চার বছর বয়সের মণি বারবার তার মায়ের কাছে বাবার খোঁজ নেয়। মা বলে, বাবা জানোয়ারদের সাথে যুদ্ধ করতে গিয়েছে। মণির মা ৯ মাস সন্তানকে নিয়ে অনাহারে, অর্ধাহারে দিন কাটালেন। অবশেষে ডিসেম্বর মাসের এক সকালে লাল-সবুজ পতাকা হাতে তার বাবাকে ফিরে পেল মণি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ যখন ব্যস্ত, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, খাদ্য সংকট ও বন্যায় খাদ্যোৎপাদন ব্যাহত হয়। ফলে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হয়। দেশের অভ্যন্তরে মজুদদার, দুর্নীতিবাজ ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী তৎপর হতে থাকে। বঙ্গবন্ধু সরকার জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন দল নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করে। আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক এ নতুন প্রবর্তিত ব্যবস্থা ও উদ্যোগকে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লব বলে অভিহিত করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মণির বাবা ৯ মাসব্যাপী সংঘটিত পাকিস্তানি সেনাদের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করে। এ যুদ্ধ ৯ মাস ধরে সংঘটিত হলেও এর প্রেক্ষাপট এক বিস্তৃত ইতিহাসের সমষ্টি। ভারত-পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই পূর্ব বাংলার ওপর পশ্চিম পাকিস্তানিরা নানা শোষণ-নিপীড়ন চালানো শুরু করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে নিপীড়নের মানসিকতা আরও স্পষ্ট হয়। ১৯৫৪ সালে বাঙালিরা যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। যুক্তফ্রন্ট সরকারকে নস্যাৎ করে দিয়ে ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের কুখ্যাত সামরিক শাসন শুরু হয়। সর্বক্ষেত্রেই পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে চরম বৈষম্য দেখা দেয়। বাঙালি একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা রাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে আবির্ভূত হলেও আগরতলা মামলায় তা নস্যাৎ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে দেয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পশ্চিম পাকিস্তান প্রহসন করলে যুদ্ধ অবধারিত হয়ে ওঠে। অতঃপর ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা ও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন। ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণের মধ্য দিয়ে - যুদ্ধ শুরু হলে বীর বাঙালি এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে উদ্দীপকে মণির বাবার মতো আরও অনেকে মুক্তিযুদ্ধের ফলাফলের নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছেন।

উদ্দীপকের মণির বাবা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় একজন সাধারণ মানুষ। মুক্তিযুদ্ধে মণির বাবার মতো আরও অনেকে যুদ্ধ করেছেন। সাধারণ জনগণের ন্যায় যুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নিয়েছিলেন এদেশের নারী শিল্প-সাহিত্যিক, ছাত্র, প্রবাসী বাঙালি প্রভৃতি। আর বিশেষ বিশেষ বাহিনী তো আছেই। এক কথায়, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কিছু মুষ্টিমেয় দোসর ব্যতীত সবাই কোনো না কোনোভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। পুলিশ, ইপিআর সাহসিকতার সাথে যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, সাহিত্যিক, প্রযুক্তিবিদ, সাংবাদিক, আমলা, বিজ্ঞানীসহ প্রত্যেকে মুক্তিযুদ্ধে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখেন। এদের অধিকাংশই প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। পেশাজীবীরা মুজিবনগর, সরকারের অধীনে পরিকল্পনা সেল গঠন করে বিশ্ববাসীর কাছে মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সরবরাহ, সাহায্য প্রার্থনা ইত্যাদি কাজ করেন। বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখেন। প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে অনেক নারী যুদ্ধ - করেছেন এবং অনেকে শহিদ হয়েছেন। প্রবাসী বাঙালিরাও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে ও যুদ্ধের অর্থ যোগান দিয়ে সহায়তা করেছেন। শিল্পী-সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীরা যুদ্ধের মূল নিয়ামক জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করে পরোক্ষভাবে অবদান রেখেছেন। তাছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ভূমিকা অসামান্য। এদের প্রত্যেকেই উদ্দীপকে মণির বাবার মতো যুদ্ধের ফলাফলের নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছেন। এদের রক্তের বিনিময়েই আমাদের স্বাধীন মানচিত্র, লাল-সবুজের পতাকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
107

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে 'গণযুদ্ধ' বা 'জনযুদ্ধ' নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা আদেশ'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

আরিফার বাবা স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী ছিলেন। স্বাধীন বাংলা বেতার একটি গণমাধ্যম। অর্থাৎ, আরিফার বাবা গণমাধ্যমে কাজ করতেন। মুক্তিযুদ্ধে উক্ত মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। সংবাদপত্র ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন। পরে এটি মুজিবনগর সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা, রণাঙ্গনের নানা ঘটনা ইত্যাদি দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের প্রতি অনুপ্রাণিত করে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস জুগিয়ে বিজয়ের পথ সুগম করে। এছাড়া মুজিবনগর সরকারের প্রচার সেলের তত্ত্বাবধানে 'জয় বাংলা' পত্রিকা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অতএব বলা যায়, আরিফার বাবার মতো সংস্কৃতিকর্মী এবং প্রচারমাধ্যম মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আরিফার মায়ের মতো অনেক নারীর ভূমিকাই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে উল্লিখিত আরিফার মা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে খাবার সরবরাহ করতেন। মাঝে মাঝে সেখানে গিয়ে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করতেন। আরিফার মায়ের ন্যায় মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অপরদিকে, সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রুষা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লক্ষ মা-বোন। তারাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী এবং ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারিভাবে তাদেরকে 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করেন।

উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায়, স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আরিফার মায়ের মতো অনেক নারীই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
950
উত্তরঃ

যে তহবিল থেকে প্রসূত নারীদের অনুদান প্রদান করা হয় সেই তহবিল হচ্ছে 'ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

কোনো দেশের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে যে পরিষদ বা কমিটি গঠন করা হয়, তাকে গণপরিষদ (Constituent Assembly) বলে। যেমন- স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু 'বাংলাদেশ গণপরিষদ' নামে একটি আদেশ জারি করেন। এ আদেশবলে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে পরিগণিত হন।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews