চিত্র-২ এ জীবের উপযোগী পরিবেশের বিকাশ আলোচনা কর।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

চিত্র-২ হলো পৃথিবী, যা মানুষ ও অন্যান্য জীবের জন্য উপযোগী স্থান। ধারণা করা হয় সূর্য যখন, সৃষ্টি হয় তখন তার অবশিষ্ট অংশ মহাকাশে ধূলিকণার মতো ভেসে বেড়িয়েছে। তার লক্ষ লক্ষ বছর পর এই ধূলিকণা একত্রিত হয়ে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে। শুরুর দিকে পৃথিবী বেশ গরম ছিল। এতো গরম ছিল যে, পৃথিবীপৃষ্ঠ টগবগ করে ফুটতো। জীবনের জন্য যে তরল পানি দরকার তা ছিল না। বায়ুমণ্ডলে কোনো অক্সিজেন ছিল না। পৃথিবী এ অবস্থায় থাকলে কোনো জীবের উদ্ভব হতো না।
ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে তাপ সরে গিয়ে ঠান্ডা হয়েছে। ঠান্ডা হওয়ার সময় ভারী পদার্থগুলো পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে চলে গেছে। আর হালকা পদার্থগুলো পৃথিবীপৃষ্ঠের দিকে রয়ে গেছে। বায়বীয় পদার্থগুলো যেমন-কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয় বাষ্প, মিথেন, কার্বন মনোক্সাইড ইত্যাদি বায়ুমণ্ডল গঠন করেছে। এরপর পৃথিবী আরও ঠাণ্ডা হয়ে জলীয় বাষ্প তরল পানি হয়ে সমুদ্র তৈরি করেছে। বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেড়েছে। এসব উপাদান জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়। এসব উপাদান পৃথিবীতে তৈরি হওয়ায় পৃথিবীতে জীবনের সৃষ্টি হয়েছে ও জীব টিকে থাকতে পারছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
140

হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ চিন্তা করেছে কীভাবে পৃথিবী ও মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সমাজে এ বিষয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব ও কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। তবে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বেশির ভাগ বিজ্ঞানী এখন একটি তত্ত্বকে গ্রহণ করেন। এ তত্ত্বে বলা হয় যে, মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। এই মহাবিশ্বের একটি গ্রহ পৃথিবী। পৃথিবীর বাইরের দিকটি আমরা দেখতে পাই, কিন্তু পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন সহজে বোঝা যায় না। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণা করা যায় ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত -এ ধরনের ঘটনা থেকে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা

  • পৃথিবীর উৎপত্তির ঘটনা বর্ণনা করতে পারব।
  • পৃথিবীর গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্রের পরিচয় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ভূমিকম্পের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন বহিরাবরণই হলো ভূ-ত্বক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
137
উত্তরঃ

পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতকগুলো প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো কখনো একটি থেকে আরেকটি সরে যায় বা ধাক্কা খায়। প্লেটগুলোর পরস্পরের সাথে ধাক্কার সময় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এ তাপে ভূ-ত্বকের অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ ভূ-অভ্যন্তরের চাপের ফলে নিচ থেকে ভূপৃষ্ঠের ফাটল ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
482
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে R হচ্ছে কেন্দ্রমণ্ডল।

বর্ণনা: কেন্দ্রমণ্ডল পৃথিবীর অভ্যন্তরের তিনটি মূল ভাগের একটি। এটি পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকের অংশ। পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু থেকে প্রায় ৩৫০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের গোলাকার জায়গা নিয়ে কেন্দ্রমণ্ডলের বিস্তৃতি। পৃথিবী সৃষ্টির সময় কেন্দ্রের দিকের তাপ বের হতে পারেনি। তাই কেন্দ্রমণ্ডল অত্যন্ত উত্তপ্ত। এখানে নিকেল, লোহা, সীসা ইত্যাদি ধাতু আছে। এ ধাতুগুলোও উত্তপ্ত অবস্থায় আছে। কেন্দ্রমণ্ডলের ভেতরের অংশে এরা কঠিন কিন্তু বাইরের দিকে গলিত অবস্থায় আছে। এর অর্থ, ধাতুগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনো গলেনি, কঠিন আছে সেসব ভারী পদার্থগুলো কেন্দ্রে আছে। আর যেগুলো গলে গেছে সেসব তরল পদার্থগুলো কিছুটা উপরে চলে এসেছে। এভাবে বিভিন্ন উত্তপ্ত গলিত ও কঠিন পদার্থের সমন্বয়ে পৃথিবীর কেন্দ্রমণ্ডল গঠিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
296
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রের P ও Q স্তরের মধ্যে স্তরটি মাটি গঠন করে। এটি পৃথিবীর শিলামণ্ডল।

বিশ্লেষণ: শিলামন্ডল পৃথিবীর অভ্যন্তরের তিনটি মূল ভাগের উপরের স্তর।-এর উপরের দিকের অংশ হচ্ছে ভূ-ত্বক। ভূ-ত্বকের বেশির ভাগই পাথর, নুড়ি, কাঁকড়, বালি ইত্যাদি কঠিন পদার্থ যা শিলা নামে পরিচিত। এ কঠিন শিলা থেকে নরম মাটি তৈরি হয় সাধারণত দুটি পর্যায়ে-

প্রথম পর্যায়: কঠিন শিলা দীর্ঘদিন ধরে রোদ, বৃষ্টি, ঝড়, ভূমিকম্প এগুলোর কারণে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে পরিণত হয়। এছাড়া বায়ু, বরফ বা পানির প্রবাহ, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি কারণে অন্য জায়গা থেকে ক্ষুদ্র শিলাকণা এসে একটি স্থানে জমা হয়।

দ্বিতীয় পর্যায়: ক্ষুদ্র শিলাকণার সাথে পানি, বায়ু, ক্ষুদ্র জীব যেমন- ব্যাকটেরিয়া, পচা ও মৃত জীবের দেহাবশেষ যোগ হয়। এভাবে মাটি তৈরি হয়। জৈব পদার্থের মিশ্রণে তৈরি হয় বলে মাটি নরম হয়। তবে বিভিন্ন স্থানের মাটি বিভিন্ন রকম হতে পারে। যতই ভিন্ন হোক মাটি গঠন হয় মূলত শিলামন্ডলের কঠিন শিলার সাথে জৈব পদার্থের মিশ্রণে।
অতএব, বুঝা গেল, পৃথিবীর অভ্যন্তরের উপরের শিলামণ্ডল স্তরটি কেবলমাত্র মাটি গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
227
উত্তরঃ

পৃথিবী সকল কিছুকে তার নিজের দিকে টানে। সেই টানের ফলে বায়ুমন্ডলের গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডল ঘন হয়ে থাকে। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরের দিকে যাওয়া যায় বায়ুমণ্ডল তত হালকা বা পাতলা হবে। তাই পর্বতারোহীরা পর্বত আরোহণের সময় শ্বাস নেওয়ার জন্য অক্সিজেন সাথে নিয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
139
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews