চিত্রের ২নং অংশটি হলো কৃত্রিম উপগ্রহ। নিচে তথ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে কৃত্রিম উপগ্রহের ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হলো-
১. যোগাযোগ উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিফোনের সাহায্যে একস্থান থেকে অন্যস্থানে বা একদেশ থেকে অন্যদেশে কথা বললে।
২. যোগাযোগ উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের প্রোগ্রাম, খেলাধুলা, খবর সরাসরি সম্প্রচার করা।
৩. আবহাওয়া উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া সম্পর্কিত তথ্যসমূহ সংগ্রহ করা।
৪. আবহাওয়া উপগ্রহের মাধ্যমে বায়ুপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা।
৫. পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহের মাধ্যমে কোথাও মাটি, পানি ও বায়ু দূষিত হচ্ছে কি-না তা জানা।
৬. পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহের মাধ্যমে বনে আগুন লেগেছে বা কোনো জাহাজের সামনে হিমবাহ আছে কি-না তা জানা।
৭. সামরিক বা গোয়েন্দা উপগ্রহের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের তথ্য সংগ্রহ করা।
৮. নৌ পরিবহন উপগ্রহের মাধ্যমে গাড়ি, সামুদ্রিক জাহাজ ও বিমান চলাচলের পথ নির্ধারণ করা।
৯. জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক উপগ্রহের মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে অজানা অভব্য সংগ্রহ করা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
