চায়না ইঙ্ক বলতে বোঝায় এক ধরনের কালো কালি। অতি প্রাচীনকাল থেকে চীন দেশের শিল্পীরা ছবি আঁকায় কালো কালি প্রচুর ব্যবহার করতেন। তবে এ রকম কালোকালিকে ইন্ডিয়ান ইঙ্কও বলা হয়।
Related Question
View Allছবি আঁকার সাধারণ নিয়মগুলো হলো-
১। আকৃতি ও গঠনসহ ড্রইং;
২। দূরত্ব ও অনুপাত ঠিক রেখে বিষয় সাজানো;
৩। ছবিতে আলোছায়ার সঠিক প্রয়োগ এবং
৪। রং ব্যবহারের দক্ষতা।
ছবি আঁকার বিভিন্ন রকম উপকরণ রয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমের ছবিতে বিভিন্ন রকম উপকরণ ব্যবহার করা হয়।
নিচে ছবি আঁকার ৫টি প্রাথমিক উপকরণের ব্যবহারবিধি উল্লেখ করা হলো-
ক) কাগজ : ছবি আঁকার প্রধান উপকরণ কাগজ। এ কাগজ মোটা, পাতলা, খসখসে, মসৃণ ও. চকচকে জমিনের হয়ে থাকে। ছবি আঁকার, জন্য বাংলাদেশে যে কাগজটি সহজলভ্য তার নাম কার্টিজ পেপার।
খ) পেনসিল : ছবি আঁকার প্রধান একটি হাতিয়ার হলো পেনসিল। শক্ত শীষের পেনসিল সাধারণত লেখার কাজে ব্যবহার হয়। 2B, 4B, 6B এ তিন মাত্রার পেনসিল দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি আঁকা সম্ভব।
গ) তুলি : তুলি' ছবি আঁকার একটি অন্যতম হাতিয়ার। তুলি সাধারণত পশুর পশম ও কৃত্রিমভাবে পশম তৈরি করে বানানো হয়। ছবি আঁকার সুবিধার জন্য তুলি সরু থেকে ধীরে ধীরে মোটার দিকে, ০ (শূন্য) নং থেকে ২০ নং পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে এর ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে শিল্পীর সুবিধা, স্বাচ্ছন্দ্য ও ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে।
ঘ) ক্যানভাস, বোর্ড, ক্লিপ ও ইজেল বোর্ড, ক্লিপ ছবি আঁকার জন্য অতি প্রয়োজনীয়। বোর্ডে কাগজ রেখে ক্লিপ দিয়ে আটকিয়ে ছবি আঁকা সুবিধাজনক। তবে ইজেল ক্যানভাসে ছবি আঁকার জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজনীয়।
ঙ) রং : রং ছাড়া ছবি আঁকার কথা চিন্তা করা যায় না। ছবি আঁকার রং নানা রকম এবং বিভিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকম রঙের মধ্যে জলরং, পোস্টার রং, প্যাস্টেল রং, তেল রং এবং পেন্সিল রং উল্লেখযোগ্য।
প্রাথমিক রং বলতে লাল, নীল ও হলুদ এ তিনটি মৌলিক রংকে বুঝায়। এ তিনটি রং একটির সাথে অন্যটি মিশিয়ে আবার অনেক রঙের শেড তৈরি করা যায়।
যেসব ভিন্ন ভিন্ন রং একটির সাথে অন্যটি মিশিয়ে অনেক রঙের শেড তৈরি করা যায়। তাকে মাধ্যমিক রং বলে। যেমন- হলুদ ও লাল মেশালে কমলা রং, হলুদ ও নীল মেশালে সবুজ রং, লাল ও নীল মেশালে রেগুনি রং হয়।
ছবি আঁকার প্রাথমিক উপকরণের তালিকা নিম্নরূপ:
১। কাগজ;
২। পেন্সিল;
৩। কালি-কলম;
৪। তুলি;
৫। বোর্ড;
৬। ক্লিপ;
৭। ইজেল;
৮। রং;
৯। ক্যানভাস।
ছবি আঁকার ৫টি মাধ্যম হলো:
১। তেল রং;
২। জল রং;
৩। পোস্টার রং;
৪। এ্যাক্রেলিক রং ও
৫। এনামেল রং।
ছবিকে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করতে আলোছায়ার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আলোছায়ার কারণেই বিভিন্ন বস্তুর গঠনগত পার্থক্য অর্থাৎ গোল, চৌক বা অন্য যেকোনো আকৃতি আমাদের চোখে পড়ে। সময় ও আবহাওয়ার প্রভাবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়বস্তুর ওপর ভিন্ন ভিন্ন আলোছায়া থাকতে পারে। যেমন- প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি আঁকার সময় ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে ভিন্ন ভিন্নভাবে সূর্যের আলো পড়তে পারে। সূর্যের আলোছায়া সব বিষয়বস্তুতে সমানভাবে পড়বে না। দিনের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের আলোছায়া থাকে। আবার পূর্ণিমা ও অমাবস্যা রাতের আলোছায়া ও একটি অন্যটি থেকে আলাদা। একই দৃশ্যে সামনের বিষয়ের রং পিছনের বিষয়' থেকে উজ্জ্বল হবে। তাই ছবির বিষয়বস্তুতে নিকটত্ব, দূরত্ব, পরিপ্রেক্ষিত ওপর নিচ ইত্যাদি ফুটিয়ে তুলতে ও ছবিকে প্রাণবন্ত করতে আলোছায়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!