সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হলো পরিবার।.
সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।
গাছকে '৫ স্থানটিতে যে শব্দটি হবে, তা হলো সমাজ।
সমাজের সাথে মানুষের সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ। কারণ সমাজের সৃষ্টি মানুষকে নিয়েই। মানুষ ছাড়া সমাজ কল্পনা করা যায় না। খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করা শুরু করে। এভাবে প্রয়োজনের তাগিদ থেকে পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গঠিত হয়েছে সমাজ। আর সমাজের মূল ভিত্তি হচ্ছে ঐক্য, বন্ধুত্ব ও সংঘবদ্ধতা। পরিবার থেকে গোত্র, সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। এভাবে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ সমাজের উদ্ভব হয়েছে। উদ্দীপকের ছকে যথাক্রমে পরিবার, গোত্র, সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠী দেখানো হয়েছে। আমরা জানি, পরিবার হলো সমাজের মূল ভিত্তি। পরিবার থেকে গোত্র, সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত হয় সমাজ। তাই বলা যায়, ছকে স্থানে সমাজ হবে।
প্রদত্ত ছকটিতে সমাজ গঠনের ধাপগুলো পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হয়েছে।
দৃশ্যমান ছকটিতে যেসব বিষয় রয়েছে, তন্মধ্যে প্রথম ধাপটি হলো পরিবার। পরিবার হলো সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ। মা-বাবা, ভাইবোন, চাচা-চাচি, দাদা-দাদিসহ অন্যান্য ব্যক্তির কার্যকলাপের সমন্বয়ে পরিবার গড়ে ওঠে। আবার কয়েকটি পরিবারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে গোত্র। এরপর কয়েকটি গোত্র মিলে গড়ে ওঠে সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠী। অর্থাৎ পরিবার থেকে গোত্র, গোত্র থেকে সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়ে মানুষ। এভাবে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ সমাজের উদ্ভব হয়েছে। উদ্দীপকে দৃশ্যমান ছকটিতে প্রথমে পরিবার, পরিবারের মাধ্যমে গোত্র, কয়েকটি গোত্র মিলে সম্প্রদায় ও সম্প্রদায়ের মাধ্যমে জাতিগোষ্ঠী গঠিত হয়। আর এসবের সমন্বিত রূপ হলো সমাজ। তাই বলা যায়, প্রদত্ত ছকটির ধারাবাহিকতা সঠিক হয়েছে।
Related Question
View Allপোড়াবাড়ি চমচমের জন্য বিখ্যাত।
আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে ইঙ্গিত করছে।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানব সমাজের আদিমতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু এ সম্পদকে ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে শেখেনি। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এ সময় মানুষ শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ অস্ত্র (বর্শা) হাতে শিকার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লোকটির পরনে রয়েছে পশুর চামড়ার তৈরি বস্ত্র। এসব বৈশিষ্ট্য শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজটি হচ্ছে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজের উদ্ভাবন করেছে। আদিম সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে। আর ফলমূল সংগ্রহের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মেয়েরা নিয়ে আসত বুনো গম, বার্লির মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ।. তাদের থাকার জায়গার পাশে গম ও বার্লি দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এ পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে দেখা যায়, মেয়েরা কৃষিকাজ করছে। সুতরাং বলা যায়, ২নং চিত্রে মূলত উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের কথা বলা হয়েছে। আর এ সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই। সুতরাং প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।
সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হলো পরিবার।.
সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!