ফুলের জন্য যেসব ফসল চাষ করা হয় সেগুলোকে ফুলজাতীয় ফসল বলে
ফরাসি গাঁদা ফুলের বৈশিষ্ট্য হলো-
i. এ প্রজাতির গাছ ১৫-৩০ সেমি লম্বা হয়।
ii. গাছ শক্ত ও ঝোপালো হয়।
iii. ফুল ছোট ও লাল রঙের হয়।
উদ্দীপকে ভুট্টাগাছের পাতা ঝলসানো রোগ দেখানো হয়েছে। - ভুট্টাগাছে পাতা ঝলসানো রোগের ফলে আক্রান্ত গাছের নিচের দিকের পাতায় লম্বাটে ধূসর বর্ণের দাগ দেখা যায়। পরে তা গাছের উপরের অংশে ছড়িয়ে পড়ে। গাছে সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। ফলে চ্ছ গাছের পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হয়। এভাবে গাছ শুকিয়ে যায় এবং গাছের ফুল ও ফল ধরার হার অনেকাংশে কমে যায়। আবার রোগের আক্রমণ বেশি হলে পাতা আগাম শুকিয়ে যায় এবং গাছ মরে যায়। এভাবে গাছের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।
অতএব বলা যায় যে, ভুট্টাগাছে পাতা ঝলসানো রোগের আক্রমণ ফলনে
উদ্দীপকে উল্লিখিত ভুট্টাগাছের পাতা ঝলসানো রোগে উদ্ভিদের ফলন সার্বিকভাবে কমে যায়। তাই এ রোগ দমনে উপর্যুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
এ রোগ দমনের জন্য প্রথমে রোগ প্রতিরোধী জাত নির্বাচন করতে হবে।
বীজ বপনের পূর্বে ভালোভাবে বীজকে শোধন করতে হবে। বীজ শোধনে ভিটাভেক্স-২০০ ব্যবহার করতে হবে। এরপরও রোগের প্রকোপ বাড়লে আক্রান্ত গাছের পাতা কেটে ফেলতে হবে। এছাড়া ভুট্টা কাটার পর পরিত্যক্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলতে হবে। একই জমিতে বার বার ভুট্টা চাষ বন্ধ করতে হবে। এভাবে পাতা ঝলসানো রোগটি প্রতিরোধ করতে হবে। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত ব্যবস্থা অবলম্বন করলে ভুট্টাগাছের পাতা ঝলসানো রোগ দমন করা সম্ভব।
Related Question
View Allজীবের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের বিচ্যুতিকে রোগ বলা হয়।
মুরগির ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ খুবই মারাত্মক। টিকা দেওয়া হলে ঐসব রোগের বিরুদ্ধে মুরগির শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠে। অর্থাৎ, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ থেকে রক্ষার জন্য মুরগিকে নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়।
আবিদার সফলতার কারণ হলো সে মুক্ত পদ্ধতিতে দেশি ডিমপাড়া মুরগি পালন করেছিল।
আবিদার মুরগির সংখ্যা ছিল ১০টি। মুরগি ১০টি সে বাড়িতে মুক্ত পরিবেশে পালন করে। অল্প সংখ্যক মুরগি খুব সহজেই বাড়ির আশপাশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে খেতে পারে। দেশি মুরগি বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবারও খায়। এ জাতের মুরগি সঠিক সময়ে ডিম দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাছাড়া মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালনে অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহের এবং শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। তাই মুরগি পালনে খরচ কম হয়।
আবিদা দেশি জাতের মুরগি যে পদ্ধতিতে পালন করা উচিত ঠিক সে পদ্ধতিতেই পালন করেছিল। আর এটাই তার সফলতার কারণ।
শিউলি আবিদার দেখাদেখি মুরগি পালন শুরু করলেও সঠিক পালন পদ্ধতি অবলম্বন না করায় লাভবান হতে ব্যর্থ হয়।
আবিদার মতো শিউলিও মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালন করে। কিন্তু তার মুরগির সংখ্যা ছিল ২০টি এবং জাত ছিল ফাইওমি। ফাইওমি উন্নত জাতের মুরগি হওয়ায় এদের আরও বেশি যত্নের প্রয়োজন ছিল। মুরগির সংখ্যা বেশি হওয়ায় মুরগিগুলো তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমানে পায়নি বলে সহজে রোগাক্রান্ত হয়। শিউলি যদি তার মুরগিগুলোকে অর্ধ-আবদ্ধ পদ্ধতিতে পালন করত, তবে ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়ার জায়গা পেত। তাছাড়া খাবার ও পানি সঠিকভাবে সরবরাহ করতে পারত। এতে আবিদার চেয়ে খরচ বেশি হলেও সে বেশি লাভ পেত। তাই সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবই শিউলির ব্যর্থতার মূল কারণ বলে আমি মনে করি।
বস্তুগত উপকরণ ব্যয় বলতে ফসল উৎপাদনে বীজ, সার, সেচ ইত্যাদির জন্য যে ব্যয় হয় তাকে বোঝায়।
রজনীগন্ধার জমিতে পর্যাপ্ত রস থাকার দরকার হলেও অতিবৃষ্টি ফলে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি গাছ সহ্য করতে পারে না। গাছগুলে পচে যায়। তাই অতিবৃষ্টি রজনীগন্ধা চাষে ঝুঁকি বাড়ায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
