রজার জমিদারি প্রথা বিরোধী হিংসাত্মক আন্দোলন তাকে ব্যতিব্যস্ত করে ফেলে। জমিদারবিরোধী আন্দোলন প্রশমনের জন্য তিনি কৌশলে প্রজাদের ধর্মীয় বিরোধে প্রণোদনা দেন। এতে ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রকট হলে, তিনি পরগনাকে দুইভাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। একদল মানুষ তার পরগনা বিভক্তিকে সমর্থন করলেও আরেক দল এর তীব্র প্রতিবাদ করে। পরিশেষে তিনি পরগনা ভাগের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

মুসলিম লীগ ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে জনমত তৈরি এবং তাদেরকে পরিবর্তিত অবস্থা সম্পর্কে সচেতন করার উদ্দেশ্যে 'মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
নবাব আবদুল লতিফ ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় 'মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' বা মুসলিম সাহিত্য সমাজ নামে একটি সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মুসলমানদের ন্যায়সংগত দাবি ও আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা সরকারের কাছে তুলে ধরে তা পূরণের চেষ্টা করা হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক গৃহীত বক্তাভজোর মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের একটি চিরায়ত নীতি হলো ভাগ কর ও শাসন কর নীতি। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে তারা শাসনাধীন অঞ্চলকে ভাগ করার মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী চেতনার মূলে কুঠারাঘাত করত। এভাবে তাদের অন্যায় শাসনকে আরও স্থায়ী করার চেষ্টা চালাত। উদ্দীপকেও ব্রিটিশদের এমনই একটি কর্মকাণ্ড তথা বঙ্গভঙ্গের প্রতি নির্দেশ করা হয়েছে।
উদ্দীপকের চাকলা রোশনাবাদ পরগনার রাজা মানিক্য বাহাদুর শাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের জমিদার বিরোধী আন্দোলনের সম্মুখীন হন। এ বিরোধ প্রশমনের জন্য তিনি কৌশলে জনগণের মধ্যে ধর্মীয় বিরোধ উস্কে দিয়ে পরগনাকে দুইভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। অনুরূপভাবে ব্রিটিশ সরকার ভারতের জনগণের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সম্মুখীন হয়। বিশ শতকের শুরুতে ভারতে সে ব্রিটিশবিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের পুরোভাগে ছিল বাঙালি মধ্যবিত্ত ভদ্রলোকেরা। তাই ব্রিটিশ সরকার বাংলাকে বিভক্ত করে বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি নষ্ট, কংগ্রেস ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির আধিপত্য ধ্বংস করে তাদের জাতীয়তাবাদী চেতনাকে দুর্বল করার চেষ্টা করে। আর উদ্দীপকেও এ ঘটনার প্রতিচ্ছবি প্রকাশিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মতো ব্রিটিশ সরকারের উত্ত পদক্ষেপ অর্থাৎ বঙ্গভঙ্গের প্রতিও জনগণের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র- উক্তিটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক।

উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় যে, চাকলা রোশনাবাদ পরগনার রাজা মানিক্য বাহাদুর তার অধিভুক্ত পরগনাকে দুইভাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। একদল মানুষ এ বিভক্তিকে সমর্থন করলেও আরেকদল এর তীব্র প্রতিবাদ করে। ঠিক একইভাবে ব্রিটিশ সরকারের বঙ্গভজোর বিরুদ্ধেও বাংলার হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।

বক্তাভকোর ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে বিপরীত প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। বাংলার মুসলমানগণ বঙ্গভঙ্গের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তা সাদরে গ্রহণ করেছিল। কেননা, এর মধ্যে তারা নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ, উন্নতি এবং একটি স্বতন্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভের সম্ভাবনা দেখতে পায়। হিন্দুদের প্রতিবাদ প্রতিরোধের মুখে সরকার যেন বঙ্গভঙ্গ বাতিল না করে সে জন্য মুসলিম লীগসহ নানা সংগঠনের ব্যানারে ঐক্যবন্ধ হয়ে তাদের দাবি উত্থাপন করতে থাকে। অন্যদিকে বঙ্গভঙ্গের প্রতি হিন্দুসমাজ ও কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র ও নেতিবাচক। পুঁজিপতি, শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত, জমিদার স্বার্থরক্ষায় এবং জাতীয় ঐক্যের মহৎ আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বক্তাভঙ্গের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। তাছাড়া হিন্দুরা মনে করেছিলেন, নতুন প্রদেশে মুসলমান জনগণের রাজত্ব হবে, আর বাঙালি হিন্দুরা হয়ে পড়বে সংখ্যালঘু। কলকাতার বুদ্ধিজীবী মহল থেকে প্রচার করা হয় যে, বঙ্গভঙ্গের অর্থ হচ্ছে 'মাতৃভূমিকে বিভক্ত করা'। এ সকল কারণে বঙ্গভঙ্গের প্রতি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে কংগ্রেস একে রদ করার জন্য প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলে।

সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বঙ্গভঙ্গের ফলে মুসলমানদের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক। অন্যদিকে হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আন্দোলন শুরু করে। শেষ পর্যন্ত হিন্দুদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে বক্তাভজা রদ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
48
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর লর্ড ক্লাইভ বাংলা প্রদেশকে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করে, তা-ই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।
দ্বৈত শাসন হলো দুইজনের শাসন। এ ব্যবস্থায় বাংলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ফৌজদারি বিচার, শান্তিরক্ষা, দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নবাবের ওপর। অন্যদিকে বাংলার রাজস্ব আদায়, দেওয়ানি সংক্রান্ত বিচার, জমি-জমার বিবাদ সম্পর্কিত বিচার কোম্পানির ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পান ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। লর্ড ক্লাইভের বাংলা শাসনের এ অভিনব নীতিই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
136
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকে উল্লিখিত ব্রিটিশ শাসনামলের ঐতিহাসিক ঘটনা বঙ্গভঙ্গের মিল রয়েছে।

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ঔপনিবেশিক শাসনামলে ব্রিটিশ শাসকদের 'ভাগ কর শাসন কর' নীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো বক্তাভঙ্গ। ভারতে নিযুক্ত তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা চিন্তা করে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তদানীন্তন বা প্রেসিডেন্সিকে দুটি ভাগে ভাগ করেন। উদ্দীপকে বর্ণিত সুদানের জনগণকে দুটি শিবিরে বিভক্ত করার মধ্যে তার এ কর্মকান্ডেরই সুস্পষ্ট প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।
দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক শাসনে থাকা সুদানকে শাসন করার জন্য এক সময় ঔপনিবেশিক শাসকেরা এ অঞ্চলের জনগণকে দুটি শিবিরে বিভক্ত করে। একইভাবে লর্ড কার্জন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় হয়ে এসে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। কারণ বাংলা প্রদেশ ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রদেশসমূহের মধ্যে সর্ববৃহৎ। এর আয়তন ছিল ১ লক্ষ ৮৯ হাজার বর্গমাইল এবং লোকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ কোটি। ফলে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিত। এছাড়া পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় আর্থ-সামাজিক সুবিধাটি নিশ্চিত করা এবং ব্রিটিশদের Divide and Rule Policy-এর বাস্তবায়ন করার জন্য এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য লর্ড কার্জন বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে দুটি প্রদেশে রূপান্তরিত করেন, যা বজাভা হিসেবেই সমধিক পরিচিত। এ পরিকল্পনা অনুসারে বাংলাকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগ (দার্জিলিং বাদে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ জেলাসহ) এবং আসাম নিয়ে 'পূর্ব-বাংলা ও আসাম' নামে একটি নতুন প্রদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ঢাকাকে নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় এবং এর শাসনভার অর্পণ করা হয় স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারের ওপর। কলকাতাকে রাজধানী করে অবিভক্ত বাংলার অন্যান্য অংশ নিয়ে 'বজল প্রদেশ' প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাই দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকে বর্ণিত সুদানের জনগণকে দুটি শিবিরে ভাগ করার সাথে ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গভঙ্গের ঘটনা সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
71
উত্তরঃ

বঙ্গভঙ্গের ফলে ভারতীয় হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। পূর্ব বাংলার জনগণের নিকট বঙ্গভঙ্গ ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বঙ্গভঙ্গের ফলে মুসলমানরা সামাজিক মর্যাদা ফিরে পায় এবং তাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম তথা সার্বিক দিকে প্রগতি নিশ্চিত করার শুভ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে, যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

ব্রিটিশ ভারতে বাঙ্গ প্রদেশকে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবরা এই দুই অঞ্চলে বিভন্ত করা হলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। মুসলমান সম্প্রদায় ব্যাপকভাবে সমর্থন জানালেও কলকাতাকেন্দ্রিক উচ্চ ও মধ্যবিত্ত হিন্দু সমাজ বকাভকোর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকে। কারণ বক্তাভলোর ফলে তাদের অর্থনৈতিক ও পেশাগত স্বার্থ ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাছাড়া কলকাতার বৃদ্ধিজীবী মহল থেকে প্রচার করা হয় যে, বঙ্গভঙ্গের অর্থ হলো 'মাতৃভূমিকে বিভক্ত করা'। তাই বজ্ঞাভজোর প্রতিবাদস্বরূপ তারা ব্রিটিশ পণ্য বর্জনে স্বদেশি আন্দোলন ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে থাকে। বঙ্গভজ্ঞজাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস ও হিন্দুদের প্রচণ্ড বিরোধিতায় ব্রিটিশ সরকার নতি স্বীকার করে। দিল্লির রাজদরবারে ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা বজাভঙ্গ রদ ঘোষণা করে দুই বাংলাকে আবার একত্র করে।
সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বঙ্গভজোর ফলে মুসলমানরা কিছুটা লাভবান হলেও হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ফাটল ধরে। উভয়ের মধ্যে সন্দেহ, রেষারেষি মারাত্মক পর্যায়ে রূপ নেয়। এ বৈরী সম্পর্কের রেশ ধরেই এক সময় তারা আলাদা হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
63
উত্তরঃ

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর লর্ড ক্লাইভ বাংলা প্রদেশকে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করে, তা-ই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত। দ্বৈত শাসন হলো দুইজনের শাসন। এ ব্যবস্থায় বাংলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ফৌজদারি বিচার, শান্তিরক্ষা, দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নবাবের ওপর। অন্যদিকে বাংলার রাজস্ব আদায়, দেওয়ানি সংক্রান্ত বিচার, জমি-জমার বিবাদ সম্পর্কিত বিচার কোম্পানির ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পান ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। লর্ড ক্লাইভের বাংলা শাসনের এ অভিনব নীতিই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
113
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews