উদ্দীপকের রাশিকের চোখ তথা আমাদের চোখ একটি নির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করে। যার ফলে আমরা দেখতে পাই। নিচে চোখের ক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-
চোখের উপাদানগুলোর মাঝে রয়েছে রেটিনা, চোখের লেন্স, অ্যাকুয়াস হিউমার, ভিট্রিয়াস হিউমার এবং কর্নিয়া। চোখের লেন্স একটি অভিসারী লেন্সের মতো কাজ করে। আমরা জানি, উত্তল বা অভিসারী লেন্স সবসময় উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি করে। ক্যামেরায় ছবি তোলার জন্য এভাবে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। যখনই আমাদের সামনে কোনো বস্তু থাকে, তখন ঐ বস্তু থেকে আলোকরশ্মি এই লেন্স দ্বারা প্রতিসারিত হয় এবং রেটিনার ওপর একটি উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি করে। রেটিনার ওপর আলো পড়লে স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রড এবং কোণ কোষগুলো সেই আলো গ্রহণ করে তাকে তড়িৎ বা বিদ্যুৎ সিগন্যালে পরিণত করে। স্নায়ু এই বিদ্যুৎ বা তড়িৎ সিনগ্যালকে তাৎক্ষণিকভাবে অপটিক নার্ভ বা
অক্ষিস্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়। এখনে উল্লেখ করা যেতে পারে, কোণকোষগুলো তীব্র আলোতে সাড়া দেয় এবং রঙের অনুভূতি ও রঙের পার্থক্য বুঝিয়ে দেয়। অন্যদিকে রডকোষগুলো খুব কম আলাতে সংবেদনশীল হয়। এজন্য জ্যোৎস্নার অল্প আলোতে আমরা "রড" কোষগুলোর কারণে দেখতে পাই কিন্তু কোনো রং বুঝতে পারি না। মস্তিষ্ক রেটিনায় সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে সোজা করে দেয় বলে আমরা civate বস্তুটি যে রকম থাকে সেরকমই দেখি।
Related Question
View Allআলোর প্রতিসরণ (Reflection of light) হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলোর রশ্মি একটি বিপরীত পৃষ্ঠ থেকে ফিরে আসে। এটি ঘটে যখন আলোর রশ্মি কোনো প্রতিবন্ধক বা পৃষ্ঠে আঘাত করে এবং সেই পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত হয়।
প্রতিসরণের দুইটি মূল ধরণ রয়েছে:
- সমতল প্রতিসরণ: যখন আলো একটি সমতল পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন আয়না।
- বক্র প্রতিসরণ: যখন আলো বক্র পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন জলাধার বা কোনো গোলাকার পৃষ্ঠ।
প্রতিসরণের মূল নিয়ম:
- প্রতিরূপ নিয়ম: প্রতিসরণের সময়, প্রতিসরণের কোণ (অর্থাৎ আলোর আসার কোণ) এবং প্রতিফলনের কোণ (অর্থাৎ ফিরে আসার কোণ) একে অপরের সমান হয়।
- আইনার নিয়ম: আলো যে কোন পৃষ্ঠের দিকে প্রবাহিত হয়, সেই পৃষ্ঠের সাথে প্রান্তিক অবস্থায় প্রতিসরণ ঘটে।
উদাহরণস্বরূপ, একটি আয়না দেখতে পাওয়া যা আমাদের নিজস্ব প্রতিবিম্ব দেখায়, এটি আলোর প্রতিসরণের একটি বাস্তব উদাহরণ।
পদার্থবিজ্ঞানে প্রতিসরণ বলতে একটি তরঙ্গের পথ পরিবর্তনকে বোঝায়; যখন এটি একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়। তরঙ্গের গতির পরিবর্তন বা মাধ্যমের পরিবর্তনের কারণে পথ পরিবর্তন হতে পারে। আলোর প্রতিসরণ হতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য তরঙ্গ যেমন শব্দ তরঙ্গ এবং জলতরঙ্গেও প্রতিসরণ হতে দেখা যায়।
আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে লম্বভাবে বাকাভাবে আপতিত হয় তখন বিবেদতলে এর গতিপথের দিক পাল্টে যায়। আলোকরশ্মির দিক পরিবর্তন করার এই ঘটনাই হলো আলোর প্রতিসরণ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!