চীন 'বিশ্বের মধ্যে একটি বৃহত্তম জনবহুল দেশ। তা সত্ত্বেও দেশটি কৃষি ক্ষেত্রে বেশ উন্নত। এর প্রধান কারণ চীন মৌসুম নিরপেক্ষ ও হাইব্রিড জাতের বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনে সক্ষম। আমরাও এ ধরনের কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কয়েকগুণ বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারি। এগুলো নিজেদের প্রয়োজন। মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

FAO এর পূর্ণরূপ হলো- Food und Agricultural Organization.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ভারত একটি বৃহৎ দেশ। এদেশে মরু অঞ্চল থেকে শুরু করে বরফাবৃত অঞ্চল, নিচু জলাভূমি থেকে শুরু করে পার্বত্য অসমতল ভূমি, অনুর্বর খরাপ্রবণ এলাকা থেকে নদীবিধৌত উর্বর অঞ্চলও রয়েছে। দেশের এক অঞ্চলে যখন তুষারস্নাত শীতকাল অন্য অঞ্চলে তখন গ্রীষ্ম বা বসন্তকাল। এমন কোনো কৃষিজ পণ্য প্রায় নেই যা ভারতে উৎপন্ন হয় না। তাই সার্বিক বিবেচনায় ভারতকে বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত দেশটি হলো- চীন। দেশটির সাথে বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থার তুলনা নিম্নে আলোচনা করা হলো-

বাংলাদেশের তুলনায় চীন কৃষিতে অনেক উন্নত দেশ। ফসলওয়ারি তুলনা করলে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সকল কৃষিজাত উৎপাদন হেক্টর প্রতি চীনে বেশি। এর প্রধান দুটি কারণ আছে। এক জিনগত অর্থাৎ বংশগতিগত পরিবর্তন এমনভাবে তারা ঘটাতে সক্ষম হয়েছে যে তাদের অধিকাংশ ধানের জাত মৌসুম নির্ভরশীল আর নেই, এ জাতগুলো আগে প্রচলিত জাতগুলোর চেয়ে হেক্টর প্রতি সাতগুণ পর্যন্ত ফলন দিচ্ছে। চীনের ধান গবেষকগণ দাবি করছেন আগামী প্রজন্মের ধান জাতগুলো এখানকার চেয়ে দ্বিগুণ উৎপাদন দেবে। চীনের বর্তমান আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে এসব ফসল হয়তোবা সহায়ক ও হুমকিহীন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সমস্যা আছে। কারণ ঐতিহ্যগতভাবে ধান বীজের জন্য বাংলাদেশের চাষিদের বীজ ব্যবসায়ীদের মুখাপেক্ষী হয়ে না থাকলেও চলে। কেননা দেশের মোট ব্যবহৃত ধান বীজের অন্তত ৮৫% চাষিরা নিজেরাই সঞ্চয় ও ব্যবহার করে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট (BRRI) এ পর্যন্ত যতগুলো উচ্চ ফলনশীল ধান জাত (HYV) উদ্ভাবন করে কৃষকের হাতে তুলে দিয়েছে সেগুলোর বীজ ধানক্ষেতেই উৎপাদন করা যায় এবং চাষিরা পরবর্তী ফসলের জন্য বীজ সেখান থেকে সঞ্চয় করে রাখতে পারেন। অর্থাৎ ধান বীজের জন্য বাংলাদেশের চাষিদের এক ধরনের সার্বভৌমত্ব রয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটেও ঐ টার্মিনেটর টাইপ সুপার হাইব্রিড ধান উৎপাদনের জন্য জোর গবেষণা চলছে। শীঘ্রই হয়তো বাংলাদেশের চাষিরা এই অতি উচ্চ ফলনশীল দেশি ধান বীজ পাবে চাষ করার জন্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত দেশটি হলো- চীন। দেশটির মতো মৌসুম নিরপেক্ষ ও হাইব্রিড জাতের ফসল চাষ করে আমরাও লাভবান হতে পারি। উক্তিটির যথার্থতা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো-

ফসলের ক্ষেত্রে দিনের দৈর্ঘ্য সচেতনতা মৌসুম নির্ভরশীলতার প্রধান কারণ। এ দিবা দৈর্ঘ্য সংবেদনশীলতা দূর করতে বা কমিয়ে দিতে পারলে অর্থাৎ একটি মৌসুম নির্ভর ফসলকে মৌসুম নির্ভরতা মুক্ত করতে পারলে ফসলটি যে কোনো মৌসুমে উৎপাদন করা যায়। মৌসুম নির্ভরতামুক্ত ফসল চাষ করে কৃষকরা নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে পারবে-

১. বাজারে অসময়ের ফল ও সবজির চাহিদা খুবই বেশি। এসব অসময়ের ফসল উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। কৃষক ও খুচরা বিক্রেতা উভয়ে বাড়তি পয়সা উপার্জন করতে পারে। বিশেষ করে আগাম ফসল বাজারজাত করতে পারলে বেশি দাম পাওয়া যায়।
২. ঋতুচক্র সংশ্লিষ্ট কর্মহীনতা দূর হয়ে কৃষককে মোটামুটি সারা বছর কর্মব্যস্ত রাখতে পারে।
৩. 'মঙ্গা' বা এ ধরনের সাময়িক দুর্ভিক্ষাবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
৪. বাজারে কৃষিপণ্য বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করতে পারে।
৫. আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে এনে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হতে পারে।
অপরদিকে হাইব্রিড জাতের ফসল চাষ করেও আমরা লাভবান হতে পারি। হাইব্রিড জাতের ফসলের উৎপাদন ক্ষমতা অন্যান্য ফসলের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এ কারণে অল্প জমিতে ফসল চাষ করে আমরা বেশি ফলন পেতে পারি এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
119

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই শিল্পায়নের যুগেও বাংলাদেশ কৃষির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক কৃষির সাথে তুলনা করলে অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশ যেমন কৃষিপ্রধান দেশ আর আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি তবুও ধান উৎপাদনে আমরা ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান প্রভৃতি দেশ হতে অনেক পিছিয়ে আছি। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে যাচ্ছেন। একসময় বাংলাদেশে বিশ্বের ৭৫ ভাগ পাট উৎপাদন হতো। কিন্তু খানের চাহিদা ও কৃত্রিম আঁশের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে পাটের উৎপাদন কৃষকরা কমিয়ে দিয়েছেন। তবুও জাতীর আর বৃদ্ধিতে পার্ট অনেক অবদান রাখছে। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।

বাংলাদেশের বাজারে শুধু যে বাংলাদেশের পণ্যই পাওয়া যায় তা নয়, প্রতিবেশী দেশের পণ্যও বাজারে প্রবেশ করেছে। এতে বাংলাদেশের সাথে অন্য দেশের একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশের কৃষি ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের কৃষির অবস্থা এ অধ্যায়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  আধুনিক কৃষি ফলন এবং আমাদের জীবনধারার পরিবর্তনের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারব। 
  • বাংলাদেশের সাথে বিশ্বের কয়েকটি নির্বাচিত দেশের কৃষির অগ্রগতির সম্পর্ক বর্ণনা করতে পারব।
  • বাংলাদেশের কৃষির সাথে কয়েকটি নির্বাচিত দেশের কৃষির তুলনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কৃষিতে বিজ্ঞানীদের দুটি অবদান নিম্নরূপ
১. নিরলস গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করেছেন।
২. মাটির ধরন বিবেচনা করে কোন অঞ্চলে কোন ফসলে কী মাত্রায় সার প্রয়োগ করা হবে সে বিষয়ে কৃষকদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
198
উত্তরঃ

কৃষিতে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। আর এসব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা। তারা জলবায়ু, পরিবেশ, মাটি, পানি উৎপাদন পদ্ধতি এসব বিষয় বিবেচনায় এনে উচ্চতর গবেষণা করছেন। তাদের নিরলস গবেষণার ফলেই কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
263
উত্তরঃ

বন্যা প্রতিরোধী ৪টি ধানের জাতের নাম হলো-
১. ব্রি ধান ২২,
৩. ব্রি ধান ৩৭,
২. ব্রি ধান ২৩,
৪. ব্রি ধান ৩৮।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
201
উত্তরঃ

গ্রামীণ সাংস্কৃতিক কাঠামোতে কৃষির ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করা যায়। কৃষকের সাংস্কৃতিক জীবন ও জনমানুষের সাংস্কৃতিক ভাবনায় চমৎকার মেলবন্ধন লক্ষ করা যায়। যেমন- কৃষি সংক্রান্ত নানা বিষয়ে চারণ কবি খনার নানা মন্তব্য 'খনার বচন' নামে খ্যাত যা আমাদের সংস্কৃতিকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
136
উত্তরঃ

ফসলের জন্য সারের মাত্রা নির্ধারণের শর্ত হলো-
১. পূর্ববর্তী ফসলে কোন মাত্রায় সার দেওয়া হয়েছে।
২. প্রয়োগকৃত সারের কোনগুলো নিঃশেষ হয়ে যায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
149
উত্তরঃ

কৃত্রিম রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর একটি উপায় হলো অণুজীব সার প্রয়োগ। এ ধরনের সার প্রয়োগে মাটির উর্বরতা বাড়ে, মাটিদ্ধ ফসফেট দ্রবীভূত হয়ে ফসলের গ্রহণোপযোগী হয়। সর্বোপরি ফসলের ফলন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
132
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews