চুন্নু মিয়া কবুতর পালনের জন্য ২ ফুট × ২ ফুট × ২ ফুট আয়তনের টিন দিয়ে একটি ঘর তৈরি করেছেন। তিনি বাজার থেকে ২টি পুরুষ ও ২টি স্ত্রী কবুতর কিনে এনে ঘরটির ভিতর রেখেছেন। কবুতর ৪টি রাখার পরপরই ঝগড়া করে বেরিয়ে এসেছে। কবুতর পালনে অভিজ্ঞ আরিফ বললেন ঘর তৈরি, আবাসস্থল ও কবুতর বশে আনা সঠিক হয়নি। আরিফের পরামর্শে তিনি সঠিকভাবে কবুতর পালন করে দুই বছরে লাভবান হলেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পোল্ট্রি খামারের শ্রেণিগুলো হলো:

i. মাংস উৎপাদন খামার; 

ii. ডিম উৎপদন খামার; 

iii. বাচ্চা উৎপাদন খামার; 

iv. প্রজনন খামার ও 

v. খাদ্য উৎপাদন খামার।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

পোল্ট্রির মধ্যে রাজহাসই মানুষ প্রথম পালন করে। এর প্রয়োজনীয়তা সবসময়ই রয়েছে।

অন্যান্য পোল্ট্রির তুলনায় রাঁজহাসের বৃদ্ধি বেশি হয়। ২০ সপ্তাহে ৫ কেজির বেশি ওজন হয়। এরা সব ধরনের আবহাওয়াতেও খাপ খাওয়াতে পারে। ঘাস খায় বলে সম্পূরক খাদ্য কম লাগে। রাজহাস ফসলের জমির আগাছা খেয়ে পা দিয়ে মাটি নিড়ানির কাজ করে। বিছানা ও পোশাক তৈরিতে এর নরম পালক ব্যবহার করা হয়। রাঁজহাস বাসা বাড়ি পাহারা দেয়ার কাজও করে। অপরিচিত কেউ আসলে প্যাক পরাক শব্দ করে ও কামড়াতে চায়। উৎপাদন খরচ কম বলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সহজেই রাজহাস পালন করে লাভবান হওয়া যায়

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চুন্নু মিয়ার কবুতর পালনের জন্য তৈরি করা ঘরটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় পরবর্তীতে কবুতরের ঘর ও আবাসস্থল সঠিকভাবে তৈরি করেন।
কবুতরের আবাসস্থলের জন্য তিনি উঁচু স্থান নির্বাচন করেন যাতে কুকুর বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণী আক্রমণ করতে না পারে। ঘরে যাতে প্রচুর আলো বাতাস চলাচল করতে পারে তিনি সেদিকে লক্ষ রাখেন।

চুন্নু মিয়ার দুই জোড়া কবুতর হওয়ায়, তার কবুতরের জন্য চারটি খোপ দরকার। একটি খোপে একটি স্ত্রী কবুতর ডিমে তা দিলে যেন পুরুষ কবুতর অন্য খোপে থাকতে পারে। তাই প্রত্যেক জোড়ার জন্য দুটি করে খোপের প্রয়োজন হয়। এরূপ খোপের আয়তন প্রতিজোড়া ছোট কবুতরের জন্য ৩০ সেমি × ৩০ সেমি x ২০ সেমি এবং বড় আকারের কবুতরের জন্য ৫০ সেমি × ৫৫ সেমি × ৩০ সেমি হওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে তিনি ঘর তৈরি করেন। মাটি থেকে ঘরের উচ্চতা প্রায় ৮ ফুটের মতো রাখেন। ঘরের সামনে তিনি ১২ সেমি বারান্দা রাখেন এবং প্রতি ঘরে ১০ সেমি × ১০ সেমি মাপের দরজা রাখেন।

এভাবে চুন্নু মিয়া কবুতরের ঘর ও আবাসস্থাল সঠিকভাবে তৈরি করেছিলেন।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চুন্নু মিয়া কবুতর পালনে অভিজ্ঞ আরিফের পরামর্শে সঠিকভাবে কবুতর পালন করায় লাভবান হন।
সঠিক পদ্ধতি অবলম্বনে কবুতর পালন করলে স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফা পাওয়া সম্ভব। এর কারণগুলো হলো-

১. একজোড়া কবুতর হতে বছরে ১০-১২ জোড়া বাচ্চা পাওয়া যায়।

২. ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়।

৩. কবুতর পালনে পুঁজি ও জায়গা কম লাগে।

৪. কম খরচে দেয়ালে বা ছাদে বাসা তৈরি করে পালন করা যায়। 

৫. কবুতর ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয়।

৬. কবুতরের ডিম থেকে মাত্র ১৮ দিনে বাচ্চা ফোটে।

৭. কবুতরের খাদ্য খরচও কম।

৮. কবুতরের মাংস সুস্বাদু ও আমিষ সমৃদ্ধ।

৯. কবুতরের বাচ্চার মাংসে প্রচুর খনিজ ও ভিটামিন থাকায় অসুস্থ ও বাচ্চাদের জন্য এটি পুষ্টিকর খাদ্য।

১০. অল্প সময়ে বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া যায়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
142
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
819
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
517
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
599
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
707
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
685
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews