কবির মতে বাঙালি চর্যাপদের অক্ষর থেকে এসেছে।
বাঙালি পালযুগের চিত্রকলার ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করার মধ্য দিয়ে এসেছে।
প্রাচীন বাংলা ও বাঙালির জীবনেতিহাসে পালযুগ এক স্মরণীয় অধ্যায়। চারশত বছরব্যাপী পাল আমলে শিল্প-সাহিত্যের অসামান্য বিকাশ সাধিত হয়। চিত্রকলায়ও এ সময়ের সমৃদ্ধি লক্ষ করা যায়। বাংলা ও বাঙালির শিল্প ও চিত্রকলার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এই পালযুগের চিত্রকলার ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে ঋদ্ধ।
উদ্দীপকটি 'আমার পরিচয়' কবিতার বিপ্লবী চেতনার দিকটিকে নির্দেশ করেছে।
বাঙালির ইতিহাস বিপ্লব-বিদ্রোহের ইতিহাস। বাঙালিরা যুগে যুগে শাসক-শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করেছে। চড়াই-উতরাই পার হয়ে, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি আত্মপরিচয় তৈরি করেছে।
উদ্দীপকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত অন্যতম প্রধান বিপ্লবী ক্ষুদিরামের কথা বলা হয়েছে। ক্ষুদিরাম বসু ব্রিটিশের অত্যাচারী ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যা করতে গিয়ে ভুলবশত দুজন ইংরেজ নারীকে হত্যা করেন। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট এই বিপ্লবীর ফাঁসির আদেশ কার্যকর হয়। উদ্দীপকে তাঁকে স্মরণ করে বাঙালির বিপ্লবী চেতনাকে নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের এ দিকটি 'আমার পরিচয়' কবিতার বিপ্লবী চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কবিতায় বাঙালির আত্মপরিচয় তৈরির ক্ষেত্রে যুগে যুগে জীবন উৎসর্গকারী বিপ্লবীদের স্মরণ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ক্ষুদিরামের কথাও বলা হয়েছে। উদ্দীপকটি এভাবে 'আমার পরিচয়' কবিতার বিপ্লবী চেতনার দিকটিকে নির্দেশ করেছে।
"উদ্দীপকে 'আমার পরিচয়' কবিতার একটি বিশেষ দিকের প্রতিফলন ঘটেছে, পুরো বিষয় এখানে প্রকাশ পায়নি।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
বাঙালি জাতির সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। তারা একদিকে শত্রুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে, অন্যদিকে এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে সভ্যতার অগ্রযাত্রায় শামিল হয়েছে।
উদ্দীপকে বাঙালির বিপ্লবী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। এখানে ক্ষুদিরামের মধ্য দিয়ে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাঙালির ভূমিকা এবং তাঁদের আত্মত্যাগের কৃতিত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়টি 'আমার পরিচয়' কবিতার একটি বিশেষ দিককে নির্দেশ করেছে। তা হলো বিপ্লব-বিদ্রোহের দিক। এ দিকটি ছাড়াও 'আমার পরিচয়' কবিতায় কবি বাঙালির আত্মপরিচয়ের আরও কিছু অনুষঙ্গের কথা বলেছেন যেগুলো উদ্দীপকে নেই। উদ্দীপকে বাঙালির সংগ্রামী ইতিহাসের বিষয়টিও ইঙ্গিতে প্রকাশিত।
'আমার পরিচয়' কবিতায় বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায় চর্যাপদ, মহুয়ার পালা, সওদাগরের ডিঙার বহর, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, কমলার দীঘি প্রভৃতির মধ্য দিয়ে। এছাড়া এ কবিতায় জয়নুল, অবনঠাকুর, রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জয় বাংলা ধ্বনিকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে। এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!